ডিসিইউ ও তিতুমীর কলেজের সমন্বয়হীনতা, ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) ও তিতুমীর কলেজ প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়হীনতার কারণে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ডিসিইউ থেকে ভর্তির নোটিশ দেওয়া হলেও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন এখনো নিজস্ব বিজ্ঞপ্তি ও ফরম প্রকাশ করেনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দূরদূরান্ত থেকে ক্যাম্পাসে আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না এবং তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।


সংশ্লিষ্ট বিভাগের অফিস সহায়কদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ এখনো ক্যাম্পাসে উপস্থিত না থাকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি ক্যাম্পাসে এসে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করলেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। নোটিশ না থাকায় ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।


এই অব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ইংরেজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু রাকিবুল হাসান জানান, ডিসিইউর নোটিশ থাকার পরও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন কেবল অজুহাত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে আসা এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক ভবনের প্রথম তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি নেওয়া হবে না, আবার দ্বিতীয় তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি চলবে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাতও দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে তাদের আবারও কলেজে আসার উপক্রম হয়েছে।


ক্যাম্পাসে এমন অচলাবস্থা বিরাজ করলেও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তির কাজ চলছে। উল্লেখ্য, ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে প্রথমে ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও, পরে তা বাড়িয়ে ১৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

২১ নভেম্বর থেকে স্কুলে ভর্তির আবেদন, লটারি ১৪ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২১ নভেম্বর। এবারও শিক্ষার্থী ভর্তি হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর ২১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

লটারি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর, এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর আগে, ১২ থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনলাইন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবেন এবং শূন্য আসনের তথ্য আপলোড করবেন। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড


আসন ও আবেদনসংখ্যা

গত বছর সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৬২৫টি বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এর মধ্যে—

  • বেসরকারি স্কুল ছিল ৪ হাজার ৯৪৫টি, শূন্য আসন ছিল প্রায় ১০ লাখের বেশি

  • সরকারি স্কুল ছিল ৬৮০টি, শূন্য আসন প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার

তবে চাহিদা ছিল অনেক বেশি। সরকারি স্কুলে আবেদন পড়েছিল ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪টি, অর্থাৎ শূন্য আসনের প্রায় ছয়গুণ। বেসরকারি স্কুলে আবেদন পড়ে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার। ফলে প্রতি বছরই সরকারি ও নামকরা বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে তীব্র।


ভর্তি ফি ও নীতিমালা

ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা
ভর্তি ফি ও অন্যান্য চার্জের সর্বোচ্চ সীমা আগের মতোই থাকছে—

  • মফস্বল এলাকায়: সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা

  • উপজেলা বা পৌর এলাকায়: সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা

  • মহানগর এলাকায় (ঢাকা ছাড়া): সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা

  • ঢাকার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা

  • আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা

  • ইংরেজি ভার্সনের স্কুলে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা হতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়ন ফি হিসেবে ৩,০০০ টাকার বেশি নিতে পারবে না। প্রতি বছর সেশন চার্জ নেওয়া যাবে, তবে পুনঃভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।


বয়সসীমা

আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে ৫ থেকে ৭ বছর
অর্থাৎ, যার জন্ম ১ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০-এর মধ্যে, কেবল তারাই প্রথম শ্রেণিতে আবেদন করতে পারবে।



এই বছরও স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে। লটারির ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাবে পছন্দের বিদ্যালয়ে ভর্তির। সরকারি স্কুলে আসনসংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রতিযোগিতা হবে আগের বছরের মতোই কঠিন।

মন্তব্য করুন

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। জগন্নাথ, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে। আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি উপকমিটি, একাডেমিক কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘আইবিএ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর। ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, ‘চারুকলা’ ইউনিটের ২২ ডিসেম্বর এবং ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন চলবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (৯ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৮০তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সময়সূচি অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ জানুয়ারি। চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ১৫ জানুয়ারি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ২২ জানুয়ারি এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৩ জানুয়ারি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ‘বি’ ইউনিট দিয়ে শুরু করার সুপারিশ করেছে ভর্তি উপকমিটি। রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি উপকমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (বাণিজ্য), ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট—এই সাত শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ জানুয়ারি ২০২৭। পরীক্ষা শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৯ জানুয়ারি, ‘এ’ ইউনিটের ৩০ জানুয়ারি, ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ৩ ফেব্রুয়ারি, ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি, ‘বি’ ইউনিটের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘ডি’ ইউনিটের ৬ ফেব্রুয়ারি এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের আওতায় কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, শিক্ষা এবং চারুকলা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো।

পরদিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা। ‘এ’ ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিন এবং ‘বি’ ইউনিটের আওতায় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য করুন

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শূন্য আসনে ভর্তি, বাড়ল বিষয় চয়েসের সময়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) সংযুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির বিষয় চয়েস দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। কলা ও সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের যেসব আসন এখনো শূন্য রয়েছে, সেগুলোতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নতুন সময়সূচি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ২৯ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে বিষয় চয়েস দেওয়া যাবে। বিষয় ও কলেজভিত্তিক নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ৩০ আগস্ট রাত ১১টায় প্রকাশ করা হবে।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের ৩১ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। সোনালী বিল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ভর্তি ফি হিসেবে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।

বিষয় চয়েস দেওয়ার নিয়ম

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের dcuadmission.org ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে চয়েস ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে করণীয়

পোষ্য (ওয়ার্ড), খেলোয়াড় ও হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) কোটায় ভর্তিচ্ছুদের ২৭ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে কোটার প্রমাণস্বরূপ সনদপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনে কলেজের নাম, পছন্দের বিষয় এবং ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম উল্লেখ করতে হবে।

কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের পর এসব শিক্ষার্থীর বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে। সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরে জানানো হবে।

অন্যদিকে, কোটায় প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে ভর্তি নিশ্চয়ন করা শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে কোটার প্রমাণপত্র, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং পূরণ করা চয়েস ফরমের প্রিন্ট কপি। কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্নের প্রক্রিয়া

প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে ভর্তি ফরম, পে-স্লিপ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে মূল নম্বরপত্র ও সত্যায়িত কপি, সর্বশেষ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের পাঁচ কপি ছবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রমের নিয়ম ও শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন কিংবা নতুন কিছু সংযোজনের অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

মন্তব্য করুন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া শুরু

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য বা চাহিদা সংগ্রহ শুরু করেছে সংস্থাটি।

চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা:

  • শুরু: বুধবার (১৯ নভেম্বর)

  • শেষ: আগামী ২৮ নভেম্বর

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সমস্ত পদ ৩০ সেপ্টেম্বরের (২০২৫) মধ্যে শূন্য হয়েছে, শুধুমাত্র সেই এমপিওভুক্ত পদগুলোর চাহিদা অনলাইনে দিতে হবে।

নির্দেশিকা ও নীতিমালা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিতে হবে।

  • শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে দেওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ই-রিকুইজিশন ফি জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • শুধুমাত্র এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করা হবে।

  • পূর্বের জারি করা কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেওয়া অনলাইন চাহিদা বহাল থাকবে না

  • অফলাইনে, হার্ডকপিতে বা ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না

এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিম্নলিখিত প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইনে এই চাহিদা জমা দিতে পারবেন:

  •  ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd

  • অথবা, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) "ই-রিকুইজিশন" সেবা বক্সের "ই-রিকুইজিশন লগইন" অপশনে ক্লিক করে।

মন্তব্য করুন
×