পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। জগন্নাথ, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে। আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি উপকমিটি, একাডেমিক কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘আইবিএ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর। ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, ‘চারুকলা’ ইউনিটের ২২ ডিসেম্বর এবং ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন চলবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (৯ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৮০তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সময়সূচি অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ জানুয়ারি। চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ১৫ জানুয়ারি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ২২ জানুয়ারি এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৩ জানুয়ারি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ‘বি’ ইউনিট দিয়ে শুরু করার সুপারিশ করেছে ভর্তি উপকমিটি। রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি উপকমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (বাণিজ্য), ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট—এই সাত শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ জানুয়ারি ২০২৭। পরীক্ষা শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৯ জানুয়ারি, ‘এ’ ইউনিটের ৩০ জানুয়ারি, ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ৩ ফেব্রুয়ারি, ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি, ‘বি’ ইউনিটের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘ডি’ ইউনিটের ৬ ফেব্রুয়ারি এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের আওতায় কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, শিক্ষা এবং চারুকলা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো।

পরদিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা। ‘এ’ ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিন এবং ‘বি’ ইউনিটের আওতায় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য করুন

বিকেএসপিতে বি-স্পোর্টস কোর্সে ভর্তি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তিন বছর মেয়াদি বি-স্পোর্টস প্রথম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। জাতীয়, বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ে খেলাধুলার অভিজ্ঞতা থাকা নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা এ কোর্সে আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের সময়সূচি

অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায়। পরীক্ষা নেওয়া হবে বিকেএসপির জিরানী, সাভার, ঢাকা ক্যাম্পাসে।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকেএসপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

২০২১, ২০২২ বা ২০২৩ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৩, ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি প্রার্থীদের জাতীয়, বিভাগীয় অথবা জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ছেলেদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, অ্যাথলেটিক্স, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, বাস্কেটবল, বক্সিং ও শুটিং।

মেয়েদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, ফুটবল, ক্রিকেট, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, শুটিং ও হকি।

আবেদন ও ফি

ভর্তি আবেদনের জন্য ১ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

আবেদন করতে হবে bkspds.gov.bd অথবা bksp.gov.bd ওয়েবসাইটে।

আবেদনের ধাপগুলো হলো—Applicant Registration > Apply > Admission on B.Sports (pass) Under NU 2025-2026 > Form Fillup > Submit > Payment > PDF Download > Print।

পরীক্ষার দিন যা সঙ্গে নিতে হবে

ক্রীড়া মেধা যাচাইয়ের দিন প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের প্রিন্ট কপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং এসএসসি ও এইচএসসির মার্কশিট, প্রশংসাপত্র ও খেলার অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এসব কাগজপত্র সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট খেলার উপযোগী পোশাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সঙ্গে আনতে হবে।

চূড়ান্ত ভর্তির সময় প্রার্থীকে খেলার সনদপত্র এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে।

যোগাযোগ

ভর্তি-সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে ০১৭১৩২৪৬০৪০, ০১৯১৭৭৮০৪৩০ ও ০১৭২০২০৬০৭৬ নম্বরে।

অনলাইন রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত সমস্যায় ০১৬৭২০৯৩৩৪৬ নম্বরে অফিস চলাকালীন সময়ে যোগাযোগ করা যাবে।

মন্তব্য করুন

বিটাকে ৮ ট্রেডে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ৪০০ টাকা বৃত্তি

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (৪আইআর) সংশ্লিষ্ট আধুনিক ও স্মার্ট প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) ঢাকাকেন্দ্রে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের (এসআইসিআইপি) আওতায় অষ্টম ব্যাচের এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে উপস্থিতির ভিত্তিতে প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বৃত্তির অর্থ সনদপত্র দেওয়ার সময় এবং বাকি ২০ শতাংশ চাকরিতে প্রবেশের পর প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার ভিত্তিতে দেওয়া হবে।

যেসব ট্রেডে প্রশিক্ষণ

এবার মোট আটটি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এগুলো হলো—

১. নিউমেটিক অ্যান্ড হাইড্রোলিক সিস্টেম অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স
২. ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট অপারেশন অ্যান্ড ট্রাবলশুটিং
৩. ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স অ্যাপ্লিকেশন
৪. অ্যাডভান্স সিএনসি মেশিনিং সেন্টার অপারেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিস
৫. ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন
৬. থ্রিডি প্রিন্টিং অ্যান্ড থ্রিডি স্ক্যানিং উইথ সলিডওয়ার্কস
৭. ক্যাড-ক্যাম (মেকানিক্যাল)
৮. ড্রোন অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স

প্রতি ট্রেডে ২৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণের সময়সূচি

প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস বা ৩০০ ঘণ্টা। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলবে।

যোগ্যতা

আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া এসএসসি পাস এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে কমপক্ষে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।

আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনের সঙ্গে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ও স্ট্যাম্প সাইজের এক কপি ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সত্যায়িত কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব ও পারিবারিক আয়ের সনদপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদন যেভাবে

আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে বিটাকের অ্যাডভান্সড ট্রেনিং অ্যান্ড ইনোভেশন কমপ্লেক্স (এটিআইসি), অফিস কক্ষ-৯ম তলায়। এছাড়া বিটাকের ওয়েবসাইটের প্রশিক্ষণ সেবা বক্স এবং ফেসবুক পেজ ‘SICIP-BITAC’ থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৪ অক্টোবর ২০২৬। নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ অক্টোবর ২০২৬।

প্রশিক্ষণসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য ০১৭৯৭১১২৩৪১ (হোয়াটসঅ্যাপ) নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

মন্তব্য করুন

বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলছে। গত ২১ নভেম্বর শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি আবেদনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত পাঁচ দিনে ৩ লাখ ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে। এসব শিক্ষার্থী মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজারটি পছন্দক্রম দিয়েছে (একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় বেছে নিতে পারে)।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, এবার সারাদেশে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।

দেশব্যাপী মোট শূন্য আসন রয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬৮৮টি সরকারি বিদ্যালয়ের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি পছন্দক্রম দিয়েছে।

অন্যদিকে, তিন হাজার ৩৬০টি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৮ হাজার ৭৬২টি, পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি।

মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, আবেদন করার জন্য আরও ১০ দিন সময় রয়েছে। আবেদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আবেদন শেষ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লটারি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

এইচএসসি ফল অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রকাশ হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। ফল প্রকাশে দেরি হলে পিছিয়ে যেতে পারে ভর্তি পরীক্ষাও।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এইচএসসি ফলের ওপর

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ না হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করেছি। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে এইচএসসি ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশের ওপর।’

তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে দেশের কিছু অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে শেষ হয়েছে। ফলে ফল প্রকাশেও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ হতে পারে।

মহাপরিচালক বলেন, অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসি ফল প্রকাশ করা সম্ভব হলে ৪ ডিসেম্বরই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে। তবে এর মধ্যে ফল প্রকাশ না হলে জটিলতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রায় এক মাস সময় থাকে। ফলে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও নম্বর বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, যুক্ত হতে পারে আরও ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন
×