চবি-কুবির একই দিনে ভর্তি পরীক্ষা, বিপাকে ভর্তিচ্ছুরা

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষার তারিখ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। একই দিনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। কুমিল্লার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরেও এ পরীক্ষার কেন্দ্র থাকবে।

অন্যদিকে, গত ২৩ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করে। ওই সূচি অনুযায়ী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ পরীক্ষার কেন্দ্র রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ‘বি-১’, ‘বি-২’ ও ‘বি-৩’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

একই দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হওয়ায় ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। ঢাকার এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ফারজানা অন্তী বলেন, ‘আমার বাসা ঢাকায়। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবেদন করব। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হবে না। তাহলে আমি কীভাবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশ নেব?’

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ আমার সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেনি। একই দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা—এটা হয় নাকি! আমি এখনই বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।’

অন্যদিকে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসাইন সরকার বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সকাল ১১টায় আর আমাদের পরীক্ষা বিকেল ৩টায় হবে। শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা দিয়েও আমাদের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।’

তবে ভর্তি পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্র নিয়ে পরবর্তীতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল করিম চৌধুরী।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা আজকে প্রথম মিটিং করেছি। বিষয়টি আমরা মাথায় নিয়েছি। পরীক্ষার আরও প্রায় পাঁচ মাস সময় রয়েছে। পরবর্তীতে পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্র পরিবর্তনও হতে পারে। গত বছরও পরীক্ষার আগে সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল।’

ফলে বর্তমানে একই দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নির্ধারিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সূচি অপরিবর্তিত থাকবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন

২১ নভেম্বর থেকে স্কুলে ভর্তির আবেদন, লটারি ১৪ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২১ নভেম্বর। এবারও শিক্ষার্থী ভর্তি হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর ২১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

লটারি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর, এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর আগে, ১২ থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনলাইন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবেন এবং শূন্য আসনের তথ্য আপলোড করবেন। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।


আসন ও আবেদনসংখ্যা

গত বছর সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৬২৫টি বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এর মধ্যে—

  • বেসরকারি স্কুল ছিল ৪ হাজার ৯৪৫টি, শূন্য আসন ছিল প্রায় ১০ লাখের বেশি।

  • সরকারি স্কুল ছিল ৬৮০টি, শূন্য আসন প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার।

তবে চাহিদা ছিল অনেক বেশি। সরকারি স্কুলে আবেদন পড়েছিল ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪টি, অর্থাৎ শূন্য আসনের প্রায় ছয়গুণ। বেসরকারি স্কুলে আবেদন পড়ে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার। ফলে প্রতি বছরই সরকারি ও নামকরা বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে তীব্র।


ভর্তি ফি ও নীতিমালা

ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।
ভর্তি ফি ও অন্যান্য চার্জের সর্বোচ্চ সীমা আগের মতোই থাকছে—

  • মফস্বল এলাকায়: সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা

  • উপজেলা বা পৌর এলাকায়: সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা

  • মহানগর এলাকায় (ঢাকা ছাড়া): সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা

  • ঢাকার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা

  • আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা

  • ইংরেজি ভার্সনের স্কুলে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা হতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়ন ফি হিসেবে ৩,০০০ টাকার বেশি নিতে পারবে না। প্রতি বছর সেশন চার্জ নেওয়া যাবে, তবে পুনঃভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।


বয়সসীমা

আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে ৫ থেকে ৭ বছর।
অর্থাৎ, যার জন্ম ১ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০-এর মধ্যে, কেবল তারাই প্রথম শ্রেণিতে আবেদন করতে পারবে।



এই বছরও স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে। লটারির ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাবে পছন্দের বিদ্যালয়ে ভর্তির। সরকারি স্কুলে আসনসংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রতিযোগিতা হবে আগের বছরের মতোই কঠিন।

মন্তব্য করুন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ: ৭ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমকে সামনে রেখে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। আর রাজশাহী, জগন্নাথ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭। প্রথম দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে এবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ—এই সাত বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি। প্রথম দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

পর্যায়ক্রমে ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ উপ-ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ উপ-ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেওয়া হবে। অন্য ইউনিটগুলোর পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর ২০২৬।

১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে যেসব সূচি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি, সেগুলো পরবর্তীতে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি ও অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭।

এবার খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর ২০২৬।

১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ভর্তিচ্ছুদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয়বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয়বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের অধ্যক্ষরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে বিতরণ করবেন। পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয় কোড অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অন্য কোনো বিষয় কোডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পরীক্ষার হলে উপস্থিতির সময় পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে তা প্রদর্শন করতে হবে।

এ ছাড়া যেসব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে, সেসব পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক।

৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।

এ ছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এ দুই শ্রেণির জন্য মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে তাদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষা থাকছে না

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পর শিক্ষার্থীর ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

নির্ধারিত ফি দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে ভর্তি কার্যক্রম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় হবে। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনকারীদের সুযোগ

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

তবে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়ায় কোনো শিক্ষার্থী কলেজ-মাদ্রাসায় ভর্তির সুযোগ না পেলে, প্রত্যাশিত প্রতিষ্ঠান না পেলে কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে না পারলে ২৩ সেপ্টেম্বরের পরও তাদের ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণে ১৩ লাখ আবেদন

এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

তবে আসনসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, অপেক্ষাকৃত ভালো ও জনপ্রিয় কলেজগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন
×