জাবি মেডিকেল সেন্টারের নামফলক থেকে জাকসু জিএসের নাম প্রত্যাহার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন প্রকল্প-২০২৬-এর উদ্বোধনী নামফলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলামের নাম রাখা হয়েছিল। তবে এটিকে প্রচলিত রীতির ব্যত্যয় উল্লেখ করে নামফলকটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিত্তিপ্রস্তরের নামফলকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রধান অতিথি বা উদ্বোধনকারী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনার নামফলকেও দীর্ঘদিন ধরে এ রীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

তবে ‘জাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন প্রকল্প-২০২৬’-এর উদ্বোধনী নামফলকে উপাচার্যের নামের পাশাপাশি জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামের নামও উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটিকে প্রচলিত রীতির ব্যত্যয় হিসেবে উল্লেখ করে নামফলকটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় পরে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা যাবে না—এমন কোনো নীতিমালা তিনি দেখেননি। তাঁর দাবি, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়নে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় জাকসুর পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে জরুরি কক্ষ, অপারেশন থিয়েটার (ওটি), ল্যাবসহ মেডিকেল সেন্টারের বিভিন্ন সুবিধা আধুনিকায়নের কাজ চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা ভূমিকা রেখেছেন, নামফলকে তাদের স্বীকৃতি থাকায় এতে দোষের কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, নামফলকে জাকসুর জিএসের নাম রাখা এবং পরে তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাকসুর অবস্থানের মধ্যে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে।

মন্তব্য করুন

একই স্কুল-কলেজ পেরিয়ে একই বিভাগে রাবিতে জমজ দুই ভাই

শৈশব থেকে একসঙ্গে পথচলা। একই স্কুল, একই কলেজ—শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপেই পাশাপাশি ছিলেন শেরপুরের জমজ দুই ভাই শাকিবুল হাসান জনি ও রাকিবুল হাসান রনি। এবার সেই পথচলা এসে পৌঁছেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি)। শুধু একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াই নয়, দুজনই সুযোগ পেয়েছেন একই বিভাগে। আবাসিক হলও পেয়েছেন একই। বর্তমানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে মতিহার হলে থাকছেন তারা।

শেরপুর সদর উপজেলার মোবারকপুরের এই দুই ভাইয়ের শিক্ষাজীবনের শুরু শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমিতে। সেখানে মাধ্যমিকের পড়াশোনা শেষে এসএসসি পরীক্ষায় দুজনই জিপিএ-৫ অর্জন করেন।

এরপরও তাদের পথ আলাদা হয়নি। দুজনই ভর্তি হন শেরপুর সরকারি কলেজে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ধরে রাখেন সাফল্যের ধারাবাহিকতা। শাকিবুল হাসান জনি জিপিএ-৪.৯২ এবং রাকিবুল হাসান রনি জিপিএ-৪.৮৩ অর্জন করেন।

উচ্চশিক্ষার জন্য এরপর তাদের গন্তব্য হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় সফল হয়ে দুজনই সুযোগ পান পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে। একই বিভাগে পড়ার পাশাপাশি তাদের আবাসিক ঠিকানাও হয়েছে একই—মতিহার হল। এমনকি একই কক্ষে বসে ক্লাস করার সুযোগও পাচ্ছেন দুই ভাই।

রাকিবুল হাসান রনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। মহান রব চেয়েছেন বলেই আজ আমরা স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়েও একইসঙ্গে একরুমে বসে ক্লাস করতে পারছি। মাঝে মধ্যে ভাবলে নিজেরাই অবাক হয়ে যাই। ক্লাস নাইনে পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে জানার পর থেকেই বিষয়টি আমাদের খুব পছন্দের ছিল। পছন্দের বিভাগে ভর্তি হওয়ার পাশাপাশি একই হলও বরাদ্দ পেয়েছি। সব মিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো লাগছে।’

শাকিবুল হাসান জনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের দুই ভাইয়ের সবসময় একসঙ্গে পড়ার স্বপ্ন ছিল। সেটা এত সুন্দরভাবে পূরণ হবে, তা কখনো ভাবিনি। নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। আমরা ভবিষ্যতেও সফলতা একসঙ্গে ধরে রাখতে চাই।’

একই স্কুল, একই কলেজ, একই বিশ্ববিদ্যালয়, একই বিভাগ এবং একই আবাসিক হল—শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি ধাপেই যেন একে অপরের সঙ্গী হয়ে আছেন শেরপুরের এই জমজ দুই ভাই।

মোবারকপুরের পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার ক্যাম্পাসে এসে এবার পদার্থবিজ্ঞানের জগতে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন জনি ও রনি। সামনে তাদের লক্ষ্যও এক—একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজেদের সাফল্যের গল্প আরও দীর্ঘ করা।

মন্তব্য করুন

জাবিতে শিক্ষকদের মূল্যায়নে জাকসুর ওয়েবসাইট, এখনই ব্যবহার করতে পারবেন না শিক্ষার্থীরা

শিক্ষকদের পাঠদান, আচরণ, সময়ানুবর্তিতা ও একাডেমিক কার্যক্রম মূল্যায়নের লক্ষ্যে ওয়েবসাইট তৈরি করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। তবে ওয়েবসাইটটি আপাতত শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে গঠিত কমিটির কাছে এটি হস্তান্তর করবে জাকসু।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাকসু ভবনে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান উপস্থিত ছিলেন।

জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর দাবি দীর্ঘদিনের। সর্বশেষ একাডেমিক কাউন্সিল বিষয়টি গ্রহণ করলেও এটি এখনো কমিটির পর্যায়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে জাকসু নিজেদের উদ্যোগে ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ‘সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষক মূল্যায়নের মতো একটি জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব—আমরা সেটিই দেখিয়ে দিতে চাই। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কমিটি ওয়েবসাইটটি পর্যালোচনা করে তাদের প্রস্তাবনায় বিষয়টি বিবেচনা করবে।’

জাকসু জানিয়েছে, ওয়েবসাইটে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষার্থীরা তাঁদের অফিসিয়াল ই-মেইল ব্যবহার করে প্রবেশ করতে পারবেন। একজন শিক্ষার্থী কেবল নিজের বিভাগের এবং যে শিক্ষকের কোর্স করেছেন, সেই শিক্ষককে মূল্যায়ন করতে পারবেন। ফলে সংশ্লিষ্ট কোর্স না করা শিক্ষক কিংবা বিভাগের বাইরের কোনো শিক্ষককে মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে না।

ওয়েবসাইটটির ডেভেলপার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) ৫০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া অফিসিয়াল ই-মেইল ছাড়া কেউ সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারবেন না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয় পক্ষের তথ্যের গোপনীয়তা এবং মূল্যায়নের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।’

প্রশাসনের দায়িত্ব, বললেন উপাচার্য

জাকসুর উদ্যোগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা হিসেবে দেখছে না প্রশাসন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, শিক্ষক মূল্যায়নসহ জাকসুর কয়েকটি দাবির বিষয়ে কাজ করতে বিশ্ববিদ্যালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর এখতিয়ার জাকসুর নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব।

তবে জাকসুর তৈরি ওয়েবসাইটটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘জাকসুকে ধন্যবাদ জানাই। তারা একটি নমুনা তৈরি করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি এটি বিশ্লেষণ করে কীভাবে শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা যায় এবং এতে কোনো সংকট বা সীমাবদ্ধতা রয়েছে কি না, তা বিবেচনা করতে পারবে। এ ধরনের একটি উদ্যোগ অবশ্যই মূল্য সংযোজন করবে।’

ঢাবিতেও চালু হয়েছে শিক্ষক মূল্যায়ন

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করে। ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়ার উদ্যোগে duevaluation.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম ওয়েব অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।

মন্তব্য করুন

জাবির উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে ছাত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ, ৩ দফা দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অসংগতি ও জবাবদিহির ঘাটতির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ।

এসব অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠনসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। বুধবার (২৭ আগস্ট) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ইমরোজ ইলার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।

৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি মওকুফের অভিযোগ

ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, সম্প্রতি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পেইন আয়োজনের জন্য নির্ধারিত ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে মওকুফ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীলরা দাবি করেন, ওই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা না হয়ে সরাসরি এক ছাত্রনেত্রীর হাতে দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, ভেন্যু ফি মওকুফের অনুমোদন দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার উপাচার্যের।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্যের বক্তব্যও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে ছাত্র ইউনিয়ন। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বলেছেন, ‘কোম্পানি লিখিত অভিযোগ দিলে টাকা আদায় করা হবে।’

তবে ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আদায় ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসনের। ফলে এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক জবাবদিহির ঘাটতির ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছে সংগঠনটি।

পদোন্নতির রেজুলেশনে অনিয়মের অভিযোগ

এ ছাড়া পদোন্নতি বোর্ডের সুপারিশ ছাড়াই একজন কর্মচারীর নাম চূড়ান্ত রেজুলেশনে যুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগও তুলেছে ছাত্র ইউনিয়ন।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংগঠনটি জানায়, সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনে প্রথম স্বাক্ষর করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)। পরে বোর্ডের এক সদস্য বিষয়টিতে অসঙ্গতি শনাক্ত করে আপত্তি জানালে তা সংশোধন করা হয়।

ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, ঘটনাটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রচলিত নিয়ম, নীতিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রশাসনে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তের অভিযোগ

বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্র ইউনিয়ন আরও দাবি করেছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় নিয়ম ও নীতিমালার পরিবর্তে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংগঠনটির মতে, প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিবেচনা প্রাধান্য পেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)-এর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অনিয়মের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

তিন দফা দাবি

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ। দাবিগুলো হলো—

১. বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি মওকুফ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন।

২. পদোন্নতি বোর্ডের রেজুলেশন পরিবর্তনের অভিযোগে জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩. তদন্ত চলাকালে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা।

সংগঠনটি জানিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে সংঘর্ষ: ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ৫ জনকে সতর্ক

হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরও পাঁচ শিক্ষার্থীকে সতর্ক করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাবেদ জিল্লুল বারী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাস-১-এ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এক শিক্ষার্থীর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে আহত শিক্ষার্থী শাহ তাফসির আহমেদ ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পরদিন, ২০ আগস্ট, কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের ২১তম জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি গত ২৭ আগস্ট তাদের প্রতিবেদন মেডিকেল কলেজের ডিসিপ্লিনারি কমিটির কাছে জমা দেয়।

একই দিন ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ২২তম সভায় ওই সুপারিশ অনুমোদন করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী শরীফ উদ্দিন খানকে সাত বছরের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ব্যাচের রজব সানিকে চার বছরের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আশীষ চন্দ্র চন্দকে দুই বছরের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৮ম ব্যাচের আব্দুল্লাহ আবু আফফাজকে ১৮ মাসের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মো. রায়হান আলী ও সাজ্জাদ ইসলাম সম্রাটকে এক বছরের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ফারদিন রহমান ইফতিকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে এবং আজীবনের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মো. আকিব মাহমুদকে এক বছরের জন্য ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, ডি. এম. এ নাঈফ রাজা চৌধুরী, মো. আকিব মাহমুদ, মো. অরণ্য হাসান রিয়ন, মো. ইমতিয়াজ আলম ভূইয়া ও মাহমুদ খানকে মারামারির ইন্ধনদাতা হিসেবে সতর্ক করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে তাদের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

তবে সরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী, শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আদেশ জারির তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে শাস্তি কমানো, বাড়ানো কিংবা পরিবর্তন করা হতে পারে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জিল্লুল বারী গণমাধ্যমকে বলেন, গত ১৯ আগস্টের মারামারির ঘটনায় একজন শিক্ষার্থীর একটি চোখ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ডিসিপ্লিনারি কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় দোষী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে একাডেমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২৯ আগস্ট থেকেই এসব শাস্তির আদেশ কার্যকর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ আগস্ট রাতে হবিগঞ্জ শহরের অনন্তপুর আবাসিক এলাকায় অবস্থিত হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হন। গুরুতর আহত শিক্ষার্থী শাহ তাফসির আহমেদের একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেকৃবির রজতজয়ন্তী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রজতজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ রঙিন বেলুন ও শান্তির প্রতীক সাদা কবুতর উড়িয়ে রজতজয়ন্তী উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।

কৃষি অনুষদের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবন, টিএসসি, আবাসিক হল ও বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থীরা কৃষক-কৃষাণী, জেলে-জেলেনী ও পশু চিকিৎসকের সাজে অংশ নেন। নাচ-গানের মাধ্যমে তারা বাংলার কৃষি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। এতে পুরো ক্যাম্পাসে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ।

শোভাযাত্রা শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ এবং পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কেক কাটা হয়।

দিনের পরবর্তী আয়োজনে সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরের অর্জন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, প্রত্যাশা এবং শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হকের ঐতিহ্য ও অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা শেকৃবির শিক্ষা, উচ্চতর গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউট ও সেন্টারের পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

রাজশাহী রেলস্টেশনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের প্রধান গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত শিক্ষার্থীর নাম আইয়ুব আলী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় রাজশাহী রেলস্টেশনে ইংরেজি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি চলছিল। পরিস্থিতি শান্ত করতে আইয়ুব আলী সেখানে এগিয়ে গেলে রেলের নিরাপত্তারক্ষী, টিটি ও গার্ডদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

আইয়ুবের বন্ধু নাইমুল ইসলাম অভ্র জানান, মারধরের একপর্যায়ে আইয়ুব মাটিতে পড়ে যান। পরে তার জ্ঞান ছিল না। কয়েকবার বমি করার পাশাপাশি তার নাক দিয়ে রক্তপাতও হয়।

ঘটনার প্রতিবাদে রাবির শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেললাইন অবরোধ করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার পর তারা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের দিকে লং মার্চ করেন।

আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রেলের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীকে মারধর করেছেন। তিনি জানান, আইয়ুবের চিকিৎসার বিষয়ে নিউরোসার্জনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং তাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রেলের নিরাপত্তারক্ষী, টিটি ও গার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন
×