ভুল চাহিদায় ১৯৫ শিক্ষক প্রতিস্থাপন, বিপাকে বদলিপ্রত্যাশীরা

৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে এসব পদে বদলির জন্য আবেদন করা শিক্ষকদের অনেকেই এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে কথা বলেছেন মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপনের কারণে যেসব পদে বদলির আবেদনকারীরা সমস্যায় পড়েছেন, তাদের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। টেলিটক ও মাউশির মধ্যে অনুষ্ঠেয় সভায় এ বিষয়ে সমাধানের পথ খোঁজা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো—ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়া। উপজেলায় সুযোগ না থাকলে জেলায় এবং জেলা পর্যায়েও সুযোগ না থাকলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ।

এদিকে, ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের পদে আগে থেকেই বদলির আবেদন করেছিলেন অনেক শিক্ষক। নতুন করে পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় তাদের বদলি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী বদলিপ্রত্যাশীদের জন্য বিকল্প প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মাউশি।

মন্তব্য করুন

মাধ্যমিকের সব শিক্ষকের জন্য সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষককে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করে সনদ সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় এ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে নির্ধারিত কোর্সটি সম্পন্ন করে সনদ ডাউনলোড করতে হবে শিক্ষকদের।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় অনলাইন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সটি চালু করা হয়েছে। কোর্সে অংশ নিতে শিক্ষকরা নিজেদের পিডিএস আইডি ব্যবহার করে লগইন বা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব শিক্ষককে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোর্সটি সম্পন্ন করে অনলাইন থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে বলা হয়েছে।

থাকছে ৬টি মডিউল

মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, অনলাইন ইন্টার‌্যাকটিভ কোর্সটিতে মোট ছয়টি মডিউল রয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ মডিউলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি বাস্তব শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

শিক্ষকরা ওই কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর এর ছবি বা ভিডিও নির্ধারিত লিংকে শেয়ার করবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই দেওয়া রয়েছে।

ছয়টি মডিউল ও নির্ধারিত শ্রেণি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করলে শিক্ষকরা মাউশি ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালকের স্বাক্ষরযুক্ত সনদ অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সহায়তার নির্দেশ

প্রশিক্ষণটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষককে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাউশি জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যবহারে সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়াতেও এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য করুন

বিকেল ৩টার মধ্যে TEMIS-এ বিল সাবমিট করতে হবে, ভুল তথ্যের দায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানের

কারিগরি শিক্ষকদের সেপ্টেম্বরের এমপিও বিল সাবমিটের শেষ সময় ১৮ সেপ্টেম্বর

এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের বেতনের বিল অনলাইনে সাবমিটের নির্দেশনা দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিল অনলাইনে সাবমিট করতে হবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি দেশের সব কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এমপিওর অর্থ EFT-এর মাধ্যমে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের জন্য অনলাইনে ‘Bill Submit’ অপশন চালু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা TEMIS সফটওয়্যারে লগইন করে আগের নিয়মে ‘Monthly Salary Submission’ অপশনে গিয়ে সেপ্টেম্বরের বিল সাবমিট করবেন।

এ ছাড়া এমপিও তালিকাভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর স্ট্যাটাস পরিবর্তন হলে—যেমন মৃত্যু, পদত্যাগ বা অবসর—TEMIS সফটওয়্যারের ‘Non Govt. Employee EFT Employee Status Change (iBAS++ Validated)’ অপশনে তা এন্ট্রি করতে হবে।

কোনো শিক্ষক-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বিধি অনুযায়ী আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ বেতন পাওয়ার অনুপযুক্ত হলে ‘Bill Submit’ অপশন থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার মধ্যে এমপিওর বিল EFT-তে সাবমিট করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিল দাখিলের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ EFT-তে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ পাঠাতে জটিলতা সৃষ্টি হলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানের ওপর বর্তাবে।

মন্তব্য করুন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকেরা হলেন—বরগুনা জিলা স্কুলের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের গভ. মুসলিম হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা) মোহাম্মদ ওসমান গনি, ময়মনসিংহের ভালুকা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মুহাম্মদ জাহিদুল হাসান খান এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) মাহফুজা খানম।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট চার শিক্ষকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ অব্যাহতি দুটি শর্তের অধীনে কার্যকর হবে।

শর্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে তাদের নামে কোনো সরকারি পাওনা উদঘাটিত হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদন এবং চাকরির নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ায় তারা কোনো ধরনের আর্থিক বা অনার্থিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

এর মধ্যে পেনশন, আনুতোষিকসহ চাকরিসংক্রান্ত অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও প্রযোজ্য হবে না বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়বে ধাপে ধাপে, জেনে নিন নতুন বেতন

নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন এই বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। সরকারি চাকরিজীবীদের মতো আগামী ১ জুলাই থেকেই তাদের নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছে।

নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন (বেসিক) সরকারি চাকরিজীবীদের মতোই গ্রেড অনুযায়ী বাড়বে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতা যেভাবে বাড়বে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা একই হারে সেই সুবিধা পাবেন না। এমনকি নতুন কাঠামোয় টেলিফোন বিল পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

তিন ধাপে বাড়বে বেসিক

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোয় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন তিন ধাপে বাড়ানো হবে। প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসিক ৩০ শতাংশ বাড়বে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে মোট ৬৫ শতাংশ হবে। সর্বশেষ ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেসিক শতভাগ বাড়বে বলে জানা গেছে।

নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর অন্যান্য চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধাও বাতিল হয়ে যাবে।

কোন গ্রেডে কত বেতন

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের মূল বেতন ৫০ হাজার থেকে ৯১ হাজার ২০০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তা বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা।

ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের বর্তমান মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬৭ হাজার ১০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

সপ্তম গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের বর্তমান বেতন ২৯ হাজার থেকে ৬৩ হাজার ৪১০ টাকা। নতুন পে-স্কেলে তা বেড়ে হবে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা।

নবম গ্রেডের প্রভাষকদের বর্তমান মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা। নতুন কাঠামোয় এই বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিএড ডিগ্রিধারীরা ১০ম গ্রেডে বেতন পান। এ গ্রেডে বর্তমানে মূল বেতন ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা।

১১তম গ্রেডের সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা।

১৬তম গ্রেডের জুনিয়র শিক্ষক, অফিস সহকারী, হিসাব সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটরদের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। নতুন পে-স্কেলে তা বেড়ে হবে ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

১৮তম গ্রেডের ল্যাব সহকারীদের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।

অন্যদিকে, ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়াদের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তাদের মূল বেতন বেড়ে হবে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা।

অর্থাৎ, নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সরকারি চাকরিজীবীদের মতো সব ধরনের ভাতা ও সুবিধা একইভাবে বাড়বে না।

মন্তব্য করুন

শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ: দিনটি ‘ঐতিহাসিক’ - উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ বলেও মনে করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ করার বিষয়ে সম্মতিপত্র জারি করে। এরপর এক বিবৃতিতে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আজকের এই দিনটি শিক্ষা বিভাগের জন্য সত্যিই ঐতিহাসিক। চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়িভাড়া কার্যকর হবে, আর ২০২৬ সালের জুলাই থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট ১৫ শতাংশ ভাতা চালু হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সম্মানিত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতে পেরে একজন শিক্ষক হিসেবে এবং শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষা উপদেষ্টা বিশ্বাস করেন—শিক্ষকরা সমাজে আরও বেশি সম্মানের দাবিদার, এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে।

সি আর আবরার বলেন, “বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পথটা সহজ ছিল না। নানা মতভেদ, বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল। কিন্তু কোনো বিতর্কে জড়ানো ছাড়া আমরা ন্যায্য ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেই কাজ করে গেছি।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নেপথ্যে থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টা পরিষদ এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “এটি কারও একার অর্জন নয়; এটি যৌথ সাফল্য। শিক্ষকদের আন্দোলন আমাদের বাস্তবতা বুঝিয়েছে, সরকার দায়িত্বশীলভাবে সাড়া দিয়েছে, আর একসঙ্গে কাজ করার ফলেই আমরা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি—যেখানে সম্মান, সংলাপ ও সমঝোতাই জয়ী হয়েছে।”

শেষে তিনি বলেন, “এখন সময় ক্লাসে ফেরা, শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়া—আমাদের আসল কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার। আজকের এই সমঝোতা হোক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও মানসম্মত শিক্ষার নতুন সূচনা। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে পারব।”

মন্তব্য করুন

এসএসসি ২০২৬ পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পাশাপাশি পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। একই সময়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।

শিক্ষার্থীদের ফলাফল জানতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলও বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

ফল প্রকাশের সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা
ফল পাওয়া যাবে: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে
এসএমএস: পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে

মন্তব্য করুন
×