বিইউপির ভর্তি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, ৬ অনুষদের সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। ছয়টি অনুষদের পরীক্ষা চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১ ও ৯ জানুয়ারি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২ জানুয়ারি নেওয়া হবে আর্টস ও সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের পরীক্ষা।

এ ছাড়া ৮ জানুয়ারি সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদ, মেডিকেল স্ট্যাডিজ অনুষদ এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থাৎ, ছয়টি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা ১, ২, ৮ ও ৯ জানুয়ারি—এই চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনের সময়সূচি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। আবেদন শুরুর ও শেষ হওয়ার তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তি: প্রথম ধাপের ফল কাল রাত ৮টায়

 

আবেদন করেছেন ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ শিক্ষার্থী, নিশ্চয়ন ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল আগামীকাল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। একযোগে ফল প্রকাশের বিষয়টি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানা গেছে।

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ফল প্রকাশের পর যা করতে হবে

প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। এজন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

এরপর শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

যেভাবে ফল দেখা যাবে

একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে ফলাফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। সেখানে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

ঢাকা বোর্ডে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ শিক্ষার্থী

এনসিটিবি-NCTB
এনসিটিবি-NCTB

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০১ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি ফেল থেকে পাস করেছেন আরও ৩০৮ জন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।

গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪।

ফল জানবেন যেভাবে
পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের ফল দেখতে ভিজিট করুন: www.dhakaeducationboard.gov.bd
অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন

বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলছে। গত ২১ নভেম্বর শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি আবেদনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত পাঁচ দিনে ৩ লাখ ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে। এসব শিক্ষার্থী মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজারটি পছন্দক্রম দিয়েছে (একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় বেছে নিতে পারে)।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, এবার সারাদেশে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।

দেশব্যাপী মোট শূন্য আসন রয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬৮৮টি সরকারি বিদ্যালয়ের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি পছন্দক্রম দিয়েছে।

অন্যদিকে, তিন হাজার ৩৬০টি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৮ হাজার ৭৬২টি, পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি।

মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, আবেদন করার জন্য আরও ১০ দিন সময় রয়েছে। আবেদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আবেদন শেষ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লটারি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

মন্তব্য করুন
×