এইচএসসি ফল অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রকাশ হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। ফল প্রকাশে দেরি হলে পিছিয়ে যেতে পারে ভর্তি পরীক্ষাও।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এইচএসসি ফলের ওপর

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ না হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করেছি। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে এইচএসসি ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশের ওপর।’

তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে দেশের কিছু অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে শেষ হয়েছে। ফলে ফল প্রকাশেও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ হতে পারে।

মহাপরিচালক বলেন, অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসি ফল প্রকাশ করা সম্ভব হলে ৪ ডিসেম্বরই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে। তবে এর মধ্যে ফল প্রকাশ না হলে জটিলতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রায় এক মাস সময় থাকে। ফলে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও নম্বর বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

মন্তব্য করুন

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শূন্য আসনে ভর্তি, বাড়ল বিষয় চয়েসের সময়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) সংযুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির বিষয় চয়েস দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। কলা ও সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের যেসব আসন এখনো শূন্য রয়েছে, সেগুলোতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নতুন সময়সূচি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ২৯ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে বিষয় চয়েস দেওয়া যাবে। বিষয় ও কলেজভিত্তিক নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ৩০ আগস্ট রাত ১১টায় প্রকাশ করা হবে।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের ৩১ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। সোনালী বিল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ভর্তি ফি হিসেবে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।

বিষয় চয়েস দেওয়ার নিয়ম

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের dcuadmission.org ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে চয়েস ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে করণীয়

পোষ্য (ওয়ার্ড), খেলোয়াড় ও হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) কোটায় ভর্তিচ্ছুদের ২৭ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে কোটার প্রমাণস্বরূপ সনদপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনে কলেজের নাম, পছন্দের বিষয় এবং ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম উল্লেখ করতে হবে।

কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের পর এসব শিক্ষার্থীর বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে। সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরে জানানো হবে।

অন্যদিকে, কোটায় প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে ভর্তি নিশ্চয়ন করা শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে কোটার প্রমাণপত্র, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং পূরণ করা চয়েস ফরমের প্রিন্ট কপি। কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্নের প্রক্রিয়া

প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে ভর্তি ফরম, পে-স্লিপ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে মূল নম্বরপত্র ও সত্যায়িত কপি, সর্বশেষ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের পাঁচ কপি ছবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রমের নিয়ম ও শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন কিংবা নতুন কিছু সংযোজনের অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছে এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্ত হতে পারে আরও ৩টি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে গুচ্ছে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। কো-কনভেনর করা হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীকে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনায় মূল কমিটির পাশাপাশি টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থসহ একাধিক কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি গঠনের পরই ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

মূল কমিটির কনভেনর অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ‘২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হোস্ট ও কোনটি কো-হোস্ট হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা করে টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থ কমিটি গঠন করা হবে। সেখানেই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।’

কো-কনভেনর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রথম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা ডেকে ভর্তি পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে।’

তিনি জানান, এবার মূল কমিটির কনভেনর ও কো-কনভেনর নির্বাচন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিষ্ঠা ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সময়ের সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। ২০০২ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা পবিপ্রবি এবং ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা নোবিপ্রবির উপাচার্যকে সেই বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে কম সিনিয়র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দায়িত্ব পাবে।

গুচ্ছে থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়—এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের বর্তমান তালিকায় রয়েছে।

যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আগেরবারের মতো এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন সাপেক্ষে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় এতে যুক্ত হতে পারে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছে যুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন

পরীক্ষা ছাড়াই নটর ডেম কলেজের ময়মনসিংহ শাখায় একাদশে ভর্তি

পরীক্ষা ছাড়াই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিচ্ছে নটর ডেম কলেজের ময়মনসিংহ শাখা। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ফল পুনঃনিরীক্ষণ বা পুনঃমূল্যায়নের পর যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন করতে পারবেন। তাদের আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা। একই সময়ে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগও থাকবে।

আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ফল ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে, যা চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ ক্লাস শুরু হবে।

মন্তব্য করুন

খুবির ‘ডি’ ইউনিটে বিভাগভেদে আলাদা সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা বিষয়ের ওপর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও গণিত বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।

অধ্যাপক ড. রুমানা হক জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের অধীনে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগভিত্তিক সিলেবাস নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আদলে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সিলেবাস নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ভর্তি পরীক্ষায় কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকবে, সেই মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক।

মন্তব্য করুন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া শুরু

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য বা চাহিদা সংগ্রহ শুরু করেছে সংস্থাটি।

চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা:

  • শুরু: বুধবার (১৯ নভেম্বর)

  • শেষ: আগামী ২৮ নভেম্বর

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সমস্ত পদ ৩০ সেপ্টেম্বরের (২০২৫) মধ্যে শূন্য হয়েছে, শুধুমাত্র সেই এমপিওভুক্ত পদগুলোর চাহিদা অনলাইনে দিতে হবে।

নির্দেশিকা ও নীতিমালা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিতে হবে।

  • শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে দেওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ই-রিকুইজিশন ফি জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • শুধুমাত্র এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করা হবে।

  • পূর্বের জারি করা কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেওয়া অনলাইন চাহিদা বহাল থাকবে না

  • অফলাইনে, হার্ডকপিতে বা ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না

এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিম্নলিখিত প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইনে এই চাহিদা জমা দিতে পারবেন:

  •  ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd

  • অথবা, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) "ই-রিকুইজিশন" সেবা বক্সের "ই-রিকুইজিশন লগইন" অপশনে ক্লিক করে।

মন্তব্য করুন

বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলছে। গত ২১ নভেম্বর শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি আবেদনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত পাঁচ দিনে ৩ লাখ ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে। এসব শিক্ষার্থী মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজারটি পছন্দক্রম দিয়েছে (একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় বেছে নিতে পারে)।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, এবার সারাদেশে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।

দেশব্যাপী মোট শূন্য আসন রয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬৮৮টি সরকারি বিদ্যালয়ের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি পছন্দক্রম দিয়েছে।

অন্যদিকে, তিন হাজার ৩৬০টি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৮ হাজার ৭৬২টি, পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি।

মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, আবেদন করার জন্য আরও ১০ দিন সময় রয়েছে। আবেদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আবেদন শেষ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লটারি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

মন্তব্য করুন
×