চুয়েটের অচলাবস্থা কাটাতে সমন্বিত উদ্যোগ, দ্রুত একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর আশা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাম্প্রতিক প্রশাসনিক অচলাবস্থা কাটিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক প্রতিনিধি, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চুয়েট এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বিত উদ্যোগে সংকট নিরসনে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর)  উপাচার্য বলেন, প্রশাসনিক ও একাডেমিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চলছে। ইতোমধ্যে শিক্ষকদের একটি বড় অংশ তাঁর সঙ্গে প্রশাসনিক যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও দাপ্তরিক জটিলতা নিরসনে বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত ও প্রস্তাব দিচ্ছেন।

অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় তিনি অনলাইনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসকে অস্থায়ী প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

চুয়েটের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে এগিয়ে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনও। শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সংগঠনটি শিক্ষক সমিতির সঙ্গে আলোচনা ও মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, চুয়েটকে একটি পরিবারের মতো বিবেচনা করে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। উপাচার্য, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, চলমান উদ্যোগ সফল হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় চুয়েটে স্থবির হয়ে পড়া একাডেমিক কার্যক্রম ও পাঠদান পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

এদিকে, চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও এলামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মেসবাহ বলেন, শিক্ষার পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও একাডেমিক কার্যক্রমের উপযোগী রাখতে তাঁরা সবসময় কাজ করে আসছেন। নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে শান্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

 ইঞ্জিনিয়ার মেসবাহ বলেন, ‘পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত সমস্যার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর কথাও বলেছি। তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষকরা আমাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসেননি।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে দ্রুত আলোচনা শুরু হলে সমস্যার সমাধান হবে এবং চুয়েটের শিক্ষার পরিবেশ আবারও স্বাভাবিক, সুশৃঙ্খল ও একাডেমিকভাবে অনুকূল হয়ে উঠবে।

মন্তব্য করুন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক, একজনের সিদ্ধান্ত স্থগিত

দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা জটিলতার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২৩ শিক্ষককে একসঙ্গে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য আবেদন করা ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পদোন্নতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে একজন শিক্ষকের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর অধ্যাপক পদে পদোন্নতির বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অডিট আপত্তিসহ বিভিন্ন জটিলতায় পদোন্নতির প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে থাকে। অবশেষে রোববার ২৪ জনের মধ্যে ২৩ শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন—অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান ও ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোক প্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায় এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (সিএসই) ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল।

এ ছাড়া রসায়ন বিভাগের ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস ও ড. মো. মাসুদ পারভেজ অধ্যাপক হয়েছেন।

গণিত বিভাগের ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা ও ড. হেনা রানী বিশ্বাস এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী ও ড. মো. আলমগীর মোল্লাও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

তবে অধ্যাপক পদে আবেদন করা ড. আবদুল কাইউমের বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন সিন্ডিকেট সদস্য জানান, ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে অভিযুক্ত হওয়া এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ড. আবদুল কাইউমের বিরুদ্ধে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আপাতত তার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। পরে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছিরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মন্তব্য করুন

‘মতের বৈচিত্র্যই গণতন্ত্রের প্রাণ’: পাবিপ্রবি উপাচার্য

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ভিন্নমত, মতবিরোধ ও যুক্তিনির্ভর বিতর্কের মধ্যেই নিহিত বলে মন্তব্য করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে ৩য় জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য বিতর্ক সংস্কৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই একই কথা বলবে—এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নয়। বরং ভিন্নমত, মতবিরোধ ও বিতর্ক থাকবে। তবে সেই মতবিরোধ প্রকাশের ভাষা হতে হবে যুক্তি, তথ্য, শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের।’

বর্তমান সময়ে তথ্যের আধিক্যের কারণে বিতর্কের গুরুত্ব আরও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিন অসংখ্য তথ্য, মতামত ও দাবি মানুষের সামনে আসছে। কিন্তু সব তথ্য সত্য নয় এবং সব মতামতও যুক্তিনির্ভর নয়। তাই কোনো তথ্য গ্রহণের আগে তা যাচাই করা এবং যুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা জরুরি।

তরুণদের মধ্যে বিতর্কের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে তারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দিতে পারবে বলে মনে করেন অধ্যাপক শামীম। তিনি বলেন, বিতর্কের চর্চা শুধু মঞ্চে কথা বলার দক্ষতা তৈরি করে না; এটি যুক্তিবোধ, আত্মবিশ্বাস, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, ‘শুধু জেতার জন্য বিতর্ক করো না, শেখার জন্য বিতর্ক করো। প্রতিপক্ষকে হারানোর জন্য নয়, নিজের চিন্তাকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য বিতর্ক করো।’ তাঁর মতে, আজকের বিতর্কের মঞ্চই আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরির অনুশীলন ক্ষেত্র।

বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিতার্কিকরা কী বলেছে তার পাশাপাশি তারা কীভাবে চিন্তা করেছে, কীভাবে প্রমাণ ব্যবহার করেছে এবং প্রতিপক্ষের বক্তব্য কতটা বিশ্লেষণ করতে পেরেছে—মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তিনি এমন বিতার্কিক তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন, যারা যুক্তিতে দৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আচরণে বিনয়ী।

বিজ্ঞানমনস্কতা ও বিতর্ক সংস্কৃতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, বিজ্ঞান যেমন প্রশ্ন করতে, প্রমাণ খুঁজতে এবং প্রচলিত ধারণা যাচাই করতে শেখায়, বিতর্কও একইভাবে যুক্তিনির্ভর চিন্তার বিকাশ ঘটায়। পাবিপ্রবি শুধু প্রযুক্তিবিদ বা পেশাজীবী নয়, যুক্তিবাদী, মানবিক, দায়িত্বশীল ও নেতৃত্বদানে সক্ষম মানুষ তৈরি করতে চায়।

দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, এমন মানুষও প্রয়োজন যারা প্রশ্ন করতে, সত্য অনুসন্ধান করতে, ভিন্নমতকে সম্মান করতে এবং নিজের বিবেক ও যুক্তির কাছে সৎ থাকতে জানে।

শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও উত্তেজনার পরিবর্তে তথ্য ও যুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুজবকে নয়, তথ্যকে গুরুত্ব দেবে। ব্যক্তিগত আক্রমণকে নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিযোগিতাকে গ্রহণ করবে।’

ক্যাম্পাসগুলোতে মতের সংঘাত যেন যুক্তির মাধ্যমে এবং প্রতিযোগিতা যেন মেধার মাধ্যমে হয়—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সুস্থ ও শক্তিশালী বিতর্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান। আরও উপস্থিত ছিলেন পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টা ও ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মীর হুমায়ুন কবির।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আবদুর রউফ। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বিরা গালিবা তন্বী। এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য, শিক্ষক, বিচারকমণ্ডলীর সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুল থেকে আগত বিতার্কিক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

রাজশাহী রেলস্টেশনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের প্রধান গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত শিক্ষার্থীর নাম আইয়ুব আলী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় রাজশাহী রেলস্টেশনে ইংরেজি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি চলছিল। পরিস্থিতি শান্ত করতে আইয়ুব আলী সেখানে এগিয়ে গেলে রেলের নিরাপত্তারক্ষী, টিটি ও গার্ডদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

আইয়ুবের বন্ধু নাইমুল ইসলাম অভ্র জানান, মারধরের একপর্যায়ে আইয়ুব মাটিতে পড়ে যান। পরে তার জ্ঞান ছিল না। কয়েকবার বমি করার পাশাপাশি তার নাক দিয়ে রক্তপাতও হয়।

ঘটনার প্রতিবাদে রাবির শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেললাইন অবরোধ করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার পর তারা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের দিকে লং মার্চ করেন।

আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রেলের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীকে মারধর করেছেন। তিনি জানান, আইয়ুবের চিকিৎসার বিষয়ে নিউরোসার্জনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং তাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রেলের নিরাপত্তারক্ষী, টিটি ও গার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

দুই মাস না যেতেই চুয়েটের উপাচার্য বদল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

 

নিয়োগের দুই মাস না পেরোতেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ক্যাম্পাসে মিছিল করে তাঁরা অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে বহাল রাখার দাবি জানান।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন উপাচার্য নিয়োগের খবর প্রকাশের পরপরই বিক্ষোভে নামেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা। মিছিল থেকে তাঁরা অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে বহাল রাখার দাবি জানান।

দুই মাসেই পরিবর্তন

এর আগে গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে চার বছরের জন্য চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক।

তবে নিয়োগের প্রায় দুই মাসের মাথায় তাঁর স্থলে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলো।

অধ্যাপক সায়েম সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময়ই তিনি নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি জানতে পারেন। অন্যদিকে নতুন নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম কুয়েটের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক। এর আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তাঁকে কুয়েটের উপ-উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

‘আমি ব্যাক করবো ক্যাম্পাসে’

চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘দেশের জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমার মিশন-ভিশন এটাই। আমি জানি না কেন বাদ দিল।’

তিনি জানান, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজ নিয়ে নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও যান তিনি। ঢাকায় অবস্থান করেই নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি জানতে পারেন।

অধ্যাপক সায়েম বলেন, ‘আমি ব্যাক করবো ক্যাম্

মন্তব্য করুন

ঢাকার কংক্রিটের শহরে শেকৃবিতে চন্দনা টিয়ার মেলা

সবুজে ঘেরা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিদিনই দেখা মেলে শত শত টিয়া পাখির। বিশেষ করে কৃষি অনুষদের পুরোনো শহীদ মিনারের পাশের কাঠবাদাম গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে চন্দনা টিয়ার উপস্থিতি ক্যাম্পাসজুড়ে তৈরি করেছে অনন্য এক প্রাকৃতিক আবহ।

যানজট, ধোঁয়া-ধুলো আর ইট-পাথরের কংক্রিটে ঘেরা ঢাকা শহরে সবুজের দেখা মেলা যেন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। প্রাচীন গাছপালা কমে যাওয়ায় নগরজীবন হারাচ্ছে তার প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য। তবে রাজধানীর বুকেই এর ব্যতিক্রমী এক চিত্র দেখা যায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ক্যাম্পাসে।

প্রায় ৮৭ একর আয়তনের সবুজে ঘেরা এই ক্যাম্পাস শুধু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশই তৈরি করছে না, বরং নানা প্রজাতির পাখিরও নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। ক্যাম্পাসে কান পাতলেই শোনা যায় পাখির কলকাকলি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে চন্দনা টিয়ার ঝাঁক।

কৃষি অনুষদের পুরোনো শহীদ মিনারের পাশে থাকা কাঠবাদাম গাছটিতে প্রতিদিনই দেখা যায় একঝাঁক চন্দনা টিয়া। বিশেষ করে দুপুরের দিকে এক পায়ে ডাল কিংবা খাবার শক্ত করে ধরে কাঠবাদাম খাওয়ার দৃশ্যটি সহজেই পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এক পা দিয়ে খাবার ধরে খাওয়ার এই কৌশল টিয়া প্রজাতির স্বাভাবিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যেরই অংশ।

টিয়া প্রজাতির মধ্যে আকারে বড় ও দৃষ্টিনন্দন পাখিগুলোর একটি চন্দনা টিয়া। এর ইংরেজি নাম Alexandrine Parakeet এবং বৈজ্ঞানিক নাম Psittacula eupatria। সাধারণত ৫২ থেকে ৫৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা এ পাখিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ঘাড়ের পেছনে থাকা গোলাপি-কালো রঙের আভা।

শুধু শহীদ মিনারের পাশের কাঠবাদাম গাছই নয়, শেকৃবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকাতেই দেখা যায় এসব পাখির বিচরণ। এগ্রোনমি ফিল্ড, হর্টিকালচার ফার্ম, পুরোনো এগ্রিবিজনেস অনুষদ ও এগ্রোফরেস্ট ফিল্ডসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া উড়ে বেড়ায়।

নগরায়ণের চাপে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুরোনো গাছপালা হারিয়ে গেলেও শেকৃবির সবুজ প্রাঙ্গণে এখনো টিকে আছে অনেক পুরোনো গাছ। এসব গাছ পাখিদের খাদ্য, আশ্রয় ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেছে। ফলে রাজধানীর ব্যস্ত নগরজীবনের মধ্যেও ক্যাম্পাসটি হয়ে উঠেছে পাখিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সবুজ আশ্রয়স্থল।

কংক্রিটের শহরে যেখানে মুক্ত প্রকৃতির দেখা পাওয়া কঠিন, সেখানে শেকৃবির বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ আর মুক্ত আকাশে চন্দনা টিয়ার অবাধ বিচরণ যেন হারিয়ে যাওয়া বাংলার এক টুকরো চিরচেনা ছবি। প্রতিদিনের ব্যস্ততা আর যান্ত্রিকতার মাঝেও এই দৃশ্য ক্যাম্পাসবাসীর মনে এনে দেয় প্রকৃতির সান্নিধ্যের এক অন্যরকম অনুভূতি।

মন্তব্য করুন

রুয়েট ছাড়ার সিদ্ধান্ত আর্কিটেকচার শিক্ষার্থীর, সিনিয়র-জুনিয়র চেইন সিস্টেমের অভিযোগ

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) আর্কিটেকচার বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাইশা মোর্শেদ কথা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বিভাগের ‘সিনিয়র-জুনিয়র চেইন সিস্টেম’, মানসিক হয়রানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ তুলেছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব অভিযোগের কথা জানান মাইশা। এর কিছুক্ষণ পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার ইভেন্টও যোগ করেন তিনি।

মাইশা তার পোস্টে জানান, রুয়েটের আর্কিটেকচার বিভাগের একাডেমিক ও অন্যান্য কার্যক্রমের ধরন অন্যান্য বিভাগের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। তার দাবি, সেখানে প্রায় সবকিছুই ‘চেইন সিস্টেম’ বা ‘আমলা-কামলা’ প্রথার অধীনে পরিচালিত হয়। তাকে যিনি এই চেইনে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন, পরবর্তী সময়ে সেই বিষয়টি নিয়েই তাকে বিভিন্ন কটূক্তি ও অপমানের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, চেইনের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি কোনো ধরনের সহযোগিতা বা স্বাচ্ছন্দ্য পাননি; বরং প্রায়ই তাকে অবহেলা করা হতো। কাজের প্রয়োজনে চেইনের অন্য সদস্যদের বাসায় রাতে থাকার যে রেওয়াজ রয়েছে, সেটিও তার পরিবারের কাছে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ বিষয়টি তার জন্য বড় ধরনের মানসিক চাপ তৈরি করেছিল বলে জানান তিনি।

মাইশার অভিযোগ, রুয়েট কাগজে-কলমে র‍্যাগিংমুক্ত হলেও কিছু সিনিয়রের অযাচিত আচরণ একাডেমিক কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলত। এ ছাড়া সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ক্লাস এবং ক্যাম্পাসে খাবারের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তার শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

একটি অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির ঘটনার কথাও তুলে ধরেছেন মাইশা। তার দাবি, তিনি করেননি—এমন একটি বিষয়ের দায়ভার তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে তাকে মানসিকভাবে বিভ্রান্ত করা, খারাপ আচরণ করা এবং একপর্যায়ে বয়কটের চেষ্টা করা হয়। পুরো বিভাগে তাকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হলেও সে সময় তার সরাসরি সিনিয়রদের কাছ থেকেও কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিভাগের এক সিনিয়রের মন্তব্যের বরাত দিয়ে মাইশা আরও বলেন, ওই সিনিয়রের মতে, আর্কিটেকচারে পড়ার সময় খাওয়া-দাওয়া কিংবা অসুস্থতার কথা বলা উচিত নয়। এমন মানসিকতা ও পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের মানসিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পোস্টের শেষাংশে মাইশা বলেন, রুয়েটের প্রতি তার কোনো ক্ষোভ নেই। তবে নিজের মানসিক শান্তির জন্যই তাকে স্বপ্নের বিষয় আর্কিটেকচারকে বিদায় জানাতে হয়েছে।

এ বিষয়ে রুয়েটের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. সাব্বির আহসান বলেন, “এ বিষয়ে আমিও জেনেছি। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাগে এমন কোনো অভিযোগ করেননি বা ভর্তি বাতিলের বিষয়ে আবেদন করেননি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। যদি কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন আছে। এর মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, তার বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা অবশ্যই গর্হিত কাজ—বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে এভাবে মানসিক চাপে রাখা।”

বিভাগীয় প্রধান জানান, বিষয়টি তদন্তের জন্য তারা সভার আয়োজন করেছেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য করুন
×