জিএসটি গুচ্ছে এবার ৪ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১৯ মার্চ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে ২৭ মার্চ।

এবার প্রথমবারের মতো চারটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এ’, মানবিকের জন্য ‘বি’, বাণিজ্যের জন্য ‘সি’ এবং আর্কিটেকচারের জন্য ‘ডি’ ইউনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মার্চ। পরদিন ২০ মার্চ ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত জিএসটি গুচ্ছে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’—এই তিন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। আর্কিটেকচার বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষার দিন।

এবার আর্কিটেকচারের জন্য আলাদা ‘ডি’ ইউনিট চালু করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গুচ্ছভুক্ত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়—পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার বিষয় রয়েছে। এবার এ বিষয়ের জন্য আলাদা ইউনিট ও আলাদা সময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে সকাল ও বিকেলে ‘এ’ ইউনিট এবং আর্কিটেকচারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা আলাদা

মন্তব্য করুন

খুবির ‘ডি’ ইউনিটে বিভাগভেদে আলাদা সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা বিষয়ের ওপর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও গণিত বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।

অধ্যাপক ড. রুমানা হক জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের অধীনে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগভিত্তিক সিলেবাস নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আদলে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সিলেবাস নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ভর্তি পরীক্ষায় কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকবে, সেই মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক।

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া শুরু

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য বা চাহিদা সংগ্রহ শুরু করেছে সংস্থাটি।

চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা:

  • শুরু: বুধবার (১৯ নভেম্বর)

  • শেষ: আগামী ২৮ নভেম্বর

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সমস্ত পদ ৩০ সেপ্টেম্বরের (২০২৫) মধ্যে শূন্য হয়েছে, শুধুমাত্র সেই এমপিওভুক্ত পদগুলোর চাহিদা অনলাইনে দিতে হবে।

নির্দেশিকা ও নীতিমালা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিতে হবে।

  • শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে দেওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ই-রিকুইজিশন ফি জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • শুধুমাত্র এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করা হবে।

  • পূর্বের জারি করা কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেওয়া অনলাইন চাহিদা বহাল থাকবে না

  • অফলাইনে, হার্ডকপিতে বা ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না

এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিম্নলিখিত প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইনে এই চাহিদা জমা দিতে পারবেন:

  •  ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd

  • অথবা, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) "ই-রিকুইজিশন" সেবা বক্সের "ই-রিকুইজিশন লগইন" অপশনে ক্লিক করে।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে পারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, একটি সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী দুয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত তারিখ জানা যাবে।

সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই দিনটি চূড়ান্ত হবে। ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে ডিসেম্বরের অন্য কোনো শুক্রবারে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

এর আগে গত আগস্টে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন জানিয়েছিলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসেই মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। গত দুই বছরও একই মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এবারও ডিসেম্বরেই পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর

প্রতিবছর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির মৌসুম শুরু হয়। তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এখন পর্যন্ত সবার আগে ভর্তি পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর এবং চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ছাড়া বাকি পরীক্ষাগুলো শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সূচি অনুযায়ী, ৫ ডিসেম্বর আইবিএ, ১২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান, ১৯ ডিসেম্বর কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা এবং ২৬ ডিসেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ফলে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সময়সূচিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

এইচএসসি ফল অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রকাশ হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। ফল প্রকাশে দেরি হলে পিছিয়ে যেতে পারে ভর্তি পরীক্ষাও।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এইচএসসি ফলের ওপর

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ না হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করেছি। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে এইচএসসি ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশের ওপর।’

তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে দেশের কিছু অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে শেষ হয়েছে। ফলে ফল প্রকাশেও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ হতে পারে।

মহাপরিচালক বলেন, অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসি ফল প্রকাশ করা সম্ভব হলে ৪ ডিসেম্বরই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে। তবে এর মধ্যে ফল প্রকাশ না হলে জটিলতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রায় এক মাস সময় থাকে। ফলে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও নম্বর বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

মন্তব্য করুন

রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০০-র বেশি শিক্ষার্থী

রাজধানীর উত্তরার রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবারও এইচএসসি পরীক্ষায় দারুণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ১৬৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবল একজন অকৃতকার্য হয়েছেন। অর্থাৎ, ১৬৯২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফলে দেখা যায়, রাজউকের ১২১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যেরই প্রতিফলন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়—

  • বিজ্ঞান বিভাগে ১১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৩২ জন পাস করেছেন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৬৩ জন শিক্ষার্থী।

  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, সবাই পাস করেছে। এদের মধ্যে ১৮৬ জনের ফল জিপিএ-৫।

  • মানবিক বিভাগেও ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ৬৯ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

অন্যদিকে, জাতীয়ভাবে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর (২০২৪) এই হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে এবারে পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

তবে জাতীয় গড়ের তুলনায় রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফল অনেক এগিয়ে, যা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

মন্তব্য করুন
×