পুনঃমূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীরাও আজ আবেদন করতে পারবেন

আজই শেষ একাদশের ভর্তি আবেদন, রাত ৮টা পর্যন্ত সুযোগ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময়সীমা আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেষ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সময় বাড়ানোর কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারেননি, তারা ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এ সময়ে এসএসসি পরীক্ষার পুনঃমূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

চার শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিশেষ সুযোগ

এদিকে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে চার শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। তারা হলেন—বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, প্রবাসীদের সন্তান, বিকেএসপি থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এ ছাড়া প্রবাসীদের সন্তান, বিকেএসপি থেকে উত্তীর্ণ এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরাও বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণক যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করবে বোর্ড। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ শিথিল করা যাবে।

৭ শতাংশ আসন কোটায়

২০২৬ সালের একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে এসব আসনে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থ

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন

গুচ্ছ নয়, চুয়েটে এবারও একক ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

 

একসময় দেশের তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সমন্বিতভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিত। প্রায় চার বছর এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার পর আবারও পৃথক ভর্তি পরীক্ষায় ফিরে যায় বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি।

আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে কুয়েট ও রুয়েট। তবে এখনো ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ জানায়নি চুয়েট। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভর্তি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর কমিটি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এরপরই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এ বিষয়ে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, ‘একসময় চুয়েট প্রকৌশল গুচ্ছের সঙ্গে ছিল। তবে বর্তমানে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবারও ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রাথমিক কিছু কাজ শুরু করেছি। ভর্তি কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। এরপর চলতি সপ্তাহ অথবা আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।

চুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার খবর তিনি গণমাধ্যমে পেয়েছেন। তবে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ এককভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বৈঠকে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আবারও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে অধ্যাপক সায়েম বলেন, পৃথক নাকি যৌথভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত শুধু চুয়েটের ওপর নির্ভর করছে না। এ ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে চুয়েট সব ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কুয়েট ও রুয়েট ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ফলে চুয়েটের পরীক্ষার তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, সেদিকেই এখন নজর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয়বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয়বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের অধ্যক্ষরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে বিতরণ করবেন। পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয় কোড অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অন্য কোনো বিষয় কোডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পরীক্ষার হলে উপস্থিতির সময় পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে তা প্রদর্শন করতে হবে।

এ ছাড়া যেসব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে, সেসব পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

গুচ্ছে যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়, একক ভর্তি পরীক্ষার পথে যবিপ্রবি

 

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এবার ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে গুচ্ছভুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

গুচ্ছে যুক্ত হতে আগ্রহী নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয় হলো—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিক্ষার্থী ভর্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুচ্ছে আবেদন করবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ৫৬তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রায় দুই দশক আগে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তী সময়ে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ পাস হয়। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কুদরত-ই-জাহান বলেন, “আমরা এই সপ্তাহেই আবেদন করব। এর আগে ইউজিসির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে নেব। এজন্য ঢাকা যাচ্ছি।”

ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমাদের দেশের ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম খুবই ভালো। তাই গুচ্ছের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে আনুষ্ঠানিকতা ও গতানুগতিক সুবিধা রয়েছে, সেগুলো পেলেই চলবে।”

গুচ্ছে থাকতে চায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশের ৫৮তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থায়ী ক্যাম্পাস ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল বলেন, “আমরা অবশ্যই গুচ্ছ ভর্তিতে যুক্ত হতে চাই।”

‘গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে’ মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনও জাতীয় সংসদে পাস হয় ২০২৩ সালে। এটি দেশের ৫৫তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম ছিল ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়’। পরে ২০২৫ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ করা হয়।

মেহেরপুর জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন নিয়োগ পান। বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

উপাচার্য ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, “গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে। কারণ আমরা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়। যেহেতু কিছুটা সময় আছে, সে অনুযায়ী আবেদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াও চলমান। গতবার আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তাই এবার গুচ্ছে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও স্থান পরিদর্শনের কাজ চলছে। একাডেমিক কার্যক্রম চালুর জন্য ইউজিসি বিষয় অনুমোদনের প্রক্রিয়াও গ্রহণ করেছে।

শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। সেটির কাজ চলমান। সাবজেক্ট ও ক্লাস প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াও চলছে। এগুলোর অগ্রগতির পর আশা করি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করাতে পারব।”

গুচ্ছ ছাড়ার পথে যবিপ্রবি

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘদিন ধরেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের তাগাদা দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর প্রতিবছরই কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে প্রতিবারই কিছু বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যবিপ্রবি গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে যেকোনো সময় ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে।

এখনো চূড়ান্ত হয়নি গুচ্ছের সময়সূচি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া সামনে রেখে ইতোমধ্যে ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে গুচ্ছভুক্ত সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজন উপাচার্য জানিয়েছেন, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে শিগগিরই সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে, ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমের দায়িত্ব নেবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “এর আগে একটা মিটিং হয়েছে। সে মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামনে আরও মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে কীভাবে পরীক্ষা হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নেবে।”

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি মিটিং হবে। ওই মিটিংয়ের আগে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে বা কবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা মিটিংয়ের পর বলতে পারব।”

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিং নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত বছরের ভর্তি কার্যক্রমের ক্লোজিং হয়েছে কিছুদিন হলো। এবার কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে সিদ্ধান্তও হয়নি।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এস্টাবলিশমেন্টের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পালন করেছে, গতবার দায়িত্বে ছিল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও ধারাবাহিকভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী দায়িত্ব যাবে।”

গতবার গুচ্ছে ছিল ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় ছিল ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, সিদ্ধান্ত বুধবার

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্তত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজেদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে। তবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় শুরুতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নজির থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে বৈঠক করে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা এবং ফলাফল প্রকাশের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুয়েট ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান রোববার (৩০ আগস্ট) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা এখনও তারিখ নির্ধারণ করিনি। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে এখনও মাসখানেক বাকি। ফলে পরীক্ষার ফলাফল হওয়ার আগে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ সম্ভব নয়। তবে আগামী বুধবার আমরা বসে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেব।’

এইচএসসি ফলের ওপর নির্ভর করছে ভর্তি প্রক্রিয়া

বুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট জিপিএর শর্ত পূরণ করে শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। আমরা বোর্ড থেকে ফলাফল সংগ্রহ করি। তার ভিত্তিতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশে নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ডিসেম্বরের বিভিন্ন তারিখে ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করেছে। ফলে ফল প্রকাশে কোনো ধরনের বিলম্ব হলে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করা কঠিন হতে পারে।

অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘পরীক্ষা শেষ হয়ে ফলাফল আসতে অন্তত নভেম্বর পর্যন্ত চলে যাবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডিসেম্বর বুক করে ফেলেছে। তবে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে তখন সময়সূচি ঠিক রাখা যাবে না। এ কারণে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। তবে বুধবার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে তোলা হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন নেই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি আগের মতোই থাকবে। প্রাথমিক আবেদনের পর নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে আসন সংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে। তবে কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নায়েব মো. গোলাম জাকারিয়াও জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ফলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করলেও বুয়েটের ক্ষেত্রে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত সময়সূচি জানা যাবে।

মন্তব্য করুন
×