গুচ্ছ নয়, চুয়েটে এবারও একক ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

 

একসময় দেশের তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সমন্বিতভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিত। প্রায় চার বছর এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার পর আবারও পৃথক ভর্তি পরীক্ষায় ফিরে যায় বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি।

আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে কুয়েট ও রুয়েট। তবে এখনো ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ জানায়নি চুয়েট। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভর্তি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর কমিটি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এরপরই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এ বিষয়ে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, ‘একসময় চুয়েট প্রকৌশল গুচ্ছের সঙ্গে ছিল। তবে বর্তমানে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবারও ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রাথমিক কিছু কাজ শুরু করেছি। ভর্তি কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। এরপর চলতি সপ্তাহ অথবা আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।

চুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার খবর তিনি গণমাধ্যমে পেয়েছেন। তবে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ এককভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বৈঠকে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আবারও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে অধ্যাপক সায়েম বলেন, পৃথক নাকি যৌথভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত শুধু চুয়েটের ওপর নির্ভর করছে না। এ ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে চুয়েট সব ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কুয়েট ও রুয়েট ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ফলে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, সেদিকেই এখন নজর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

মন্তব্য করুন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, আয়োজক শেকৃবি

কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন ও সমন্বয়ের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রমতে, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া, অংশগ্রহণের যোগ্যতা, আসন সংখ্যা, সময়সূচি ও কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ জানান, কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন করতে শেকৃবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে কৃষি ও কৃষি-সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিত পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, যার ফলে একটিমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এই গুচ্ছ কার্যক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন বাড়ল ১ অক্টোবর পর্যন্ত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময় আরও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির আবেদন করা যাবে আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সময় বাড়াচ্ছি। মন্ত্রী মহোদয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বৈঠকে আজ সকালে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সময় বাড়ানোর নোটিশ ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে।’

এর আগে দ্বিতীয় ধাপে একাদশে ভর্তির আবেদন ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর করার সুযোগ রাখা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা ১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

কেন বাড়ানো হলো সময়

সময় বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবির বলেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এখনো ভর্তি কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন লাখের কাছাকাছি, তারও বেশি—সাড়ে লাখের কাছাকাছি শিক্ষার্থী এই সিস্টেমের বাইরে আছে। কেউ প্রথম ধাপে আবেদন করেনি, কেউ আবেদন করে নিশ্চায়ন করেও ভর্তি হয়নি। এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে রেখে আমরা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারি না। সে কারণেই সময় বাড়ানো হয়েছে।’

কারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আগে আবেদন করেনি অথবা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে।

এ ছাড়া চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে পারেনি—এমন শিক্ষার্থীরাও দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবে।

ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও যারা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও এ ধাপে আবেদন করতে পারবে।

দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে হবে। তবে কলেজে বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে হবে।

এরপর যেসব তারিখ গুরুত্বপূর্ণ

দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ১ থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর রাত ৮টায়। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর।

আবেদন ফি নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা

প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি—এমন শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা অনলাইন আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ সিলেকশন অথবা এডিট সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার সময় কোটার যোগ্যতা যাচাই করে সঠিকভাবে কোটা নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, সিদ্ধান্ত বুধবার

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্তত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজেদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে। তবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় শুরুতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নজির থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে বৈঠক করে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা এবং ফলাফল প্রকাশের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুয়েট ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান রোববার (৩০ আগস্ট) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা এখনও তারিখ নির্ধারণ করিনি। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে এখনও মাসখানেক বাকি। ফলে পরীক্ষার ফলাফল হওয়ার আগে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ সম্ভব নয়। তবে আগামী বুধবার আমরা বসে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেব।’

এইচএসসি ফলের ওপর নির্ভর করছে ভর্তি প্রক্রিয়া

বুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট জিপিএর শর্ত পূরণ করে শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। আমরা বোর্ড থেকে ফলাফল সংগ্রহ করি। তার ভিত্তিতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশে নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ডিসেম্বরের বিভিন্ন তারিখে ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করেছে। ফলে ফল প্রকাশে কোনো ধরনের বিলম্ব হলে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করা কঠিন হতে পারে।

অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘পরীক্ষা শেষ হয়ে ফলাফল আসতে অন্তত নভেম্বর পর্যন্ত চলে যাবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডিসেম্বর বুক করে ফেলেছে। তবে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে তখন সময়সূচি ঠিক রাখা যাবে না। এ কারণে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। তবে বুধবার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে তোলা হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন নেই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি আগের মতোই থাকবে। প্রাথমিক আবেদনের পর নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে আসন সংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে। তবে কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নায়েব মো. গোলাম জাকারিয়াও জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ফলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করলেও বুয়েটের ক্ষেত্রে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত সময়সূচি জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, যুক্ত হতে পারে আরও ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

ভর্তি তথ্যের সবকিছু এক প্ল্যাটফর্মে, শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অ্যাডমিশন হাব’

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা, মানবণ্টন ও নেগেটিভ মার্কিং কত, আবেদন কখন শুরু ও শেষ, ফি কত কিংবা ফলাফল কোথায়—ভর্তি-সংক্রান্ত এসব তথ্য এখন পাওয়া যাবে এক প্ল্যাটফর্মেই। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এমনই উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।

ভর্তি পরীক্ষার মৌসুমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। কোথায় কখন পরীক্ষা, কোন বিষয়ে কত নম্বর, নেগেটিভ মার্কিং কত, আবেদন কখন শুরু ও শেষ, আবেদন ফি কত কিংবা ফলাফল কোথায় প্রকাশ হয়েছে—এসব তথ্য খুঁজতে গিয়ে সময় অপচয়ের পাশাপাশি ভোগান্তিতেও পড়তে হয় ভর্তি-ইচ্ছুকদের।

শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি কমিয়ে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও বিভিন্ন সহায়ক সেবা একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম তালুকদার। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যাডমিশন হাব’। ভর্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারবেন।

এক প্ল্যাটফর্মে ভর্তি পরীক্ষার তথ্য

‘অ্যাডমিশন হাব’-এ পরীক্ষার সময়, তথ্য, আবেদন, অ্যাডমিট, ফলাফল, সাবজেক্ট রিভিউ এবং ভর্তি ব্লগ ও গাইড—এই সাতটি প্রধান সুবিধা রাখা হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময়, কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এবং নেগেটিভ মার্কিং কত—এসব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে। পাশাপাশি আবেদনের শুরুর ও শেষ তারিখ, বিভিন্ন বিভাগ বা ইউনিটের আবেদন ফি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখার সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোডের সময়সীমা জানা যাবে এবং প্ল্যাটফর্ম থেকেই তা ডাউনলোড করা যাবে।

ফলাফলও পাওয়া যাবে এক জায়গায়

ভর্তি পরীক্ষার পর ফলাফল দেখার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে না। ‘অ্যাডমিশন হাব’-এ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল এক জায়গায় দেখার সুবিধা রাখা হয়েছে।

জানা যাবে পছন্দের বিষয়ের বিস্তারিত

প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ‘সাবজেক্ট রিভিউ’। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন ডিগ্রি ও বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

কোনো বিষয়ে কী পড়ানো হয়, কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি পড়ানো হয়, আসন সংখ্যা কত এবং ওই বিষয়ে পড়াশোনা শেষে কী ধরনের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে—এসব তথ্যও পাওয়া যাবে ‘সাবজেক্ট রিভিউ’তে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটভিত্তিক ভর্তি গাইড

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ‘অ্যাডমিশন হাব’-এ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটভিত্তিক ভর্তি গাইড। এসব গাইডে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন, আবেদনের প্রয়োজনীয় লিংক এবং প্রস্তুতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুষদভেদে ভর্তি-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদাভাবে সাজানো থাকায় শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় বা ইউনিটের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কেও সহজে ধারণা নিতে পারবেন।

থাকছে যাতায়াতসহ বিভিন্ন সহায়ক সুবিধা

ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি সহায়ক সুবিধাও রাখা হয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। আবেদন করার সময় প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি ও স্বাক্ষরের আকার নির্ধারিত মাপে পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন বাসের রুট ও ভাড়ার তথ্য, চলন্ত ট্রেনের বর্তমান অবস্থান ও বিলম্বের তথ্য, মেট্রোরেলের ভাড়ার তালিকা, সময়সূচি ও স্টেশনসংক্রান্ত তথ্য এবং ট্রেনের সময়সূচিও পাওয়া যাবে এখানে।

কৃষি গুচ্ছে আবেদন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘কৃষি গুচ্ছ জিপিএ ক্যালকুলেটর’। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী তাঁর এসএসসি ও এইচএসসির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জিপিএ অনুযায়ী কৃষি গুচ্ছে আবেদন করার জন্য যোগ্য কি না, তা যাচাই করতে পারবেন।

যেভাবে উদ্যোগের শুরু

নতুন এ উদ্যোগ সম্পর্কে মো. জাহিদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় একজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ঘুরে ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতে হয়। তিনিও শিক্ষার্থী হিসেবে এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির চিন্তা আসে।

তিনি বলেন, ‘‘এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চেয়েছি, যেখানে একজন শিক্ষার্থী এক জায়গা থেকেই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পেতে পারে।’’

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট কমানো এবং সঠিক ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্ল্যাটফর্মটিতে আরও বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আসছে মোবাইল অ্যাপ

ওয়েব প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বর্তমানে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরির কাজও চলছে। তবে অ্যাপটি এখনো চালু হয়নি। কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে এটি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোগটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

‘অ্যাডমিশন হাব’ ব্যবহার করা যাবে admission.talukdaracademy.com.bd ঠিকানায়।

মন্তব্য করুন

পরীক্ষা ছাড়াই নটর ডেম কলেজের ময়মনসিংহ শাখায় একাদশে ভর্তি

পরীক্ষা ছাড়াই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিচ্ছে নটর ডেম কলেজের ময়মনসিংহ শাখা। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ফল পুনঃনিরীক্ষণ বা পুনঃমূল্যায়নের পর যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন করতে পারবেন। তাদের আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা। একই সময়ে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগও থাকবে।

আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ফল ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে, যা চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ ক্লাস শুরু হবে।

মন্তব্য করুন
×