বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, সিদ্ধান্ত বুধবার

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্তত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজেদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে। তবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় শুরুতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নজির থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে বৈঠক করে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা এবং ফলাফল প্রকাশের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুয়েট ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান রোববার (৩০ আগস্ট) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা এখনও তারিখ নির্ধারণ করিনি। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে এখনও মাসখানেক বাকি। ফলে পরীক্ষার ফলাফল হওয়ার আগে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ সম্ভব নয়। তবে আগামী বুধবার আমরা বসে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেব।’

এইচএসসি ফলের ওপর নির্ভর করছে ভর্তি প্রক্রিয়া

বুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট জিপিএর শর্ত পূরণ করে শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। আমরা বোর্ড থেকে ফলাফল সংগ্রহ করি। তার ভিত্তিতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশে নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ডিসেম্বরের বিভিন্ন তারিখে ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করেছে। ফলে ফল প্রকাশে কোনো ধরনের বিলম্ব হলে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করা কঠিন হতে পারে।

অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘পরীক্ষা শেষ হয়ে ফলাফল আসতে অন্তত নভেম্বর পর্যন্ত চলে যাবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডিসেম্বর বুক করে ফেলেছে। তবে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে তখন সময়সূচি ঠিক রাখা যাবে না। এ কারণে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। তবে বুধবার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে তোলা হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন নেই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি আগের মতোই থাকবে। প্রাথমিক আবেদনের পর নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে আসন সংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে। তবে কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নায়েব মো. গোলাম জাকারিয়াও জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ফলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করলেও বুয়েটের ক্ষেত্রে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত সময়সূচি জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

বিকেএসপিতে বি-স্পোর্টস কোর্সে ভর্তি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তিন বছর মেয়াদি বি-স্পোর্টস প্রথম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। জাতীয়, বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ে খেলাধুলার অভিজ্ঞতা থাকা নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা এ কোর্সে আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের সময়সূচি

অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায়। পরীক্ষা নেওয়া হবে বিকেএসপির জিরানী, সাভার, ঢাকা ক্যাম্পাসে।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকেএসপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

২০২১, ২০২২ বা ২০২৩ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৩, ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি প্রার্থীদের জাতীয়, বিভাগীয় অথবা জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ছেলেদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, অ্যাথলেটিক্স, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, বাস্কেটবল, বক্সিং ও শুটিং।

মেয়েদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, ফুটবল, ক্রিকেট, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, শুটিং ও হকি।

আবেদন ও ফি

ভর্তি আবেদনের জন্য ১ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

আবেদন করতে হবে bkspds.gov.bd অথবা bksp.gov.bd ওয়েবসাইটে।

আবেদনের ধাপগুলো হলো—Applicant Registration > Apply > Admission on B.Sports (pass) Under NU 2025-2026 > Form Fillup > Submit > Payment > PDF Download > Print

পরীক্ষার দিন যা সঙ্গে নিতে হবে

ক্রীড়া মেধা যাচাইয়ের দিন প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের প্রিন্ট কপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং এসএসসি ও এইচএসসির মার্কশিট, প্রশংসাপত্র ও খেলার অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এসব কাগজপত্র সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট খেলার উপযোগী পোশাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সঙ্গে আনতে হবে।

চূড়ান্ত ভর্তির সময় প্রার্থীকে খেলার সনদপত্র এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে।

যোগাযোগ

ভর্তি-সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে ০১৭১৩২৪৬০৪০, ০১৯১৭৭৮০৪৩০ ও ০১৭২০২০৬০৭৬ নম্বরে।

অনলাইন রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত সমস্যায় ০১৬৭২০৯৩৩৪৬ নম্বরে অফিস চলাকালীন সময়ে যোগাযোগ করা যাবে।

মন্তব্য করুন

কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল উদ্বোধন করা হবে।

রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন م এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে ফলাফল প্রকাশ ও বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনের এসএমএস—এই দুই উপায়ে সহজেই ফল দেখতে পারবে:

১. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:

  • শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd বা eboardresults.com-এ প্রবেশ করতে হবে।

  • নির্ধারিত অপশন থেকে পরীক্ষার নাম (SSC/Dakhil/Equivalent), বছর (2026) এবং নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

  • এরপর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।

  • স্ক্রিনে প্রদর্শিত সিকিউরিটি কোড (ক্যাপচা) সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই মার্কশিটসহ ফলাফল পাওয়া যাবে।

২. এসএমএসের মাধ্যমে (যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে):

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

    (উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের জন্য SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে)

  • মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (দাখিল) জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: DAKHIL <স্পেস> MAD <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> TEC <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

ফিরতি মেসেজে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে একযোগে প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

মন্তব্য করুন

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন, উঠছে বৈষম্যের প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পাশাপাশি বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা নিজেদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সোমবার (৩১ আগস্ট) সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদন পেতে পারে বলে আলোচনা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় এটি সিন্ডিকেটে আলাদাভাবে অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সোমবার রাতে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এটা সিন্ডিকেটে আর আলাদা করে পাস হওয়ার দরকার নেই।’

কেন আলাদা প্রশ্নপত্র

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়। এতে দেশের মেধাপাচার বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ বাড়ছে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাদের একটি অংশ দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

এর আগে গত ২ আগস্ট নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় বিজ্ঞান ইউনিটের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বৈষম্যের আশঙ্কা শিক্ষকদের

তবে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করছেন, যদি ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা প্রশ্নের দাবি উঠতে পারে। তাদের মতে, ভর্তি পরীক্ষায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের কাঠামো এমন হওয়া উচিত, যাতে ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

আলাদা প্রশ্নে বাড়বে চ্যালেঞ্জ: অধ্যাপক মজিবুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলাদা প্রশ্ন করলে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে সামনে। ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী খারাপ করলে অভিযোগ আসবে, আলাদা প্রশ্ন করাতে খারাপ করছে। বাংলা মিডিয়ামের জন্য প্রশ্ন সহজ হয়েছে। কিংবা উল্টোটা হবে—ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্ন সহজ হয়েছে, এ কারণে তারা বেশি চান্স পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং চাকরিতে প্রবেশাধিকার—বর্তমান প্রজন্মের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকরিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে দেশজুড়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দূরদর্শী নয়।’

অধ্যাপক মজিবুর রহমানের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের সব অনুমোদিত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক।’

তার ভাষ্য, আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বৈষম্য কমানোর বদলে আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কাও তৈরি করতে পারে।

ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে আগে থেকেই আলাদা ব্যবস্থা

ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এবার বিজ্ঞান ইউনিটেও একই ধরনের পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে বাংলা মাধ্যমের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা এবং নির্ধারিত দুটি বিষয়ের একটিসহ এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি এবং গণিত, পরিসংখ্যান বা অর্থনীতির নির্ধারিত বিষয়ের সমন্বয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

ইংরেজি মাধ্যমের এ-লেভেল ও সমমানের শিক্ষার্থীদের জন্য আবার English, Advanced English এবং ব্যবসায় শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি বা গণিতের নির্ধারিত বিষয় নিয়ে পৃথক কাঠামোয় ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এখন বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের কারিকুলাম অনুযায়ী একই ধরনের পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছে প্রশাসন

সিদ্ধান্তের ফলে বৈষম্য তৈরি হবে কি না—এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্রের ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের পর ভর্তি পরীক্ষায় সমতা ও সুযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হয়, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

ঢাকা বোর্ডে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ শিক্ষার্থী

এনসিটিবি-NCTB
এনসিটিবি-NCTB

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০১ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি ফেল থেকে পাস করেছেন আরও ৩০৮ জন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।

গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪।

ফল জানবেন যেভাবে
পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের ফল দেখতে ভিজিট করুন: www.dhakaeducationboard.gov.bd
অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি শুরু

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাস, ধানমন্ডি ক্যাম্পাস, বসুন্ধরা ক্যাম্পাস এবং আজিমপুর ক্যাম্পাসের প্রভাতি ও দিবা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। সব মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ২,০২০টি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তি নির্ধারণ করবে।


আবেদনের সময়সীমা ও নিয়ম

  • আবেদন শুরুর সময়: ২১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে শুরু

  • আবেদনের শেষ সময়: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকেল ৫টা পর্যন্ত

  • আবেদন ফি: ১০০ টাকা (শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে)

  • আবেদন লিংক: gsa.teletalk.com.bd

  • লটারির তারিখ: মাউশি কর্তৃক পরবর্তীতে জানানো হবে


ক্যাম্পাসভিত্তিক আসনসংখ্যা

১) মূল ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ২৭৫

  • ২য় শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ৩২৫

  • সংরক্ষিত (শিক্ষক/কর্মচারী/জিবি): ২ আসন


২) মূল ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ২২০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১০

  • ৯ম শ্রেণি (মানবিক): ৪০

  • মোট: ২৭০

  • সংরক্ষিত: ৩ আসন


৩) মূল ক্যাম্পাস — ইংরেজি ভার্সন, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১১০

  • মোট: ১১০

  • সংরক্ষিত: ৩ আসন


৪) মূল ক্যাম্পাস — ইংরেজি ভার্সন, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১১০

  • ২য় শ্রেণি: ৮

  • ৩য় শ্রেণি: ৮

  • ৫ম শ্রেণি: ৬

  • মোট: ১৩২

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: রমনা, পল্টন, শাহজাহানপুর


৫) ধানমন্ডি ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ৮০

  • ২য় শ্রেণি: ১১

  • ৩য় শ্রেণি: ৫

  • ৫ম শ্রেণি: ৭

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৮

  • ৭ম শ্রেণি: ৭

  • ৮ম শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • মোট: ১৪৩


৬) ধানমন্ডি ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ৮০

  • ২য় শ্রেণি: ১২

  • ৫ম শ্রেণি: ১০

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৫

  • ৭ম শ্রেণি: ৫

  • মোট: ১১২

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: কলাবাগান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর


৭) বসুন্ধরা ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ১২

  • ৩য় শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি: ২০

  • মোট: ২০৩

  • সংরক্ষিত: ৪ আসন


৮) বসুন্ধরা ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৯

  • ৩য় শ্রেণি: ১০

  • ৫ম শ্রেণি: ৭

  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৬

  • ৭ম শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ২০

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২৬৩

  • সংরক্ষিত: ২ আসন

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: ভাটারা, খিলক্ষেত ও গুলশান


৯) আজিমপুর ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, প্রভাতি শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৬

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২২৬


১০) আজিমপুর ক্যাম্পাস — বাংলা মাধ্যম, দিবা শাখা

  • ১ম শ্রেণি: ১৬৫

  • ২য় শ্রেণি: ৬

  • ৩য় শ্রেণি: ১০

  • ৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান): ১৫

  • ৯ম শ্রেণি (ব্যবসায় শিক্ষা): ৪০

  • মোট: ২৩৬

  • ক্যাচমেন্ট এলাকা: লালবাগ, চকবাজার, নিউমার্কেট


বিস্তারিত তথ্য

ওয়েবসাইট: www.vnsc.edu.bd

মন্তব্য করুন
×