নতুন শিক্ষানীতি নয়, প্রাথমিক শিক্ষায় আলাদা নীতিমালা হচ্ছে
কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে
টানা বিক্ষোভের পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী
সহকারী শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতি, বন্ধ ৬৫ হাজার স্কুল
বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

এফএইচ হলের প্রভোস্টকে হেয় করার প্রতিবাদে ঢাবি ফার্মেসি শিক্ষকদের ক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্মেসি অনুষদের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক ও ফজলুল হক মুসলিম (এফএইচ) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনুষদের শিক্ষকরা। এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কাছে চিঠি দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া চিঠিতে ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষকরা বলেন, এফএইচ হলে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে যে টানাপোড়েন ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক। চিঠিতে তারা বলে...

নকলের শাস্তিতে কুমিল্লার দুই কলেজ শীর্ষে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকল ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লার দুটি কলেজ। কলেজ দুটি হলো—কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠান দুটির ১০ জন করে মোট ২০ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির আওতায় পড়েছেন। কুমিল্লার এই দুই কলেজের পরেই রয়েছে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ। এ কলেজের ৯ পরীক্ষার্থী নকলসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাস্তি পেয়েছেন। তাদের সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকল ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে মোট ২৮৮ পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের সবার সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কয়েকজনকে পরবর্তী এক থেকে চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। যেভাবে নির্ধারণ করা হয় শাস্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব এবং নকলের আলামত পর্যালোচনা করা হয়। এরপর অপরাধের ধরন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেগুলেশন অনুযায়ী শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পরিদর্শক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এসব পরীক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্রসহ অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই করে বিষয়গুলো পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর প্রমাণ ও অপরাধের ধরন বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির সিদ্ধান্ত হয়। ২১৬ জনের শুধু পরীক্ষা বাতিল পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শাস্তি পাওয়া ২৮৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১৬ জনের শুধু সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫৫ জনের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১৪ জনকে পরবর্তী তিন বছর এবং তিনজনকে পরবর্তী চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ, নকল ও অন্যান্য অনিয়মের মাত্রা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শুধু পরীক্ষা বাতিল নয়, সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু

  ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ যখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তখনও শেষ হয়নি একটি ছোট্ট প্রাণের লড়াই। নেপালের রসুয়া জেলায় বন্যার তিন দিন পর মাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ছয় বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করা শিশুটিকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়া হয়েছে। রসুয়া জেলার তিমুরে গ্রামে এ হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি ভোতে কোশি নদীর পানি বেড়ে সেখানে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এতে তিমুরে গ্রাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার পানির সঙ্গে মাটি ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে বহু স্থাপনা। এরপর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে আসছিলেন উদ্ধারকর্মীরা। উদ্ধার অভিযানের একপর্যায়ে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) সদস্যরা মাটির নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান। শব্দের উৎস শনাক্ত করে দ্রুত সেখানে খনন শুরু করেন তারা। একপর্যায়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুটির সন্ধান মেলে। পরে তাকে নিরাপদে বের করে আনেন উদ্ধারকর্মীরা। উদ্ধারের পর শিশুটিকে এপিএফের তিমুরে সীমান্ত চৌকিতে নেওয়া হয়। সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে কিছু সময় পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত কাঠমান্ডুতে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও খারাপ আবহাওয়া ও কম দৃষ্টিসীমার কারণে উড্ডয়নে দেরি হয়। ফলে শিশুটিকে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। উদ্ধারকারীরা শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন। পরে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে হেলিকপ্টারে করে শিশুটিকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে সে সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নিবিড় নজর রাখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা তিন দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের দৃশ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি দেখে উদ্ধারকর্মীদের সাহস ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একজন লিখেছেন, ‘যে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর দলটি উদ্ধার অভিযান বন্ধ করেনি, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘যখন সব আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখনই তাকে খুঁজে পাওয়া গেল।’ এদিকে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে স্বজনদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবার বা স্বজনদের সন্ধান করছে। কেউ মানিশা মাগার বা তার পরিবারের বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে। বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল শনিবার জানিয়েছেন, বন্যার পর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে কয়েক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। কাঠমান্ডুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে সম্ভবত কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে গবেষণা ও মূল্যায়ন করা হবে। এরপর পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও সহায়তার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। বন্যার ভয়াবহতায় এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত ৬৭৫টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। অন্যদিকে, নেপালে এখনো ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দিন মাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার পর ছয় বছরের মানিশা মাগারকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ সময় পরও শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে উদ্ধারকর্মীদের মধ্যেও। এখন তার দ্রুত সুস্থতা এবং পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের অপেক্ষায় সবাই।

পাঠ্যবই ছাপায় ফের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, একাই ৮ লটে আনন্দ প্রিন্টার্স

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রে ফের ছাপাখানা মালিকদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একাধিক লটে একক দরপত্র জমা পড়ায় এ অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। এর মধ্যে অষ্টম ও নবম শ্রেণির আটটি লটে একমাত্র দরদাতা হিসেবে অংশ নিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেড। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই ছাপার আটটি লটে দরপত্র জমা দিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স। এসব লটে অন্য কোনো ছাপাখানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর প্রস্তাব করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এনসিটিবির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের প্রতি ফর্মা (৮ পৃষ্ঠা) ছাপার প্রাক্কলিত দর নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ টাকা ৮৮ পয়সা। দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রাক্কলিত দরের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেশি বা ১০ শতাংশ কম দর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আনন্দ প্রিন্টার্স যে আটটি লটে একক দরপত্র জমা দিয়েছে, সেগুলোতে ১৫ লাখের বেশি বই রয়েছে। এসব বই ছাপাতে কয়েক কোটি ফর্মা প্রয়োজন হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ দেওয়া হলে শুধু এই আট লটের বই ছাপাতেই সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।’ তার অভিযোগ, ছাপাখানাগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন লট ভাগাভাগি করে নেওয়ায় কোনো কোনো লটে অন্য প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে কিছু প্রতিষ্ঠান বেশি দর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। মূল্যায়নে বাদ পড়ছে আট লট এনসিটিবি সূত্র জানায়, একক দরপত্রের পাশাপাশি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর দেওয়ায় আনন্দ প্রিন্টার্সের আটটি লটের দরপত্র মূল্যায়নে বাদ পড়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এসব লটে কাজ দিলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে—এমন বিবেচনায় মূল্যায়ন কমিটি লটগুলো বাতিলের সুপারিশ করেছে। লটগুলো বাতিল হলে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. রাব্বানী জব্বারের সঙ্গে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের সাবেক নেতার প্রতিষ্ঠান আনন্দ প্রিন্টার্স রাব্বানী জব্বার সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই। ২০২১ সালে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাব্বানী জব্বার পাঠ্যবই ছাপার কাজের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে বর্তমান দরপত্রে আনন্দ প্রিন্টার্সের অংশগ্রহণ ও একক দরদাতা হওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘সিন্ডিকেট করে কাউকে লাভবান হতে দেওয়া হবে না’ এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের টেন্ডার ওপেন করার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করেছেন। এটি এখন সরকারি ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে যদি কোনো লটের রি-টেন্ডার বা পুনঃদরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন পড়ে, সেটা করা হবে। কাউকে সিন্ডিকেট করে লাভবান হতে দেওয়া হবে না।’ ৩০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপানো হবে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। এর মধ্যে মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির জন্য তিন কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই রয়েছে। এসব পাঠ্যবই ছাপাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা। বিপুল পরিমাণ এ সরকারি কাজের দরপত্রে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ব্যয় ঠেকানো নিয়ে এখন নজর রয়েছে এনসিটিবির পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

টানা বিক্ষোভের পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিট (NEET-UG)–এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের টানা বিক্ষোভের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শনিবার পদত্যাগ করেছেন। তাঁর পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি প্রহ্লাদ যোশীকে তাঁর বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেন। কর্ণাটকের ধারওয়াড় লোকসভা আসন থেকে নির্বাচিত প্রহ্লাদ যোশী বর্তমানে ভোক্তা অধিকার, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রণালয় এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি কয়লা, খনি ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও সামলেছেন। গত মে মাসের শেষ দিকে নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। জুনের শুরুতে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ভারতে ফিরে এসে দিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের দায়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। পরে ২৮ জুন শিক্ষাবিদ ও অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করলে আন্দোলন আরও জোরদার হয়। টানা ২৬ দিন অনশন করার পর চলতি সপ্তাহে তিনি সরকারের আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করেন। এদিকে আন্দোলন দ্রুত ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বড় বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার লিখিতভাবে আশ্বাস দেয়, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হবে না, সংসদে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির বিষয়টি উত্থাপন করা হবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সরকারের আশ্বাসে ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকে সিজেপি। ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা এবং সরকারের কঠোর অবস্থানের পরও আন্দোলন অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের লাগাতার চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এতে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি পূরণ হয়।

এফএইচ হলের প্রভোস্টকে হেয় করার প্রতিবাদে ঢাবি ফার্মেসি শিক্ষকদের ক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্মেসি অনুষদের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক ও ফজলুল হক মুসলিম (এফএইচ) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনুষদের শিক্ষকরা। এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কাছে চিঠি দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া চিঠিতে ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষকরা বলেন, এফএইচ হলে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে যে টানাপোড়েন ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক। চিঠিতে তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি, অভিযোগ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একইভাবে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালনের অধিকারও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষকরা আরও বলেন, এফএইচ হলে সংঘটিত ঘটনাকে ঘিরে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা উচিত। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচার চাওয়া সবার অধিকার হলেও চাপ প্রয়োগ কিংবা মব সৃষ্টির মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে দায়ী করা গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্ত শেষে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়াই সমীচীন। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে একাডেমিক এলাকায় ব্যানার-পোস্টার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনকে হেয় করার মতো প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এতে তিনি ছাড়াও ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষকরা মর্মাহত হয়েছেন এবং এর প্রভাব অনুষদের একাডেমিক ও অন্যান্য কার্যক্রমে পড়ছে। শিক্ষকদের ভাষ্য, কোনো বিষয় তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিকৃত ছবি ব্যবহার, ব্যানার-পোস্টারিং ও ধারাবাহিক প্রচারণার মাধ্যমে কাউকে তদন্তের ফল প্রকাশের আগেই দায়ী করা তদন্তের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রচারণা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার শামিল। ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষকরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত প্রচারণা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ, অডিও-ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংশ্লিষ্ট পোস্ট, ব্যানার-পোস্টার এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যসহ সব ধরনের প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। অসম্পূর্ণ তথ্য বা ধারণার ভিত্তিতে নয়, বরং প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ করা উচিত। শিক্ষকদের মতে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সামাজিকভাবে দোষী সাব্যস্ত বা হেয় করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি কোনো যৌক্তিক অভিযোগকেও খাটো বা উপেক্ষা করা উচিত নয়। এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। চিঠির শেষে ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষকরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তি, সংলাপ, সহনশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা চর্চার বিদ্যাপীঠ। তাই মব-চাপ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণার পরিবর্তে নিরপেক্ষ তদন্ত, তথ্য-প্রমাণের যথাযথ মূল্যায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবি অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া (ইমন)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর অথবা তাঁর বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করবেন। চেয়ারম্যান পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন নিয়োগ এর আগে সম্প্রতি পিএসসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম। তাঁর পদত্যাগের পর চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে তৎকালীন পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনসহ কমিশনের ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। মোবাশ্বের মোনেমের পদত্যাগের পর এবার পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া।

সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬

নবম পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরাও, প্রজ্ঞাপনের আগে পেরোতে হবে ৪ ধাপ

সরকারি চাকরিজীবীদের মতো নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় আসছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। তবে তাদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আর এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে চারটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার সময়ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একই প্রক্রিয়ায় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। ওই সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্মসচিব মো. মজিবুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ১ জুলাই ২০১৫ থেকে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর নির্ধারিত নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর তফসিল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রাপ্য বকেয়া বেতন যথাযথভাবে পরিশোধ করতে হবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আদেশটি ১ জুলাই ২০১৫ থেকে কার্যকর করা হয় এবং তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পরিচালক (শিক্ষা), জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এ নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অষ্টম পে-স্কেলের সময়ের মতো এবারও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন হবে। এজন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ার চারটি ধাপ শেষ হওয়ার পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারী, বিএড স্কেল পাবেন ৩ হাজার ৯৫ জন

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারীকে নতুন করে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ৩ হাজার ৯৫ শিক্ষককে বিএড স্কেল দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত মাউশির এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাউশির নথি অনুযায়ী, নতুন করে এমপিওভুক্তির তালিকায় স্কুল পর্যায়ের ৩৭৮ এবং কলেজ পর্যায়ের ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। স্কুল পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হতে যাওয়া ৩৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৩০, চট্টগ্রামের ১৬, কুমিল্লার ১০, ঢাকার ৬৬, খুলনার ১৩, ময়মনসিংহের ৩৮, রাজশাহীর ১২৬, রংপুরের ৬৩ এবং সিলেটের ১৬ জন রয়েছেন। অন্যদিকে, কলেজ পর্যায়ে নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী। এর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৯, চট্টগ্রামের ৩, কুমিল্লার ৬, ঢাকার ৪৬, খুলনার ৫৮, ময়মনসিংহের ২০, রাজশাহীর ১০২, রংপুরের ১১ এবং সিলেটের ৮ জন রয়েছেন। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে স্কুল ও কলেজ—উভয় পর্যায়েই রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্কুল পর্যায়ে এ সংখ্যা ১২৬ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০২ জন। অর্থাৎ নতুন এমপিওভুক্তির তালিকায় দুই পর্যায়েই শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী অঞ্চল।

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

স্মার্টফোন পেলেই টিসি, নান্দাইলের স্কুলে নতুন নির্দেশনা

ময়মনসিংহের নান্দাইলের চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রয়োজনে তাকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অভিভাবক সমাবেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। ইউএনও বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি তাকে টিসিও দেওয়া হতে পারে। খারাপ ফল করা শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতির নির্দেশ অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান ইউএনও ফাতেমা জান্নাত। বিশেষ করে নির্বাচনী পরীক্ষায় যারা খারাপ ফল করেছে, তাদের পরবর্তী ক্লাসগুলোতে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরও যদি কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ হয়, তাহলে এর দায় শিক্ষকদের নিতে হবে। ১০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র ১৩ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির ১০৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচনী (প্রি-টেস্ট) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সম্প্রতি ওই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা গেছে, সব বিষয়ে মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রক্সি দিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা, পিএসসিতে এসে ধরা যুবক

প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে মো. রিপন হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তিনি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অফিস সহায়ক পদে চাকরিতে যোগ দিতে পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হলে তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে পরিচয় যাচাই ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর তাকে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি। পিএসসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. রিপন হোসেন অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী ছিলেন। তার রোল নম্বর ২১০১১৮৭। নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার চাকরিতে যোগদানের জন্য তিনি পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই করতে প্রবেশপত্রের ছবি এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তার বর্তমান চেহারা মিলিয়ে দেখেন। এতে তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি পিএসসির উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হলে তিনি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। পরে কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে যাচাই-বাছাই ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পিএসসি জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন হোসেন নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি ওই নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই নিজে অংশ নেননি। তার পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি লাভের অপচেষ্টার অভিযোগে তাকে আটক করে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শাস্তির অংশ হিসেবে কারও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, আবার কাউকে এক থেকে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব এবং নকলের আলামত পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধের ধরন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেগুলেশন অনুযায়ী পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পরিদর্শক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র ও অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই করে বিষয়গুলো পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত ২৮৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১৬ জনের শুধু সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫ জনের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর, ১৪ জনের পরবর্তী তিন বছর এবং তিনজনের পরবর্তী চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আমার এলাকার সংবাদ

নাটোর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির শুরু

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। শনিবার (১৫ নভেম্বর) নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে এই ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি পুষ্টিহীনতা ও বিদ্যালয় চলাকালে শিশুদের ক্ষুধা দূর করতে সহায়তা করবে, ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আরও মনোযোগী হবে এবং বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহ বাড়বে। তিনি জানান, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এই উদ্যোগটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, নাটোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আরিফ হোসেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমেনিকো স্কালপেল্লি। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’র আওতায় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ সরবরাহ করা হবে। এতে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশের বেশি হবে, ঝরে পড়া কমবে, প্রতি বছর প্রকৃত ভর্তির হার ১০ শতাংশের বেশি বাড়বে এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখার হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের হার ৯০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই কর্মসূচি বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন জরিপ

আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে বিভিন্ন দল। আপনি কি মনে করেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকারে ব্যবস্থা করা উচিৎ?

×