আহমদ আলী
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ

ভাইভা শেষের দুই বছরের বেশি সময়েও ফল প্রকাশ হয়নি, দ্রুত নিয়োগের দাবি

মাউশির ৬১০ পদের ফল প্রকাশের দাবিতে রংপুরে চাকরিপ্রার্থীদের মানববন্ধন

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ১০ম গ্রেডের চার ক্যাটাগরির ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় শিক্ষা ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং মাউশির আঞ্চলিক পরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন চাকরিপ্রার্থীরা।

যে চার পদের ফল আটকে

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ৪ হাজার ৩২টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাউশি। বিজ্ঞপ্তির আওতায় বিভিন্ন পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪২২টি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা কর্মরত রয়েছেন।

তবে একই বিজ্ঞপ্তির আওতায় ১০ম গ্রেডের চারটি পদের ৬১০টি পদে এখনো চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। পদগুলো হলো—

  • প্রদর্শক—৫১৪টি

  • গবেষণা সহকারী—২১টি

  • সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার—৬৯টি

  • ল্যাবরেটরি সহকারী—৬টি

আন্দোলনকারীদের দাবি, এসব পদের লিখিত পরীক্ষার ফল ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৪ মে থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ৬ জুন শেষ হয়। কিন্তু ভাইভা শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি।

‘আমরা অনিশ্চয়তায়’

মাউশির নিয়োগ-২০২০ চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদের সদস্য আকতারা আঁখি বলেন, ‘প্রদর্শক (উদ্ভিদবিদ্যা) পদে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভাইভাতেও অংশ নিয়েছি। ৬১০টি পদের বিপরীতে প্রায় ৭ হাজার চাকরিপ্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এখন যদি ফল আটকে রাখা হয়, তাহলে আমাদের কী হবে? আমরা তো অন্যায্য কিছু দাবি করছি না।’

পরিষদের সভাপতি জোবায়ের আহমেদ বলেন, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় অধিকাংশ পদের ফল প্রকাশ হলেও চারটি ক্যাটাগরির ফল আটকে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাউশি ও মন্ত্রণালয়ে ঘুরেও তারা কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী। একই নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দ্বৈতনীতি কেন হবে? আমাদের একবার মন্ত্রণালয়ে, আবার মাউশিতে পাঠানো হচ্ছে। আমরা যেন ফুটবলের মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরছি।’

চার দফা দাবি

স্মারকলিপিতে চাকরিপ্রার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—

১. অবশিষ্ট ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা।
২. ফল প্রকাশের পর নিয়োগসংক্রান্ত প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রার্থীদের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া।
৪. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে মাউশির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক গোলাম মাজেদ বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পাশাপাশি মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ভাইভা শেষের দুই বছরের বেশি সময়েও ফল প্রকাশ হয়নি, দ্রুত নিয়োগের দাবি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ১০ম গ্রেডের চার ক্যাটাগরির ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় শিক্ষা ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং মাউশির আঞ্চলিক পরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন চাকরিপ্রার্থীরা।

যে চার পদের ফল আটকে

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ৪ হাজার ৩২টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাউশি। বিজ্ঞপ্তির আওতায় বিভিন্ন পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪২২টি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা কর্মরত রয়েছেন।

তবে একই বিজ্ঞপ্তির আওতায় ১০ম গ্রেডের চারটি পদের ৬১০টি পদে এখনো চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। পদগুলো হলো—

  • প্রদর্শক—৫১৪টি

  • গবেষণা সহকারী—২১টি

  • সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার—৬৯টি

  • ল্যাবরেটরি সহকারী—৬টি

আন্দোলনকারীদের দাবি, এসব পদের লিখিত পরীক্ষার ফল ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৪ মে থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ৬ জুন শেষ হয়। কিন্তু ভাইভা শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি।

‘আমরা অনিশ্চয়তায়’

মাউশির নিয়োগ-২০২০ চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদের সদস্য আকতারা আঁখি বলেন, ‘প্রদর্শক (উদ্ভিদবিদ্যা) পদে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভাইভাতেও অংশ নিয়েছি। ৬১০টি পদের বিপরীতে প্রায় ৭ হাজার চাকরিপ্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এখন যদি ফল আটকে রাখা হয়, তাহলে আমাদের কী হবে? আমরা তো অন্যায্য কিছু দাবি করছি না।’

পরিষদের সভাপতি জোবায়ের আহমেদ বলেন, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় অধিকাংশ পদের ফল প্রকাশ হলেও চারটি ক্যাটাগরির ফল আটকে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাউশি ও মন্ত্রণালয়ে ঘুরেও তারা কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী। একই নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দ্বৈতনীতি কেন হবে? আমাদের একবার মন্ত্রণালয়ে, আবার মাউশিতে পাঠানো হচ্ছে। আমরা যেন ফুটবলের মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরছি।’

চার দফা দাবি

স্মারকলিপিতে চাকরিপ্রার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—

১. অবশিষ্ট ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা।
২. ফল প্রকাশের পর নিয়োগসংক্রান্ত প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রার্থীদের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া।
৪. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে মাউশির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক গোলাম মাজেদ বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পাশাপাশি মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

মন্তব্য করুন

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের ফল ১৬ অক্টোবর প্রকাশ হতে পারে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১৬ অক্টোবর প্রকাশ করা হতে পারে। এই তারিখ চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠাবে। মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাবে সায় দিলে ১৬ অক্টোবরই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

একটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "এইচএসসি পরীক্ষার ফল ১৬ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার প্রকাশের বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তারিখ রেখে মন্ত্রণালয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে ১৬ অক্টোবরই ফল প্রকাশ করা হবে।"

এর আগে, বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে ঢাকা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, নিয়ম অনুযায়ী ১৮ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু ১৭ ও ১৮ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) থাকায় ১৬ অক্টোবরের মধ্যেই এইচএসসি ফল প্রকাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেছিলেন যে ফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ। ৯ অক্টোবরের বৈঠকে সব বোর্ড চেয়ারম্যানের মতামত নিয়ে ১২ থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যেই ফল প্রকাশের তারিখ ঠিক করা হবে। বোর্ড থেকে তিনটি তারিখ প্রস্তাব করা হবে, যার মধ্যে একটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। বড় কোনো সমস্যা না হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটিই চূড়ান্ত করবে।

উল্লেখ্য, এ বছর ২৬ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিতের কারণে তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট। নিয়ম অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষের দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। সারাদেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন

বিজয়া দশমীতে ছাত্রদল নেতা তারিকের ভিন্নধর্মী কর্মসূচি

হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার শেষ দিন ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ভিন্নধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে তিনি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল নেতা তারিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষক, হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ উপস্থিত সব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের পক্ষে হাতের লেখা চিঠির মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা ও গোলাপ ফুল প্রদান করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় লেখা রয়েছে- ‘শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের সংস্কৃতির যৌথ আনন্দের উৎস। ধর্মের ভিন্নতা থাকলেও হৃদয়ের বন্ধনে আমরা এক। আসুন মুসলিম-হিন্দু মিলেই তৈরি করি সম্প্রীতির সেই রঙিন দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ।

 

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। আমরা সেই আদর্শ ও নীতিতে বিশ্বাসী। তাই আমরা সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি বলেন, আজ দুর্গাপূজার শেষ দিন তথা বিজয়া দশমীতে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া সত্বেও পূজামণ্ডপে গিয়ে আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এজন্য আমাদের সনাতনী ভাইবোনেরা আমাদেরকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাসেম প্রধান, রাকিব হোসেন, জুল হোসেন, সদস্য সাব্বির হোসেন, সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম তারেক, শেখ মুজিবুর রহমান হলের সদস্য তাহমিদ হুমায়ুন তানিম, ঢাবি ছাত্রদল কর্মী রুহুল আমিন, রাকিব হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য নূর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ফজলে রাব্বি রাদ, মুজতবা তাহমিদ মুবিন, মো. নাজমুল হক, মো. তানভিরুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের মো. জুবায়ের হোসেন ও মো. ফাহাদ হোসেন, মহানগর পূর্বের মো. জাহিদ হাসান, মো. সোয়াইবুল ইসলাম রেম্পি, মুন্তাসির হাসনাত, মহানগর পশ্চিমের মো. মাহমুদুল হাসান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরাফাত হোসেন, ওসমান খান, ইউসুফ আহমেদ অপু, জামাল খান, আবদুল্লাহ আহমেদ তোফায়েল সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

শিক্ষার্থীদের সুস্থতা বৃদ্ধিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি ও পিটি বাধ্যতামূলক: মাউশি

শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বিকাশের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অ্যাসেম্বলি (প্রাত্যহিক সমাবেশ) এবং পিটি (শারীরিক প্রশিক্ষণ) আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে বছরজুড়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সময়োপযোগী ক্রীড়া কার্যক্রম আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অফিস আদেশে মাউশি জানিয়েছে, অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হওয়ার আগে অবশ্যই নিয়মিত অ্যাসেম্বলি ও পিটি আয়োজন করতে হবে।

এছাড়াও, যেসব প্রতিষ্ঠানে ক্যান্টিন বা অন্য কোনো মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করা হয়, সেই খাবার অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এই বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।

এই নির্দেশনাটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) এবং সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরগুলোকেও এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শাস্তির অংশ হিসেবে কারও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, আবার কাউকে এক থেকে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব এবং নকলের আলামত পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধের ধরন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেগুলেশন অনুযায়ী পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পরিদর্শক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র ও অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই করে বিষয়গুলো পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়।

পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত ২৮৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১৬ জনের শুধু সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫ জনের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর, ১৪ জনের পরবর্তী তিন বছর এবং তিনজনের পরবর্তী চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যাডহক কমিটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব দেবেন ইউএনও ও ডিসি — শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তার প্রতিনিধি পালন করবেন—এ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ১৫ নভেম্বর তারিখে স্বাক্ষরিত অফিস আদেশটি প্রকাশ করে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৭৫৭/২০২৫–এর প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ গত ৮ সেপ্টেম্বর যে পরিপত্র (যেখানে সংশোধিত প্রবিধানমালা-২০২৪ অনুযায়ী নিয়মিত বা অ্যাডহক কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল) জারি করেছিল, তা তিন মাসের জন্য স্থগিত রয়েছে।

এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেখানে প্রবিধানমালা-২০২৪-এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী ইউএনও (উপজেলা পর্যায়) এবং ডিসি বা তার প্রতিনিধি (জেলা পর্যায়) সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অফিস আদেশে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বিলুপ্ত হবে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ালে সংশ্লিষ্ট পরিপত্র তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়।

মন্তব্য করুন

প্রক্সি দিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা, পিএসসিতে এসে ধরা যুবক

প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে মো. রিপন হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তিনি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অফিস সহায়ক পদে চাকরিতে যোগ দিতে পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হলে তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে পরিচয় যাচাই ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর তাকে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি।

পিএসসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. রিপন হোসেন অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী ছিলেন। তার রোল নম্বর ২১০১১৮৭। নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার চাকরিতে যোগদানের জন্য তিনি পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই করতে প্রবেশপত্রের ছবি এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তার বর্তমান চেহারা মিলিয়ে দেখেন। এতে তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ তৈরি হয়।

বিষয়টি পিএসসির উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হলে তিনি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। পরে কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে যাচাই-বাছাই ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

পিএসসি জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন হোসেন নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি ওই নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই নিজে অংশ নেননি। তার পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি লাভের অপচেষ্টার অভিযোগে তাকে আটক করে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×