২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

আপাতত নির্বাচনী পরীক্ষা নয়, নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

 


২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ড জানিয়েছে, আপাতত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে পারবে না, বরং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে।

রোববার (৯ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণ করবে না।”

বোর্ড আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি ও সংক্রান্ত নির্দেশনা পরে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানানো হয়েছে— এই নির্দেশনা যেন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় এবং পাঠদান কার্যক্রমে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। পরে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে ফল দেখা যাবে।

ফলাফলে শিক্ষার্থী কোন কলেজ বা মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে।

প্রায় ১০ লাখ আবেদন

এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সারা দেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ।

ফলে মোট আসনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না। কারণ, তুলনামূলক ভালো ও জনপ্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছে এবার ৪ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১৯ মার্চ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে ২৭ মার্চ।

এবার প্রথমবারের মতো চারটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এ’, মানবিকের জন্য ‘বি’, বাণিজ্যের জন্য ‘সি’ এবং আর্কিটেকচারের জন্য ‘ডি’ ইউনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মার্চ। পরদিন ২০ মার্চ ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ।

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত জিএসটি গুচ্ছে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’—এই তিন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। আর্কিটেকচার বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষার দিন।

এবার আর্কিটেকচারের জন্য আলাদা ‘ডি’ ইউনিট চালু করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গুচ্ছভুক্ত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়—পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার বিষয় রয়েছে। এবার এ বিষয়ের জন্য আলাদা ইউনিট ও আলাদা সময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে সকাল ও বিকেলে ‘এ’ ইউনিট এবং আর্কিটেকচারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা আলাদা

মন্তব্য করুন

বিটাকে ৮ ট্রেডে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ৪০০ টাকা বৃত্তি

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (৪আইআর) সংশ্লিষ্ট আধুনিক ও স্মার্ট প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) ঢাকাকেন্দ্রে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের (এসআইসিআইপি) আওতায় অষ্টম ব্যাচের এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে উপস্থিতির ভিত্তিতে প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বৃত্তির অর্থ সনদপত্র দেওয়ার সময় এবং বাকি ২০ শতাংশ চাকরিতে প্রবেশের পর প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার ভিত্তিতে দেওয়া হবে।

যেসব ট্রেডে প্রশিক্ষণ

এবার মোট আটটি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এগুলো হলো—

১. নিউমেটিক অ্যান্ড হাইড্রোলিক সিস্টেম অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স
২. ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট অপারেশন অ্যান্ড ট্রাবলশুটিং
৩. ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স অ্যাপ্লিকেশন
৪. অ্যাডভান্স সিএনসি মেশিনিং সেন্টার অপারেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিস
৫. ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন
৬. থ্রিডি প্রিন্টিং অ্যান্ড থ্রিডি স্ক্যানিং উইথ সলিডওয়ার্কস
৭. ক্যাড-ক্যাম (মেকানিক্যাল)
৮. ড্রোন অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স

প্রতি ট্রেডে ২৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণের সময়সূচি

প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস বা ৩০০ ঘণ্টা। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলবে।

যোগ্যতা

আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া এসএসসি পাস এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে কমপক্ষে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।

আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনের সঙ্গে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ও স্ট্যাম্প সাইজের এক কপি ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সত্যায়িত কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব ও পারিবারিক আয়ের সনদপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদন যেভাবে

আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে বিটাকের অ্যাডভান্সড ট্রেনিং অ্যান্ড ইনোভেশন কমপ্লেক্স (এটিআইসি), অফিস কক্ষ-৯ম তলায়। এছাড়া বিটাকের ওয়েবসাইটের প্রশিক্ষণ সেবা বক্স এবং ফেসবুক পেজ ‘SICIP-BITAC’ থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৪ অক্টোবর ২০২৬। নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ অক্টোবর ২০২৬।

প্রশিক্ষণসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য ০১৭৯৭১১২৩৪১ (হোয়াটসঅ্যাপ) নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছে এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্ত হতে পারে আরও ৩টি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে গুচ্ছে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। কো-কনভেনর করা হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীকে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনায় মূল কমিটির পাশাপাশি টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থসহ একাধিক কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি গঠনের পরই ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

মূল কমিটির কনভেনর অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ‘২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হোস্ট ও কোনটি কো-হোস্ট হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা করে টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থ কমিটি গঠন করা হবে। সেখানেই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।’

কো-কনভেনর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রথম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা ডেকে ভর্তি পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে।’

তিনি জানান, এবার মূল কমিটির কনভেনর ও কো-কনভেনর নির্বাচন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিষ্ঠা ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সময়ের সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। ২০০২ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা পবিপ্রবি এবং ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা নোবিপ্রবির উপাচার্যকে সেই বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে কম সিনিয়র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দায়িত্ব পাবে।

গুচ্ছে থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়—এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের বর্তমান তালিকায় রয়েছে।

যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আগেরবারের মতো এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন সাপেক্ষে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় এতে যুক্ত হতে পারে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছে যুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন

গুচ্ছে যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়, একক ভর্তি পরীক্ষার পথে যবিপ্রবি

 

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এবার ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে গুচ্ছভুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

গুচ্ছে যুক্ত হতে আগ্রহী নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয় হলো—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিক্ষার্থী ভর্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুচ্ছে আবেদন করবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ৫৬তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রায় দুই দশক আগে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তী সময়ে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ পাস হয়। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কুদরত-ই-জাহান বলেন, “আমরা এই সপ্তাহেই আবেদন করব। এর আগে ইউজিসির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে নেব। এজন্য ঢাকা যাচ্ছি।”

ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমাদের দেশের ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম খুবই ভালো। তাই গুচ্ছের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে আনুষ্ঠানিকতা ও গতানুগতিক সুবিধা রয়েছে, সেগুলো পেলেই চলবে।”

গুচ্ছে থাকতে চায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশের ৫৮তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থায়ী ক্যাম্পাস ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল বলেন, “আমরা অবশ্যই গুচ্ছ ভর্তিতে যুক্ত হতে চাই।”

‘গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে’ মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনও জাতীয় সংসদে পাস হয় ২০২৩ সালে। এটি দেশের ৫৫তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম ছিল ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়’। পরে ২০২৫ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ করা হয়।

মেহেরপুর জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন নিয়োগ পান। বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

উপাচার্য ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, “গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে। কারণ আমরা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়। যেহেতু কিছুটা সময় আছে, সে অনুযায়ী আবেদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াও চলমান। গতবার আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তাই এবার গুচ্ছে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও স্থান পরিদর্শনের কাজ চলছে। একাডেমিক কার্যক্রম চালুর জন্য ইউজিসি বিষয় অনুমোদনের প্রক্রিয়াও গ্রহণ করেছে।

শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। সেটির কাজ চলমান। সাবজেক্ট ও ক্লাস প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াও চলছে। এগুলোর অগ্রগতির পর আশা করি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করাতে পারব।”

গুচ্ছ ছাড়ার পথে যবিপ্রবি

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘদিন ধরেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের তাগাদা দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর প্রতিবছরই কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে প্রতিবারই কিছু বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যবিপ্রবি গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে যেকোনো সময় ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে।

এখনো চূড়ান্ত হয়নি গুচ্ছের সময়সূচি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া সামনে রেখে ইতোমধ্যে ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে গুচ্ছভুক্ত সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজন উপাচার্য জানিয়েছেন, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে শিগগিরই সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে, ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমের দায়িত্ব নেবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “এর আগে একটা মিটিং হয়েছে। সে মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামনে আরও মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে কীভাবে পরীক্ষা হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নেবে।”

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি মিটিং হবে। ওই মিটিংয়ের আগে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে বা কবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা মিটিংয়ের পর বলতে পারব।”

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিং নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত বছরের ভর্তি কার্যক্রমের ক্লোজিং হয়েছে কিছুদিন হলো। এবার কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে সিদ্ধান্তও হয়নি।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এস্টাবলিশমেন্টের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পালন করেছে, গতবার দায়িত্বে ছিল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও ধারাবাহিকভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী দায়িত্ব যাবে।”

গতবার গুচ্ছে ছিল ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় ছিল ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন
×