আহমদ আলী
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ

নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারী, বিএড স্কেল পাবেন ৩ হাজার ৯৫ জন

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারীকে নতুন করে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ৩ হাজার ৯৫ শিক্ষককে বিএড স্কেল দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত মাউশির এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাউশির নথি অনুযায়ী, নতুন করে এমপিওভুক্তির তালিকায় স্কুল পর্যায়ের ৩৭৮ এবং কলেজ পর্যায়ের ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

স্কুল পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হতে যাওয়া ৩৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৩০, চট্টগ্রামের ১৬, কুমিল্লার ১০, ঢাকার ৬৬, খুলনার ১৩, ময়মনসিংহের ৩৮, রাজশাহীর ১২৬, রংপুরের ৬৩ এবং সিলেটের ১৬ জন রয়েছেন।

অন্যদিকে, কলেজ পর্যায়ে নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী। এর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৯, চট্টগ্রামের ৩, কুমিল্লার ৬, ঢাকার ৪৬, খুলনার ৫৮, ময়মনসিংহের ২০, রাজশাহীর ১০২, রংপুরের ১১ এবং সিলেটের ৮ জন রয়েছেন।

অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে স্কুল ও কলেজ—উভয় পর্যায়েই রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্কুল পর্যায়ে এ সংখ্যা ১২৬ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০২ জন। অর্থাৎ নতুন এমপিওভুক্তির তালিকায় দুই পর্যায়েই শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী অঞ্চল।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের: মাউশি

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন বা অধ্যাদেশ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন সব দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং সাইবার স্পেসে আচরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই নীতিমালাগুলো অমান্য করলে তা সরকারি কর্মচারীর 'আচরণবিধি লঙ্ঘনের' শামিল হবে। এর পাশাপাশি এটি অনেক ক্ষেত্রে 'জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি' এবং 'শাস্তিযোগ্য অপরাধ' হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

এক্ষেত্রে 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং 'সাইবার সুরক্ষা আইন/অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২৫ নং অধ্যাদেশ)'-এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিজ্ঞপ্তিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন

শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো
শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো

২০২৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। আজ রোববার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়েছে:

১. বাংলা দ্বিতীয় পত্র: বাংলা ২য় পত্রের রচনামূলক অংশের প্রশ্ন কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে। 'অনুবাদ' অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অনুবাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ নম্বর এখন থেকে সংবাদ প্রতিবেদনের জন্য বরাদ্দ করা হবে।

২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি): আইসিটি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো থেকে 'সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন' বাদ দেওয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্নের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ নম্বর বহুনির্বাচনি অংশের ১৫ নম্বরের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, আইসিটির বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য মোট ২৫ নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে।

৩. ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং: এই বিষয়ে এখন থেকে ফিন্যান্স অংশ থেকে ৮টি এবং ব্যাংকিং অংশ থেকে ৭টি প্রশ্নসহ মোট ১৫টি সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন থাকবে। শিক্ষার্থীদের যেকোনো একটি বিভাগ থেকে ন্যূনতম ৪টি সহ মোট ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি আরও জানিয়েছে যে, দশম শ্রেণির নির্বাচনি পরীক্ষায়ও বাংলা ২য় পত্র, আইসিটি এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে সংশোধিত প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজন অনুযায়ী প্রশ্ন করতে হবে। এটি একটি অতীব জরুরি নির্দেশনা।

মন্তব্য করুন

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের ফল ১৬ অক্টোবর প্রকাশ হতে পারে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১৬ অক্টোবর প্রকাশ করা হতে পারে। এই তারিখ চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠাবে। মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাবে সায় দিলে ১৬ অক্টোবরই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

একটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "এইচএসসি পরীক্ষার ফল ১৬ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার প্রকাশের বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তারিখ রেখে মন্ত্রণালয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে ১৬ অক্টোবরই ফল প্রকাশ করা হবে।"

এর আগে, বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে ঢাকা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, নিয়ম অনুযায়ী ১৮ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু ১৭ ও ১৮ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) থাকায় ১৬ অক্টোবরের মধ্যেই এইচএসসি ফল প্রকাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেছিলেন যে ফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ। ৯ অক্টোবরের বৈঠকে সব বোর্ড চেয়ারম্যানের মতামত নিয়ে ১২ থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যেই ফল প্রকাশের তারিখ ঠিক করা হবে। বোর্ড থেকে তিনটি তারিখ প্রস্তাব করা হবে, যার মধ্যে একটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। বড় কোনো সমস্যা না হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটিই চূড়ান্ত করবে।

উল্লেখ্য, এ বছর ২৬ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিতের কারণে তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট। নিয়ম অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষের দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। সারাদেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন

মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যাডহক কমিটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব দেবেন ইউএনও ও ডিসি — শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তার প্রতিনিধি পালন করবেন—এ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ১৫ নভেম্বর তারিখে স্বাক্ষরিত অফিস আদেশটি প্রকাশ করে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৭৫৭/২০২৫–এর প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ গত ৮ সেপ্টেম্বর যে পরিপত্র (যেখানে সংশোধিত প্রবিধানমালা-২০২৪ অনুযায়ী নিয়মিত বা অ্যাডহক কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল) জারি করেছিল, তা তিন মাসের জন্য স্থগিত রয়েছে।

এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেখানে প্রবিধানমালা-২০২৪-এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী ইউএনও (উপজেলা পর্যায়) এবং ডিসি বা তার প্রতিনিধি (জেলা পর্যায়) সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অফিস আদেশে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বিলুপ্ত হবে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ালে সংশ্লিষ্ট পরিপত্র তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়।

মন্তব্য করুন

স্মার্টফোন পেলেই টিসি, নান্দাইলের স্কুলে নতুন নির্দেশনা

ময়মনসিংহের নান্দাইলের চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রয়োজনে তাকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অভিভাবক সমাবেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

ইউএনও বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি তাকে টিসিও দেওয়া হতে পারে।

খারাপ ফল করা শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতির নির্দেশ

অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান ইউএনও ফাতেমা জান্নাত। বিশেষ করে নির্বাচনী পরীক্ষায় যারা খারাপ ফল করেছে, তাদের পরবর্তী ক্লাসগুলোতে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরও যদি কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ হয়, তাহলে এর দায় শিক্ষকদের নিতে হবে।

১০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র ১৩

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির ১০৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচনী (প্রি-টেস্ট) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সম্প্রতি ওই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, সব বিষয়ে মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

নবম পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরাও, প্রজ্ঞাপনের আগে পেরোতে হবে ৪ ধাপ

সরকারি চাকরিজীবীদের মতো নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় আসছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। তবে তাদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আর এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে চারটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার সময়ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একই প্রক্রিয়ায় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। ওই সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্মসচিব মো. মজিবুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ১ জুলাই ২০১৫ থেকে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর নির্ধারিত নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর তফসিল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রাপ্য বকেয়া বেতন যথাযথভাবে পরিশোধ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আদেশটি ১ জুলাই ২০১৫ থেকে কার্যকর করা হয় এবং তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পরিচালক (শিক্ষা), জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এ নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অষ্টম পে-স্কেলের সময়ের মতো এবারও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন হবে। এজন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ার চারটি ধাপ শেষ হওয়ার পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মন্তব্য করুন
×