বাংলাদেশ–জার্মান কারিগরি কেন্দ্রে বিনা মূল্যে পাঁচটি কোর্সে প্রশিক্ষণ, আবেদন ২৪ জুলাই পর্যন্ত

বাংলাদেশ–জার্মান কারিগরি কেন্দ্র
বাংলাদেশ–জার্মান কারিগরি কেন্দ্র

বাংলাদেশ–জার্মান কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের 'অ্যাসেট' (ASSET) প্রকল্পের অধীনে কর্মসংস্থানের উপযোগী পাঁচটি স্বল্পমেয়াদি কোর্সে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষ সুবিধা হলো, এই কোর্সটিতে সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আগ্রহী নারী ও পুরুষ প্রশিক্ষণার্থীদের আগামী ২৪ জুলাই ২০২৫, বিকেল চারটার মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

কোর্স ও যোগ্যতা:

কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী মোট পাঁচটি কোর্সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কোর্সের ভিত্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিন্নতা রয়েছে:

কোর্সের নাম

শিক্ষাগত যোগ্যতা

প্রশিক্ষণার্থী

১. ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স (ইআইএম)

অষ্টম শ্রেণি

নারী ও পুরুষ

২. টেইলরিং অ্যান্ড ড্রেস মেকিং

অষ্টম শ্রেণি

নারী ও পুরুষ

৩. রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং

অষ্টম শ্রেণি

নারী ও পুরুষ

৪. কম্পিউটার অপারেশন

এসএসসি পাস

শুধু নারী

৫. ক্যাড অপারেশন

এসএসসি পাস

শুধু নারী

প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুবিধা:

  • কোর্সের মেয়াদ: ৩ মাস (৩৬০ ঘণ্টা)।

  • আসনসংখ্যা: প্রতিটি কোর্সে ২৪টি করে আসন রয়েছে।

  • ভাতা: প্রশিক্ষণার্থীরা অ্যাসেট প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী সব সুবিধা ও ভাতা পাবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া ও সময়সূচি:

আগ্রহী প্রার্থীরা নিম্নোক্ত কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিতে পারবেন:

  • প্রার্থীর তিন কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি।

  • শিক্ষাগত যোগ্যতার ফটোকপি।

ধাপ

তারিখ

সময়

আবেদনের শেষ তারিখ

২৪ জুলাই ২০২৫

বিকেল ৪টা পর্যন্ত

ভর্তি পরীক্ষা (লটারি বা সাক্ষাৎকার)

২৮ জুলাই ২০২৫

সকাল ৯টায় (নিজ নিজ ট্রেডে)

ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি

২৯ জুলাই ২০২৫

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত

অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তি

৩০ জুলাই ২০২৫

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত

ক্লাস শুরুর তারিখ

৩ আগস্ট ২০২৫

-

মন্তব্য করুন

কারিগরি শিক্ষকদের বদলি হবে কয়েক ধাপে, মিলেছে ৯০০ শূন্য পদের তথ্য

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম কয়েক ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রথম ধাপেই বিপুলসংখ্যক শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বদলি কার্যক্রমের জন্য দেশের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে অধিদপ্তর। এখন পর্যন্ত ৯০০টির বেশি শূন্য পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে চূড়ান্তভাবে শূন্য পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (এমপিও) মোহাম্মদ আবু সাঈম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রথম ধাপে কতজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করবেন, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে কয়েক ধাপে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, বদলির জন্য প্রয়োজনীয় শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ এখনো চলছে। এ পর্যন্ত ৯০০টির বেশি শূন্য পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়ার পর মোট শূন্য পদের সংখ্যা জানা যাবে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ২২ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হয়ে কর্মরত আছেন। তাঁদের বদলির ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠানে কোন পদ বা বিষয়ের শূন্যতা রয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা অনলাইনে বিভিন্ন পদ ও বিষয়ের বিপরীতে শূন্য পদের সংখ্যা জানাচ্ছেন।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া নাও যেতে পারে। এ বিষয়ে মোহাম্মদ আবু সাঈম বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর ই-মেইল তৈরি ও তথ্য দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া না গেলেও পরবর্তী সময়ে তা সংগ্রহ করা হবে।

সফটওয়্যারের মাধ্যমে হবে বদলি

এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য দেশের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব ই-মেইল তৈরি করে ৩০ আগস্টের মধ্যে অধিদপ্তরকে জানানোর কথা বলা হয়।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের গত ২০ মে’র চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালার আওতায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ই-মেইল প্রয়োজন হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন শিক্ষকরা

বদলির আবেদন শুরু হলে শিক্ষকরা অনলাইনে নিজেদের তথ্য দিয়ে সফটওয়্যারে প্রবেশ করতে পারবেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা ট্রেডের কোন কোন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ রয়েছে, তা দেখার সুযোগ থাকবে। পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পদ খালি থাকলে শিক্ষকরা সেখানে বদলির আবেদন করতে পারবেন।

বদলি কার্যক্রমে একটি প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণ হওয়ার পাশাপাশি অন্য একটি পদ নতুন করে শূন্য হলে সেটিও পরবর্তী ধাপে বিবেচনায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ কোনো শিক্ষক এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি হলে তিনি যে পদটি ছেড়ে যাবেন, সেটি নতুন শূন্য পদ হিসেবে সফটওয়্যারে যুক্ত হবে। পরবর্তী ধাপে ওই পদে অন্য কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সব প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের পর সফটওয়্যারভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপর আবেদনকারীর সংখ্যা ও শূন্য পদের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে কয়েক ধাপে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

মন্তব্য করুন

নিয়োগের পরই এমপিও নয়, যে কারণে বেতন পেতে সময় লাগে

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেয়ে যোগদান করলেই সঙ্গে সঙ্গে এমপিওভুক্ত হন না শিক্ষকরা। নিয়োগের পর শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সনদ, পদ, বিষয় বা ট্রেডসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করতে হয়। এরপর নির্ধারিত কমিটির অনুমোদন, মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়া ও বাজেটসংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ হলে এমপিও কার্যকর করা হয়।

এ কারণে নিয়োগ ও যোগদানের পর বেতন-ভাতা পেতে শিক্ষকদের কিছুটা সময় লাগে বলে জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (এমপিও) মোহাম্মদ আবু সাঈম  বলেন, কোনো শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ার পর যোগদানের দিন থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁর এমপিও কার্যকর হয় না। নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ধাপগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর এমপিও কার্যকর করা হয়।

তিনি বলেন, ‘কোনো শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার আগে তাঁর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যোগ্যতা যাচাই করা হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা, সনদসহ নিয়োগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য পরীক্ষা করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর এমপিও কার্যকরের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়।’

সাত সদস্যের কমিটির অনুমোদন

এমপিও কার্যকরের নিয়ম তুলে ধরে মোহাম্মদ আবু সাঈম বলেন, ‘আমাদের নীতিমালায় বলা হয়েছে, সাত সদস্যের কমিটিতে অনুমোদন হওয়ার পর থেকে তাঁর এমপিও কার্যকর হবে। অর্থাৎ শুধু নিয়োগপত্র পাওয়া বা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলেই বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকার কার্যকর হয় না; এমপিও অনুমোদনের নির্ধারিত ধাপও সম্পন্ন করতে হয়।’

তিনি জানান, এমপিও অনুমোদনের আগে শিক্ষকের সনদ ও যোগ্যতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যাচাইয়ের সময় সনদে সমস্যা, এমনকি জাল সনদের মতো বিষয়ও ধরা পড়তে পারে।

একইভাবে নিয়োগের সময় কোনো শিক্ষক প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন কি না, পরবর্তী সময়ে সেই যোগ্যতা অর্জন করেছেন কি না—এসব বিষয়ও নীতিমালা অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।

মোহাম্মদ আবু সাঈম বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের সময় প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকলেও পরে সেই যোগ্যতা অর্জন করলে সংশ্লিষ্ট নীতিমালার বিধান অনুযায়ী তা যাচাই করা হয়। এসব বিষয় পরীক্ষা না করে সরাসরি এমপিও দেওয়া সম্ভব নয়।’

পদ ও ট্রেডের সামঞ্জস্যও যাচাই

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিও কার্যকরের ক্ষেত্রে শিক্ষক কোন পদে, কোন বিষয় বা ট্রেডের বিপরীতে নিয়োগ পেয়েছেন, সেটিও যাচাই করা হয়।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমপিও কার্যকরের প্রক্রিয়ায় বিষয় বা ট্রেডের সামঞ্জস্যও যাচাই করতে হয়। কারণ কারিগরি শিক্ষায় ভোকেশনাল, বিএম, কৃষি এবং বিভিন্ন ধরনের ট্রেড ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষক কোন প্রতিষ্ঠানে, কোন পদে বা কোন ট্রেডের বিপরীতে নিয়োগ পেয়েছেন, তা যাচাই করতে হয়। সংশ্লিষ্ট পদের সঙ্গে শিক্ষকের যোগ্যতা এবং প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত কাঠামোর সামঞ্জস্যও দেখা হয়।

কারিগরি শিক্ষায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান ও ট্রেড থাকায় এমপিও দেওয়ার সময় এসব তথ্য সমন্বয় করে যাচাই করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্য প্রতিষ্ঠানের সংযুক্ততা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ও পরীক্ষা করতে হয়।

মন্ত্রণালয় ও বাজেটের ধাপও রয়েছে

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকের তথ্য যাচাই-বাছাই ও কমিটির অনুমোদনের পরই এমপিও কার্যকর হয়ে যায় না। এরপর আরও কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

প্রথমে প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল পাঠানো হয়। অধিদপ্তরে সেগুলো যাচাই করে নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ফাইল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো, অনুমোদন এবং বাজেটসংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করতে হয়। এসব ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পরই শিক্ষক এমপিওভুক্ত হন এবং বেতন-ভাতা চালুর ব্যবস্থা করা হয়।

মোহাম্মদ আবু সাঈম বলেন, ‘প্রথমে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল পাঠানো হয়। এরপর অধিদপ্তরে তা যাচাই করে কমিটির মাধ্যমে অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয় ও বাজেট-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া রয়েছে। এসব ধাপ শেষ হওয়ার পর শিক্ষক এমপিওভুক্ত হন।’

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়োগের পর দ্রুত এমপিও কার্যকর করতে হলে প্রতিষ্ঠান থেকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠানো জরুরি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে কোনো ঘাটতি বা তথ্যের অসংগতি থাকলে যাচাই-বাছাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। ফলে এমপিও কার্যকর হতেও দেরি হয়।

মন্তব্য করুন

ভাড়া বাড়িতে দাখিল ও আলিম মাদ্রাসা অনুমোদনের নতুন নীতিমালা

 

সরকার নতুন নীতিমালা জারি করে ভাড়া বাড়িতে দাখিল ও আলিম মাদ্রাসা স্থাপন, পাঠদান ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির অনুমতি দিয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের পুরোনো নীতিমালা সংশোধন করে ‘বেসরকারি মাদ্রাসা (দাখিল ও আলিম) স্থাপন, পাঠদান ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২৫’ প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।


ভাড়া বাড়িতে মাদ্রাসা অনুমোদন

নীতিমালায় বলা হয়েছে—

  • সিটি করপোরেশন, শিল্প এলাকা ও পৌরসভায় ভাড়া বাড়িতে মাদ্রাসা স্থাপন করা যাবে।

  • ভাড়ার চুক্তিপত্র কমপক্ষে ৬ বছরের হতে হবে।

  • মাদ্রাসার নামে ব্যাংকে অন্তত ৫ লাখ টাকার ডিপোজিট থাকতে হবে।

  • ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ট্রাস্ট, মিশন, এনজিও, ফাউন্ডেশন বা দাতব্য সংস্থা এসব মাদ্রাসা পরিচালনা করতে পারবে।


দূরত্ব ও জনসংখ্যার শর্ত

  • সিটি করপোরেশন, শিল্প এলাকা ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় দাখিল মাদ্রাসার মধ্যে ১ কিলোমিটার, আলিম মাদ্রাসার মধ্যে ২ কিলোমিটার দূরত্ব থাকতে হবে।

  • মফস্বলে দাখিল মাদ্রাসার জন্য দূরত্ব হবে ২ কিলোমিটার, আলিমের জন্য ৩ কিলোমিটার।

  • দাখিল মাদ্রাসা স্থাপনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ন্যূনতম ১০ হাজার মানুষ থাকতে হবে।

  • আলিম মাদ্রাসার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জনসংখ্যা হতে হবে ৪০ হাজার।


পাঠদানের অনুমোদন

  • দাখিল সহশিক্ষা মাদ্রাসায় প্রতি শ্রেণিতে গড়ে ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

  • দাখিল বালিকা মাদ্রাসায় প্রতি শ্রেণিতে গড়ে ২০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

  • আলিম সহশিক্ষা মাদ্রাসায় প্রতি শ্রেণিতে গড়ে ৩০ জন শিক্ষার্থী এবং আলিম বালিকা মাদ্রাসায় গড়ে ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।


বিশেষ ছাড়ের বিধান

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনগ্রসর এলাকা, পাহাড়ি অঞ্চল, হাওর-বাঁওড়, চরাঞ্চল, দ্বীপ, বস্তি, নারী শিক্ষা বা সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করা যাবে।

  • সিটি করপোরেশন, শিল্প এলাকা ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় জনসংখ্যার শর্ত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

  • তবে সড়ক ও বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া কোনো মাদ্রাসার অনুমোদন মিলবে না।


শিক্ষা বোর্ডের মন্তব্য

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা মো. নূরুল হক বলেন,
“অনেক প্রাইভেট মাদ্রাসা আগে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের নামে পরীক্ষা দিতো। এখন তারা নিজেদের নামে পরীক্ষা দিতে পারবে। সরকার আর্থিকভাবে ব্যয় বহন করছে না, অথচ এসব প্রতিষ্ঠান ভালো পারফর্ম করছে। তাই তাদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত থাকবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে হবে।”


দেশে মাদ্রাসার বর্তমান চিত্র (সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী)

  • স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা (প্রথম–পঞ্চম শ্রেণি): ৩,৪৩৩টি (এমপিওভুক্ত ১,৫১৯টি, শিক্ষক ৪,৪৩১ জন)

  • দাখিল মাদ্রাসা (ষষ্ঠ–দশম শ্রেণি): ৬,৫৯৩টি (এমপিওভুক্ত ৫,৩৭১টি, শিক্ষক ৭০,৯৮২ জন)

  • আলিম মাদ্রাসা (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি): ১,৫৫৮টি (এমপিওভুক্ত ৯৮২টি, শিক্ষক ২০,০৮১ জন)

  • কামিল মাদ্রাসা (স্নাতকোত্তর স্তর): ২১৯টি (এমপিওভুক্ত ১৪৫টি, শিক্ষক ৫,০৭৯ জন)

  • এমপিওবিহীন মাদ্রাসা: প্রায় ১,৭৩০টি

সব মিলিয়ে, এমপিও ও নন-এমপিও উভয় ধরনের মাদ্রাসাই সরকারের অনুমোদন নিয়েই পরিচালিত হয়ে আসছে।

মন্তব্য করুন

সফটওয়্যার সমস্যায় আটকে বদলি, সময় বাড়ানোর চিন্তা ডিটিইর

সফটওয়্যার-সংক্রান্ত জটিলতায় বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য শূন্যপদের তথ্য দেওয়ার সময় বাড়ানোর কথা ভাবছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিটিই)। বর্তমানে শূন্যপদের তথ্য দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা নির্ধারিত থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য দিতে পারছে না।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সব প্রতিষ্ঠানের সঠিক শূন্যপদের তথ্য নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের পরও তথ্য দেওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

২০২৬ সালের বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, বেসরকারি এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষকদের স্বেচ্ছায় বদলি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নতুন এমপিও-টি-টি-এস (MPO-TTS) সফটওয়্যারে প্রবেশ করে শূন্যপদের চাহিদা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তবে কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই সফটওয়্যার নিয়ে নানা সমস্যায় পড়ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। কোথাও প্রতিষ্ঠানের ধরন ভুল দেখাচ্ছে, কোথাও কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পদের তালিকা পাওয়া যাচ্ছে না। আবার ই-মেইল-সংক্রান্ত জটিলতায় অনেক প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যারে প্রবেশই করতে পারছে না।

এসব সমস্যা জানিয়ে এখন পর্যন্ত সফটওয়্যারের ‘মন্তব্য’ ঘরে দুই শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। তবে এ সংখ্যা সমস্যায় পড়া শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের মোট সংখ্যা নয়; এটি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জমা দেওয়া অভিযোগের সংখ্যা।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ব্যবহৃত ইএফটি (EFT) সিস্টেমে থাকা ২ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্য নতুন বদলি সফটওয়্যারে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানান্তরের সময় কিছু তথ্য সঠিকভাবে না আসায় নতুন প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।

এর ফলে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ‘ইনস্টিটিউট টাইপ’ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। যেমন, স্বতন্ত্র এইচএসসি ক্যাটাগরির কোনো প্রতিষ্ঠানকে সফটওয়্যারে সংযুক্ত এইচএসসি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ধরন পরিবর্তিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিষয় ও পদের তালিকাতেও অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এতে শূন্যপদের সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

ই-মেইল-সংক্রান্ত সমস্যাও জটিলতা বাড়িয়েছে। এর আগে ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা তৈরি করে অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত বা ভুল ই-মেইল ব্যবহার করায় ওটিপি পাওয়া ও লগইনে সমস্যা হচ্ছে। কোথাও একই ই-মেইল দিয়ে একাধিক ব্যবহারকারী প্রবেশের চেষ্টাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সফটওয়্যারে পাওয়া অসঙ্গতিগুলো যাচাই করে সংশোধনের কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শূন্যপদের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের সঠিক তথ্য নিশ্চিত না করে বদলি কার্যক্রম শুরু করতে চায় না অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরের এমপিও শাখার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সংযুক্ত কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সফটওয়্যারজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান এখনো শূন্যপদের চাহিদা দিতে পারছেন না। যদি সব প্রতিষ্ঠানের সঠিক শূন্যপদের সংখ্যা না জানতে পারি, তাহলে বদলি কার্যক্রম শুরু করতে পারব না। তাই সময় বাড়ানোর চিন্তা করছি।’

তিনি বলেন, সফটওয়্যার নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সফটওয়্যারের ‘কমেন্ট বক্সে’ সমস্যার কথা জানানো যাবে। ই-মেইল জটিলতার কারণে সফটওয়্যারে প্রবেশ করতে না পারা প্রতিষ্ঠানগুলো অফিস চলাকালে ০১৪০৩৩১৯৮০৮ নম্বরে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজ দিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

মন্তব্য করুন

কুমিল্লায় কারিগরি শিক্ষার সুফল ও ভর্তির প্রচারণা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে “কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভর্তির প্রচারণা” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি  কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ. ম. কবিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেলেও সমানতালে বেকারত্বের সংখ্যাও বাড়ছে। বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বুঝতে হবে, আগামীর বিশ্ব হলো কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর।”

তিনি আরও বলেন, “কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আমরা দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে কাজ করছি। কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করলে কোনো শিক্ষার্থী বেকার থাকে না। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে। সরকার শিক্ষার্থীদের কারিগরিমুখী করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ মিকাইল, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক কাজী ফারুক আহমদ, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) মো. আনোয়ারুল কবির এবং কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী।সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কারিগরি অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, বৃহত্তর কুমিল্লার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, ইমাম ও সাংবাদিকবৃন্দ।

উদ্বোধনী বক্তব্যের পর কারিগরি শিক্ষায় করণীয় ও সফলতা নিয়ে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব ও অতিথিদের মতবিনিময় অনুষ্ঠান।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ড. খ. ম. কবিরুল ইসলাম কারিগরি শিক্ষার সুফল ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।

 

মন্তব্য করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সন্তানদের জন্য বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে সরকার

২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই শহীদদের পরিবারের সন্তানদের বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাদের এই ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সন্তানদের শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটগুলোতে শহীদ পরিবারের সন্তানদের অবৈতনিক শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বয় শাখা থেকে সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরের স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে গত রবিবার (২০ অক্টোবর) বিষয়টি জানানো হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ২১ সেপ্টেম্বর পাঠানো একটি চিঠির নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে

মন্তব্য করুন
×