এসএসসি-সমমানের বৃত্তির তালিকা প্রকাশ, যেভাবে দেখবেন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড। মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির এ তালিকা বোর্ডভিত্তিক আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের এসএসসি বৃত্তির কোটা বণ্টনসংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করে। এর পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি বা তালিকা থেকে বৃত্তির ফল দেখতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবভিত্তিক ফল প্রকাশের সিস্টেমেও পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।

বোর্ড প্রকাশিত তালিকায় সাধারণত শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, নিবন্ধন নম্বর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বৃত্তির তালিকা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃত্তির তালিকা দেখতে: নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নোটিশ/বৃত্তি সংক্রান্ত বিভাগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বৃত্তির তালিকা খুঁজে দেখতে হবে।

মন্তব্য করুন

অস্ট্রেলিয়ায় স্নাতকোত্তর-পিএইচডিতে স্কলারশিপ, আবেদন ১ অক্টোবর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ‘গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্কলারশিপ’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬।

১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গবেষণা অবকাঠামো ও উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্যও প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।

যেসব বিষয়ে গবেষণার সুযোগ

স্কলারশিপের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, সৃজনশীল শিল্প, আইন, শিক্ষা உள்ளிட்ட বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

বৃত্তিতে যা থাকছে

নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বছরে ৩৪ হাজার ৩১৫ অস্ট্রেলিয়ান ডলার ভাতা পাবেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্থানান্তর অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে ২ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

আবেদনের যোগ্যতা

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আবেদন করতে প্রার্থীকে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। আর পিএইচডিতে আবেদনের জন্য প্রয়োজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পাশাপাশি ভালো একাডেমিক ফলাফল ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। গবেষণার অভিজ্ঞতা ও শক্তিশালী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত গবেষণা ক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন।

প্রয়োজনীয় নথি

আবেদনের সময় যেসব নথি জমা দিতে হবে—

  • গবেষণা প্রস্তাবনা

  • হালনাগাদ সিভি

  • দুজন রেফারির যোগাযোগের তথ্য

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট

  • ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণপত্র

  • পাসপোর্টের কপি

  • সুপারভাইজারি সাপোর্ট ফরম

যেভাবে আবেদন করবেন

প্রথমে নিজের গবেষণার আগ্রহ ও একাডেমিক দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি গবেষণা প্রকল্প নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজারি টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করতে হবে। সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১ অক্টোবর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

কানাডায় স্নাতকে পড়ুয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে সাইমন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটি

উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগ দিচ্ছে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় অবস্থিত সাইমন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটি। ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ওপেন স্কলারশিপ’-এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

কানাডার অন্যতম পরিচিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাইমন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস রয়েছে বার্নাবি, সারে ও ভ্যাঙ্কুভারে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৩৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। এখানে ১০০টির বেশি স্নাতক এবং ৪৫টির বেশি স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম রয়েছে। ব্যবসা, যোগাযোগ, শিক্ষা, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম রয়েছে।

আবেদনের সময়সীমা

স্প্রিং ২০২৭ সেমিস্টারের জন্য দুই ধাপে আবেদন করা যাবে। সময়সূচি হলো—

  • ২৮ অক্টোবর–৮ নভেম্বর ২০২৬

  • ২৩ ডিসেম্বর ২০২৬–১৭ জানুয়ারি ২০২৭

যেসব সুবিধা পাবেন

যোগ্য শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারে এ স্কলারশিপ দেওয়া হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আর্থিক সহায়তা পাওয়

মন্তব্য করুন

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে তিন মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপে নিয়োগ, মাসে ভাতা ১০ হাজার টাকা

বৃত্তির খবর
বৃত্তির খবর

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) তিন মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ কর্মসূচিতে ২০ জন ইন্টার্ন নিয়োগ দেবে। নির্বাচিত ইন্টার্নদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকেল ৫টার মধ্যে।

আবেদন করতে পারবেন যাঁরা

ইংরেজি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, হিসাববিজ্ঞান, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, অর্থনীতি, বাণিজ্যিক ভূগোল, গণিত, পরিবেশবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন, ব্যবসায় প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, লোকপ্রশাসন, জনপ্রশাসন, পাবলিক পলিসি বা উন্নয়ন সহযোগিতা– এসব বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার যোগ্যতা

১. আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে (অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।
৩. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে, অথবা পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী হতে হবে। অবতীর্ণ প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
৪. ডিগ্রি অর্জনের দুই বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
৫. অনলাইনে ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
৬. একজন প্রার্থী কেবল একবারই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন।

ইন্টার্নশিপ ভাতা ও শর্তাবলি

১. প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হবে; অন্য কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না।
২. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নির্ধারিত সুপারভাইজারের অধীনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩. ভাতা পাওয়ার জন্য প্রতি মাসে সন্তোষজনক কাজের প্রত্যয়ন জমা দিতে হবে।
৪. ইন্টার্নশিপ চলাকালে “চাকরিতে নিয়োজিত” হিসেবে কোনো সনদ দেওয়া হবে না।
৫. ইন্টার্নশিপ সফলভাবে সম্পন্ন করলে একটি সনদ প্রদান করা হবে, তবে এটি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য হবে না।

আবেদনের শেষ সময়

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২০ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

# বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট

মন্তব্য করুন

বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ

দক্ষিণ কোরিয়ায় টিউশন ফি ছাড়াই মাস্টার্স-পিএইচডি, মিলবে মাসিক ভাতাও

 

 

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর, পিএইচডি ও গবেষণা কার্যক্রমে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। ‘গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ’ (GKS) এর আওতায় নির্বাচিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।

উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি দেশটির উন্নত জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করছে।

যেসব সুবিধা মিলবে

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও একাডেমিক সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • সম্পূর্ণ টিউশন ফি;

  • স্বাস্থ্যবিমা;

  • যাতায়াতের জন্য রাউন্ড-ট্রিপ বিমান টিকিট;

  • আবাসন ভাতা;

  • মাসিক ভাতা;

  • গবেষণা কার্যক্রমের জন্য আর্থিক সহায়তা;

  • এক বছর বিনা মূল্যে কোরিয়ান ভাষা শেখার সুযোগ।

স্কলারশিপের মেয়াদ

স্নাতকোত্তর: ৩ বছর
পিএইচডি: ৪ বছর
গবেষণা কার্যক্রম: ৬ মাস

আবেদনের যোগ্যতা

স্কলারশিপে আবেদন করতে প্রার্থীদের কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো—

  • আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে এবং কোরিয়ান নাগরিকত্ব থাকা যাবে না;

  • স্নাতকোত্তরের জন্য স্নাতক এবং পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে;

  • ভালো একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে;

  • ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে;

  • শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনের সময় সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের কপি;

  • পূরণ করা আবেদন ফরম;

  • মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;

  • মা-বাবার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের প্রমাণপত্র;

  • সব একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট;

  • ইংরেজি ভাষাদক্ষতার সনদ (যদি থাকে);

  • দুটি সুপারিশপত্র;

  • জীবনবৃত্তান্ত (সিভি);

  • রিসার্চ প্রপোজাল;

  • ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট;

  • স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP)।

আবেদনের সময়সীমা

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপের আবেদনের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আলাদা। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কলারশিপের অফিসিয়াল নির্দেশনা দেখে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকে বছরে ২৮ হাজার ডলারের স্কলারশিপ, আবেদন ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা, একাডেমিক সাফল্য, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সামগ্রিক দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের এ স্কলারশিপ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ সময় ৪ ডিসেম্বর ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের টাসকালুসায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব আলাবামায় স্নাতক পর্যায়ে ১০০টির বেশি বিষয় ও প্রোগ্রাম রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণা, অনার্স প্রোগ্রাম এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

স্কলারশিপে যা থাকছে

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ডলার পর্যন্ত স্কলারশিপ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হবে।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক সাফল্য বিবেচনা করে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন করা হবে।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। একই সঙ্গে আগের শিক্ষাজীবনে উল্লেখযোগ্য একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।

আবেদনকারীর—

  • SAT স্কোর ১,৪২০ থেকে ১,৬০০-এর মধ্যে অথবা

  • ACT স্কোর ৩২ থেকে ৩৬-এর মধ্যে

থাকতে হবে।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

  • বৈধ পাসপোর্টের কপি

  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট

  • ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার সনদ

  • কাউন্সেলরের সুপারিশপত্র

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও অন্যান্য একাডেমিক রেকর্ড

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৪ ডিসেম্বর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

মুসলিম ছাত্রীদের টিউশন ফি দেবে তামিলনাড়ু সরকার, থাকছে আরও যেসব সুবিধা

ভারতের তামিলনাড়ুতে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কল্যাণে একাধিক নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এর মধ্যে সরকারি কোটায় ভর্তি হওয়া মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহনের সিদ্ধান্ত রয়েছে। পাশাপাশি মুসলিম ছাত্রীদের বৃত্তি সম্প্রসারণ, সংখ্যালঘু নারীদের জন্য নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, আয়বর্ধক প্রকল্পে সুদমুক্ত ঋণ এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজ্য বিধানসভায় নিজ দপ্তরের অনুদানের দাবির ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে এসব উদ্যোগের ঘোষণা দেন তামিলনাড়ুর সংখ্যালঘুবিষয়ক কল্যাণমন্ত্রী এ এম শাহজাহান।

স্নাতকে মুসলিম ছাত্রীদের টিউশন ফি দেবে সরকার

মন্ত্রী জানান, সরকারি কোটায় ভর্তি হওয়া মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহন করবে রাজ্য সরকার। সরকারি, সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে কলা, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, চিকিৎসা, কৃষি ও আইন বিষয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এ সুবিধার আওতায় থাকবেন।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

নবম-দশম শ্রেণির মুসলিম ছাত্রীরাও পাবেন বৃত্তি

মুসলিম ছাত্রীদের জন্য ওয়াকফ বোর্ডের চলমান বৃত্তি কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতদিন প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির মুসলিম ছাত্রীরা এ সুবিধা পেলেও নতুন সিদ্ধান্তে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এখন থেকে এসব শিক্ষার্থীকে বছরে ২ হাজার রুপি করে বৃত্তি দেওয়া হবে। এতে প্রায় ৪১ হাজার ৩৮৪ জন ছাত্রী উপকৃত হবে। এ কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ২৮ লাখ রুপি।

চেন্নাইয়ে সংখ্যালঘু নারীদের জন্য কলেজ

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যালঘু নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চেন্নাইয়ে একটি নতুন কলা ও বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে তামিলনাড়ু ওয়াকফ বোর্ড।

মন্ত্রী শাহজাহান জানান, কলেজটি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিকভাবে ২ কোটি ৪৫ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

আয়বর্ধক প্রকল্পে ১০০ কোটি রুপির তহবিল

মুসলিম ওয়াকফ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় সম্পত্তিতে বিয়ের হল, বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক অবকাঠামো নির্মাণে ১০০ কোটি রুপির একটি ঘূর্ণায়মান তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এই তহবিল থেকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্পত্তিকে কাজে লাগিয়ে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

চার বছরে প্রশিক্ষণ পাবেন ১০ হাজার তরুণ

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নেও নতুন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ু স্কিল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের মাধ্যমে আগামী চার বছরে ১০ হাজার সংখ্যালঘু তরুণকে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

রাজ্যের সব জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি, অটোমোবাইল, পোশাক ডিজাইন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, সূচিকর্ম ও কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সরকারের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংখ্যালঘু তরুণদের স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং তাদের পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

তামিলনাড়ু সরকারের ঘোষিত নতুন উদ্যোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মুসলিম ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় টিউশন ফি মওকুফ, বৃত্তি কর্মসূচির সম্প্রসারণ, সংখ্যালঘু নারীদের জন্য নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, আয়বর্ধক প্রকল্পে সুদমুক্ত ঋণ এবং সংখ্যালঘু তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ।

মন্তব্য করুন
×