বিইউপির ভর্তি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, ৬ অনুষদের সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। ছয়টি অনুষদের পরীক্ষা চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১ ও ৯ জানুয়ারি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২ জানুয়ারি নেওয়া হবে আর্টস ও সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের পরীক্ষা।

এ ছাড়া ৮ জানুয়ারি সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদ, মেডিকেল স্ট্যাডিজ অনুষদ এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থাৎ, ছয়টি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা ১, ২, ৮ ও ৯ জানুয়ারি—এই চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনের সময়সূচি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। আবেদন শুরুর ও শেষ হওয়ার তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তিতে নটর ডেম ও হলিক্রসের বিশেষ শর্ত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজধানীর নটর ডেম কলেজ ও হলিক্রস কলেজ। দুই কলেজেই নিজস্ব ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। জিপিএ ও অন্যান্য একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি ভর্তিচ্ছুদের জন্য কিছু বিশেষ শর্তও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

এর মধ্যে নটর ডেম কলেজ ধূমপায়ীদের আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে হলিক্রস কলেজ জানিয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নটর ডেম কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলেজ নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, কলেজের আইডি কার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণে অনাগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে ধূমপায়ীদেরও আবেদন না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়মিত ক্লাস ও ব্যবহারিক ক্লাসে উপস্থিতি, নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, শরীরচর্চা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব নিয়ম মানতে অনাগ্রহী বা আপত্তি রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদের আবেদন না করার পরামর্শ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কলেজে মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব নিয়ম ও শর্তে যাদের আপত্তি রয়েছে, তাদেরও আবেদন না করার জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে পারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, একটি সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী দুয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত তারিখ জানা যাবে।

সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই দিনটি চূড়ান্ত হবে। ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে ডিসেম্বরের অন্য কোনো শুক্রবারে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

এর আগে গত আগস্টে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন জানিয়েছিলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসেই মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। গত দুই বছরও একই মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এবারও ডিসেম্বরেই পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর

প্রতিবছর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির মৌসুম শুরু হয়। তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এখন পর্যন্ত সবার আগে ভর্তি পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর এবং চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ছাড়া বাকি পরীক্ষাগুলো শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সূচি অনুযায়ী, ৫ ডিসেম্বর আইবিএ, ১২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান, ১৯ ডিসেম্বর কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা এবং ২৬ ডিসেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ফলে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সময়সূচিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে

এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে।

এদিকে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এমআইএসটি

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা হবে।

প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ—এই সাতটি বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

কুয়েট

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭।

খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

রুয়েট

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭।

ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির সভাপতি ও রুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. কামরুজ্জামান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নেওয়া হবে।

চবিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

শাবিপ্রবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি।

মেডিকেল ও ডেন্টাল

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ভর্তিচ্ছুদের প্রতি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন, উঠছে বৈষম্যের প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পাশাপাশি বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা নিজেদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সোমবার (৩১ আগস্ট) সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদন পেতে পারে বলে আলোচনা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় এটি সিন্ডিকেটে আলাদাভাবে অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সোমবার রাতে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এটা সিন্ডিকেটে আর আলাদা করে পাস হওয়ার দরকার নেই।’

কেন আলাদা প্রশ্নপত্র

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়। এতে দেশের মেধাপাচার বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ বাড়ছে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাদের একটি অংশ দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

এর আগে গত ২ আগস্ট নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় বিজ্ঞান ইউনিটের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বৈষম্যের আশঙ্কা শিক্ষকদের

তবে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করছেন, যদি ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা প্রশ্নের দাবি উঠতে পারে। তাদের মতে, ভর্তি পরীক্ষায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের কাঠামো এমন হওয়া উচিত, যাতে ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

আলাদা প্রশ্নে বাড়বে চ্যালেঞ্জ: অধ্যাপক মজিবুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলাদা প্রশ্ন করলে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে সামনে। ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী খারাপ করলে অভিযোগ আসবে, আলাদা প্রশ্ন করাতে খারাপ করছে। বাংলা মিডিয়ামের জন্য প্রশ্ন সহজ হয়েছে। কিংবা উল্টোটা হবে—ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্ন সহজ হয়েছে, এ কারণে তারা বেশি চান্স পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং চাকরিতে প্রবেশাধিকার—বর্তমান প্রজন্মের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকরিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে দেশজুড়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দূরদর্শী নয়।’

অধ্যাপক মজিবুর রহমানের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের সব অনুমোদিত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক।’

তার ভাষ্য, আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বৈষম্য কমানোর বদলে আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কাও তৈরি করতে পারে।

ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে আগে থেকেই আলাদা ব্যবস্থা

ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এবার বিজ্ঞান ইউনিটেও একই ধরনের পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে বাংলা মাধ্যমের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা এবং নির্ধারিত দুটি বিষয়ের একটিসহ এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি এবং গণিত, পরিসংখ্যান বা অর্থনীতির নির্ধারিত বিষয়ের সমন্বয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

ইংরেজি মাধ্যমের এ-লেভেল ও সমমানের শিক্ষার্থীদের জন্য আবার English, Advanced English এবং ব্যবসায় শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি বা গণিতের নির্ধারিত বিষয় নিয়ে পৃথক কাঠামোয় ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এখন বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের কারিকুলাম অনুযায়ী একই ধরনের পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছে প্রশাসন

সিদ্ধান্তের ফলে বৈষম্য তৈরি হবে কি না—এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্রের ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের পর ভর্তি পরীক্ষায় সমতা ও সুযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হয়, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মন্তব্য করুন

গুচ্ছ নয়, চুয়েটে এবারও একক ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

 

একসময় দেশের তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সমন্বিতভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিত। প্রায় চার বছর এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার পর আবারও পৃথক ভর্তি পরীক্ষায় ফিরে যায় বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি।

আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে কুয়েট ও রুয়েট। তবে এখনো ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ জানায়নি চুয়েট। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভর্তি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর কমিটি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এরপরই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এ বিষয়ে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, ‘একসময় চুয়েট প্রকৌশল গুচ্ছের সঙ্গে ছিল। তবে বর্তমানে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবারও ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রাথমিক কিছু কাজ শুরু করেছি। ভর্তি কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। এরপর চলতি সপ্তাহ অথবা আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।

চুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার খবর তিনি গণমাধ্যমে পেয়েছেন। তবে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ এককভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বৈঠকে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আবারও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে অধ্যাপক সায়েম বলেন, পৃথক নাকি যৌথভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত শুধু চুয়েটের ওপর নির্ভর করছে না। এ ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে চুয়েট সব ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কুয়েট ও রুয়েট ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ফলে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, সেদিকেই এখন নজর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

মন্তব্য করুন

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি শুরু

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাস, ধানমন্ডি ক্যাম্পাস, বসুন্ধরা ক্যাম্পাস এবং আজিমপুর ক্যাম্পাসের প্রভাতি ও দিবা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। সব মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ২,০২০টি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তি নির্ধারণ করবে।


আবেদনের সময়সীমা ও নিয়ম

  • আবেদন শুরুর সময়: ২১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে শুরু

  • আবেদনের শেষ সময়: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকেল ৫টা পর্যন্ত

  • আবেদন ফি: ১০০ টাকা (শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে)

  • আবেদন লিংক: gsa.teletalk.com.bd

  • লটারির তারিখ: মাউশি কর্তৃক পরবর্তীতে জানানো হবে


ক্যাম্পাসভিত্তিক আসনসংখ্যা

১) মূল ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ২৭৫

  • ২য় শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ৩২৫

  • সংরক্ষিত (শিক্ষক/কর্মচারী/জিবি): ২ আসন


২) মূল ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ২২০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১০

  • ৯ম শ্রেণি (মানবিক): ৪০

  • মোট: ২৭০

  • সংরক্ষিত: ৩ আসন


৩) মূল ক্যাম্পাস — ইংরেজি ভার্সন, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১১০

  • মোট: ১১০

  • সংরক্ষিত: ৩ আসন


৪) মূল ক্যাম্পাস — ইংরেজি ভার্সন, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১১০

  • ২য় শ্রেণি: ৮

  • ৩য় শ্রেণি: ৮

  • ৫ম শ্রেণি: ৬

  • মোট: ১৩২

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: রমনা, পল্টন, শাহজাহানপুর


৫) ধানমন্ডি ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ৮০

  • ২য় শ্রেণি: ১১

  • ৩য় শ্রেণি: ৫

  • ৫ম শ্রেণি: ৭

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৮

  • ৭ম শ্রেণি: ৭

  • ৮ম শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • মোট: ১৪৩


৬) ধানমন্ডি ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ৮০

  • ২য় শ্রেণি: ১২

  • ৫ম শ্রেণি: ১০

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৫

  • ৭ম শ্রেণি: ৫

  • মোট: ১১২

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: কলাবাগান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর


৭) বসুন্ধরা ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ১২

  • ৩য় শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি: ২০

  • মোট: ২০৩

  • সংরক্ষিত: ৪ আসন


৮) বসুন্ধরা ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৯

  • ৩য় শ্রেণি: ১০

  • ৫ম শ্রেণি: ৭

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৬

  • ৭ম শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ২০

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২৬৩

  • সংরক্ষিত: ২ আসন

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: ভাটারা, খিলক্ষেত ও গুলশান


৯) আজিমপুর ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২২৬


১০) আজিমপুর ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৬

  • ৩য় শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২৩৬

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: লালবাগ, চকবাজার, নিউমার্কেট


বিস্তারিত তথ্য

ওয়েবসাইট: www.vnsc.edu.bd

মন্তব্য করুন
×