ফাতেহা-ই ইয়াজদাহমের ছুটির তারিখ পরিবর্তন

পবিত্র ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি থাকবে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপন আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত ছুটির তালিকায় পবিত্র ফাতেহা-ই ইয়াজদাহমের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর ফলে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকায় ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে পূর্বনির্ধারিত তারিখের পরিবর্তে ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি কার্যকর হবে।

মন্তব্য করুন

বগুড়ায় মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার স্কুল সরকারি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ‘শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’কে সরকারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (১১ ভাদ্র ১৪৩৩) থেকে বিদ্যালয়টি ‘শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও কর্মচারীদের সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণ করা হবে। তবে আত্তীকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি বদলিযোগ্য হবে না।

জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

মন্তব্য করুন

আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

অবসরভাতা না পেয়ে অনিশ্চয়তায় ৮৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী

অবসরে যাওয়া শিক্ষক
অবসরে যাওয়া শিক্ষক

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী চার বছর ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। নিয়মিত চাঁদা দেওয়া সত্ত্বেও অবসরের পর তারা প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছেন না। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অবসরের ছয় মাসের মধ্যে ভাতা পরিশোধ করার কথা থাকলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা বাস্তবায়ন করতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট জানিয়েছে, জমে থাকা আবেদন নিষ্পত্তিতে এখনই প্রয়োজন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সম্প্রতি সরকার দিয়েছে মাত্র ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা—যার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা বন্ড আকারে অবসর সুবিধা বোর্ডে এবং ২০০ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে কল্যাণ ট্রাস্টে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সংকট নিরসন হবে না। বর্তমানে একটি আবেদন নিষ্পন্ন হতে গড়ে আড়াই বছর সময় লেগে যাচ্ছে।

এদিকে, আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ ধারদেনা করে চলছেন, আবার অনেকে টাকা না পেয়ে মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা প্রাপ্য পাওয়ার জন্য ছুটছেন।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না হলে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব ও সমাজে তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে। তরুণ প্রজন্মও শিক্ষা পেশায় আগ্রহ হারাতে পারে। তাদের মতে, শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ব্যয় করাতেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের হিসাবে, বর্তমানে ৪৫ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন, যার জন্য প্রয়োজন ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টে ৪২ হাজার ৬০০ আবেদন জমে আছে, যা নিষ্পত্তি করতে লাগবে প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। অথচ বোর্ডের মাসিক চাহিদা ৬৫ কোটি টাকা হলেও জমা হয় মাত্র ৫৫ কোটি টাকা, ফলে প্রতিবছর প্রায় ১২০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

চাকরিকালে কাটা টাকা

অবসর সুবিধার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬% এবং কল্যাণ সুবিধার জন্য ৪% টাকা কেটে রাখা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে—এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরের জন্য ও ৩০ টাকা কল্যাণের জন্য। অর্থাৎ, চাকরিকালে নিজেদের জমানো টাকা ফেরত পেতে এখন বছরের পর বছর ধরনা দিতে হচ্ছে শিক্ষকদের।

সমাধানের দাবি

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা বলছেন, সংকট সমাধানে প্রয়োজন এককালীন বিশেষ বরাদ্দ। নাহলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্ভোগ দীর্ঘদিন চলতেই থাকবে।


 

মন্তব্য করুন

প্রধান-সহকারী প্রধান নিয়োগে থাকছে না কমিটির কর্তৃত্ব; এনটিআরসিএর সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগে ক্ষমতা বহাল

ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা কমছে, সভাপতি পদে জনপ্রতিনিধিদের সুযোগ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির ক্ষমতার কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন প্রবিধানমালায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা কমিটির হাতে না রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক সুপারিশকৃত শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীদের পদোন্নতির ক্ষমতা বহাল রাখা হচ্ছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাপক্ষে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত প্রবিধানমালা নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুমোদনের পর এটি চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি সরকারের সিদ্ধান্ত ও প্রচলিত বিধি অনুসরণ করে কর্মচারী নিয়োগ করতে পারবে। পাশাপাশি এনটিআরসিএর সুপারিশকৃত বা প্রত্যয়নকৃত নতুন শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শিক্ষক ও কর্মচারীদের পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষমতাও কমিটির হাতে থাকবে।

তবে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের মতো ম্যানেজিং কমিটির কর্তৃত্ব থাকছে না। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রবিধানমালায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রধান ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে থাকলেও প্রস্তাবিত নতুন প্রবিধানমালায় সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সভাপতি মনোনয়নে ফিরছে জনপ্রতিনিধিদের সুযোগ

কমিটির ক্ষমতা কমানোর পাশাপাশি সভাপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবনায় স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি হওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত প্রবিধানমালায় বলা হয়েছে, সভাপতি মনোনয়নের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধান, ক্ষেত্রমত বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি এবং স্থানীয় খ্যাতিমান সমাজসেবকদের মধ্য থেকে তিনজনের নাম ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হবে।

অর্থাৎ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি অন্য যোগ্য ব্যক্তিদেরও সভাপতি হওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে জনপ্রতিনিধিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ফলে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সংশোধিত প্রবিধানমালায় সভাপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুযোগ রাখা হয়নি। তখন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গ্রেডের কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে তিনজনের নাম প্রস্তাবের বিধান করা হয়েছিল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি পদে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির অর্থ হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুনরায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা। যদিও এ পদে অন্যদেরও সুযোগ রয়েছে; তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির নাম আসলে অন্যদের এ পদে বসার সুযোগ কম।’

প্রস্তাবিত প্রবিধানমালা চূড়ান্ত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কাঠামোয় একদিকে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা কমবে, অন্যদিকে সভাপতি মনোনয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।

মন্তব্য করুন

৫৪ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা এবং শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পের আওতায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দেওয়ার সংস্থান রাখা হয়েছে।

তৈরি হবে মাস্টার ট্রেইনার পুল

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য চার বিষয়ের দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে একটি বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে মাউশির মহাপরিচালক কর্তৃক প্রশিক্ষক নির্বাচন নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, পেশাগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্যদের বাছাই করে মাস্টার ট্রেইনার পুল প্রস্তুত করা হবে।

আবেদনে যেসব শর্ত

মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কর্তৃপক্ষের অগ্রায়ণপত্র দাখিল করতে হবে। ওই অগ্রায়ণপত্রে আবেদনকারীকে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের অনুমতি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য প্রশিক্ষণে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীর প্রশিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র বা প্রযোজ্য অন্যান্য সনদ ও অফিস আদেশ থাকলে সেগুলোর প্রমাণকও দাখিল করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত অনলাইন লিংকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের পর তাদের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

ভুল চাহিদায় ১৯৫ শিক্ষক প্রতিস্থাপন, বিপাকে বদলিপ্রত্যাশীরা

৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে এসব পদে বদলির জন্য আবেদন করা শিক্ষকদের অনেকেই এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে কথা বলেছেন মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপনের কারণে যেসব পদে বদলির আবেদনকারীরা সমস্যায় পড়েছেন, তাদের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। টেলিটক ও মাউশির মধ্যে অনুষ্ঠেয় সভায় এ বিষয়ে সমাধানের পথ খোঁজা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো—ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়া। উপজেলায় সুযোগ না থাকলে জেলায় এবং জেলা পর্যায়েও সুযোগ না থাকলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ।

এদিকে, ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের পদে আগে থেকেই বদলির আবেদন করেছিলেন অনেক শিক্ষক। নতুন করে পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় তাদের বদলি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী বদলিপ্রত্যাশীদের জন্য বিকল্প প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মাউশি।

মন্তব্য করুন

২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত ২২৭ প্রভাষকের খসড়া তালিকা প্রকাশ

২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত প্রভাষক পর্যায়ের ২২৭ শিক্ষকের চাকরি স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত প্রভাষক পর্যায়ের শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে তাদের চাকরিসংক্রান্ত সার্বিক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা এ খসড়া তালিকা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

খসড়া তালিকায় কোনো শিক্ষকের নামের পাশে মন্তব্য কলামে এসিআর (বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন) সংক্রান্ত মন্তব্য থাকলে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই মন্তব্যের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণক উপপরিচালক (কলেজ-১)-এর কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এসিআর সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া বর্তমান কর্মস্থল, নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ, জন্মতারিখ, নিজ জেলা ইত্যাদি তথ্যের কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করার পরও খসড়া তালিকায় কোনো শিক্ষকের নাম না থাকলে তাকেও আবেদনপত্র ও প্রামাণ্য কাগজপত্র আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ddgovtcollege@gmail.com ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগদান, নিয়মিতকরণ, বিভাগীয় পরীক্ষা ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য হালনাগাদের পর অধ্যক্ষের মাধ্যমে পিডিএস (পার্সোনাল ডাটা শিট) অনুমোদন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, খসড়া তালিকায় প্রকাশিত তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রমাণক জমা দিতে হবে। পরবর্তী কার্যক্রমে এসব তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন
×