মার্চেই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে শুরু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা মার্চে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রমজান, মৌসুমি বৃষ্টি-বন্যা এবং পরবর্তী এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণের পর তা মার্চে পিছিয়ে যাওয়ার কারণ এবং পরীক্ষা আরও পেছানোর সুযোগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এক হাজারের বেশি স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। তারা রোজার আগেই, ঈদের আগেই পরীক্ষা শেষ করতে চেয়েছিলেন। সেই দিক বিবেচনা করে আমরা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক মাসের একটি সম্ভাব্য সময় ধরেছিলাম।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১০ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার কথা ছিল এবং ১০ মার্চ তা শেষ হবে। একই সঙ্গে মৌসুমি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। প্রথমে এসএসসি, এরপর এইচএসসি এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা—সবকিছুর সঙ্গে সমন্বয় করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য।’

তার ভাষ্য, সবদিক বিবেচনায় ফেব্রুয়ারি মাসকে এসএসসি পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় মনে করা হয়েছিল। তবে রমজানের কারণে ওই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে রোজা শেষ হওয়ার পর পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরীক্ষা আরও পেছানোর সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘তবে পরীক্ষা পেছানোর আর কোনো কারণ নেই।’

এর আগে চীন সফর শেষে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভেট) খাতে দেশটির সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে পাঁচটি বড় অর্জনের কথা তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল গত ২৬ থেকে ২৮ আগস্ট চীন সফর করে। প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া ছিলেন।

সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল চীনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বা টিভেট ব্যবস্থার মডেল ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেওয়া। পাশাপাশি টিভেট খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সফরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ, আধুনিক কারিগরি গবেষণাগার ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সুবিধা স্থাপন এবং চীনা ভাষার সহায়তাসম্পন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চীনে প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরি এবং বাংলাদেশে কার্যরত চীনা শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরুর তারিখ জানা গেল

অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। ২০২৪ সালে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ২০২৩ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীরাই এবার রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাবে।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের তথ্যমতে, নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষা বছরের ১ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১১+ এবং সর্বোচ্চ ১৭ বছর হতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২২ বছর নির্ধারিত। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু অনুমোদিত ও স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। অনুমতিবিহীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিকটবর্তী অনুমোদিত স্কুল বা কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ওইএমএন বা ইএসআইএফ বাটনে ক্লিক করে ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর শিক্ষার্থীর সংখ্যা, নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে সোনালি সেবার স্লিপ প্রিন্ট করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। পেমেন্ট ক্লিয়ার হলে শিক্ষার্থীর তথ্য ইএসআইএফ পূরণ করে ফাইনাল সাবমিট করতে হবে। ফাইনাল সাবমিটের আগে ভর্তি ফরম ও জন্মসনদের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে যাচাই করতে হবে।

আর রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য ২৫০ টাকা এবং যুব রেডক্রিসেন্ট ফি হিসেবে ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ টাকা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব যুব রেডক্রিসেন্ট কার্যক্রমের জন্য রাখবে এবং ২৪ টাকা শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে।
 

বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের রেজিস্ট্রেশন কমিটি গঠন করতে হবে। অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শেষে প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক। শিক্ষার্থীর তথ্যে কোনো ভুল থাকলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির সদস্যদের ওপর বর্তাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে, তারা ব্যানবেইস থেকে ইআইআইএন সংগ্রহের পর সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়ে লগইন পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। স্বীকৃতি হালনাগাদ না থাকলে দ্রুত স্বীকৃতি নবায়নের আবেদন করতেও বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বিসিএস শিক্ষা সমিতির কোটি টাকার হিসাবে অসংগতি, অডিটে মিলেছে নানা অনিয়ম

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি’র ২০১৬ থেকে ২০২৩ মেয়াদকালের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম ও হিসাবের অসংগতির তথ্য উঠে এসেছে। সমিতির অডিট ও অভ্যন্তরীণ পরিদর্শন প্রতিবেদনে ভাউচার ছাড়া টাকা উত্তোলন, গুরুত্বপূর্ণ হিসাবের নথি না পাওয়া, একই খরচ একাধিকবার দেখানো এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সংগঠনের অর্থ ব্যয়ের মতো অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে।

২০২৪ সালে সমিতির বর্তমান কমিটির উদ্যোগে আগের কয়েক বছরের আর্থিক কার্যক্রমের অডিট করা হয়। প্রফেসর এস এম মাহবুবুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি এ অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমিতির আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং হিসাববিজ্ঞানের প্রচলিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

অডিট প্রতিবেদনে সমিতির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় ১৬টি অসংগতি ও ফাইন্ডিংস তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ঘটনায় ভাউচার ছাড়া নগদ অর্থ প্রদান, একই বিল একাধিকবার উপস্থাপন এবং গুরুত্বপূর্ণ হিসাবের নথি না থাকার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

৩০ লাখ টাকার ব্যয়ের হিসাব নেই

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২২ মেয়াদের অডিটে সমিতির বিশেষ তহবিল (মামলা) থেকে মোট ৩৬ লাখ ২৮ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ব্যয়ের বিবরণ অডিট কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাকি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রয়োজনীয় নথি পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সমিতির মূল আয়-ব্যয়ের হিসাব, ব্যাংক-সংক্রান্ত চেক রেজিস্টার, কেনাকাটার স্টক রেজিস্টার, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অর্থ প্রাপ্তির রসিদ এবং বকেয়া চাঁদার বিস্তারিত হিসাবও অডিট কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সাধারণ তহবিল থেকে মামলায় ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়

মামলা পরিচালনার জন্য সমিতির পৃথক বিশেষ তহবিল থাকার পরও সাধারণ তহবিল থেকে এ খাতে অর্থ ব্যয়ের তথ্য পেয়েছে অডিট কমিটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলা পরিচালনার নামে সাধারণ তহবিল থেকে ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। তবে এসব ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনুমোদিত রিকুইজেশন বা প্রয়োজনীয় কার্যবিবরণী পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি মামলা পরিচালনার জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদারও পূর্ণাঙ্গ হিসাব অডিট কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়নি।

অডিটে যেসব অনিয়মের তথ্য

অডিট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা কয়েকটি অনিয়মের মধ্যে রয়েছে—সমিতির প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল থেকে শওকত হোসেন নামে এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ফ্রিজ কেনার তথ্য।

২০২৩ সালের অক্টোবরে কোনো ভাউচার ছাড়াই কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে নাসিরুল আজম বাপ্পিকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং কাজী হাসান ও নাজমুল নামে দুজনকে ৩ হাজার টাকা করে নগদ দেওয়ার তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ২১ জুলাই নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির দুপুরের খাবারের বিল একই ভাউচারে দুইবার দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এ খাতে খাবারের বিল ১৫ হাজার ৯০০ টাকা এবং ফটোকপি বাবদ ১ হাজার ৫০ টাকা দেখানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০২২ সালের এপ্রিল ও মে মাসের ক্যাশ বুকের হিসাব পাওয়া যায়নি বলেও অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অধিকাংশ ভাউচারে কাটাকাটি, ওভাররাইটিং এবং তারিখ না থাকার বিষয়ও উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমিতির মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ পৃথকভাবে হিসাব সংরক্ষণ করায় দুই হিসাবের মধ্যে ব্যাপক অমিল দেখা যায়। ফলে সঠিকভাবে আর্থিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া বিভিন্ন খরচের বিল-ভাউচারে ভ্যাট পরিশোধ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী রেভিনিউ স্ট্যাম্প ব্যবহারের ঘাটতির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্মচারীদের বেতন ও বোনাসের বিলেও কোষাধ্যক্ষ ও সম্পাদকের স্বাক্ষর না থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

অডিট কমিটির সুপারিশ

আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একাধিক সুপারিশ করেছে অডিট কমিটি। এর মধ্যে প্রতিটি বিল ও ভাউচারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর নিশ্চিত করা, ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয়ের ক্ষেত্রে নগদ লেনদেনের পরিবর্তে চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ এবং হিসাববিজ্ঞানের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করে ক্যাশ বুক ও আয়-ব্যয়ের বিবরণী সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

তবে ২০১৬ থেকে ২০২৩ মেয়াদে সমিতির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সময়ে এসব নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে অডিট প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এদিকে এসব অনিয়মের তথ্য প্রকাশের পর সমিতির সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

যা বলছেন বর্তমান সদস্য সচিব

অভিযোগের বিষয়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মো. মাসুদ রানা খান বলেন, ‘২০১৩ থেকে ২০১৬ সালে আমরা যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন ১ কোটি ৮ লাখ টাকা রেখে এসেছিলাম। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় বিল-ভাউচারসহ জমা দিয়েছিলাম। তবে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কী হয়েছে, তা বলতে পারছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সময়ে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। অভিযোগ ওঠা বিষয়গুলো কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

অডিট প্রতিবেদনে উঠে আসা আর্থিক অসংগতিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সময়ের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

মন্তব্য করুন

মেহেরপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় নকল, চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মেহেরপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) পরীক্ষায় নকলের ঘটনায় জড়িত চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দুই শিক্ষককে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ডিগ্রি কলেজে বাউবির অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি নজরে আসার পর পরীক্ষার সময় নকলের সঙ্গে জড়িত চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিকে পরীক্ষায় নকলের ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার শিকার বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) গাংনী থানায় মামলা করেন। মামলায় রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়বে ধাপে ধাপে, জেনে নিন নতুন বেতন

নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন এই বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। সরকারি চাকরিজীবীদের মতো আগামী ১ জুলাই থেকেই তাদের নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছে।

নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন (বেসিক) সরকারি চাকরিজীবীদের মতোই গ্রেড অনুযায়ী বাড়বে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতা যেভাবে বাড়বে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা একই হারে সেই সুবিধা পাবেন না। এমনকি নতুন কাঠামোয় টেলিফোন বিল পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

তিন ধাপে বাড়বে বেসিক

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোয় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন তিন ধাপে বাড়ানো হবে। প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসিক ৩০ শতাংশ বাড়বে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে মোট ৬৫ শতাংশ হবে। সর্বশেষ ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেসিক শতভাগ বাড়বে বলে জানা গেছে।

নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর অন্যান্য চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধাও বাতিল হয়ে যাবে।

কোন গ্রেডে কত বেতন

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের মূল বেতন ৫০ হাজার থেকে ৯১ হাজার ২০০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তা বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা।

ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের বর্তমান মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬৭ হাজার ১০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

সপ্তম গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের বর্তমান বেতন ২৯ হাজার থেকে ৬৩ হাজার ৪১০ টাকা। নতুন পে-স্কেলে তা বেড়ে হবে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা।

নবম গ্রেডের প্রভাষকদের বর্তমান মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা। নতুন কাঠামোয় এই বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিএড ডিগ্রিধারীরা ১০ম গ্রেডে বেতন পান। এ গ্রেডে বর্তমানে মূল বেতন ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা।

১১তম গ্রেডের সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা।

১৬তম গ্রেডের জুনিয়র শিক্ষক, অফিস সহকারী, হিসাব সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটরদের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। নতুন পে-স্কেলে তা বেড়ে হবে ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

১৮তম গ্রেডের ল্যাব সহকারীদের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে হবে ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।

অন্যদিকে, ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়াদের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় তাদের মূল বেতন বেড়ে হবে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা।

অর্থাৎ, নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সরকারি চাকরিজীবীদের মতো সব ধরনের ভাতা ও সুবিধা একইভাবে বাড়বে না।

মন্তব্য করুন

অনুমোদন পেল ৯ম জাতীয় পে-স্কেল, প্রজ্ঞাপন রোববার

প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার। এখন নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা। আগামী রোববার অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

নতুন বেতনকাঠামো সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থসচিব বলেন, রোববার অর্থ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। তখন নতুন বেতনকাঠামোর সব বিষয় স্পষ্টভাবে জানা যাবে।

এর আগে সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বৈঠকে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে। অনুমোদিত নতুন বেতনস্কেল ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

২০টি গ্রেডই বহাল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি-২০২৫-এর প্রতিবেদন পাওয়ার পর সরকারের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মন্ত্রিসভা নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন করেছে।

নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও যৌক্তিক বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এ সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি বেতন গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। তবে প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন বেতনস্কেলে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

কমেছে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান

নতুন বেতন কাঠামোয় বেতন বৈষম্য কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত কমানো হয়েছে।

বর্তমানে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত ১:১.৯৪৫। নতুন পে-স্কেলে এ অনুপাত কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে।

ফলে নতুন বেতনস্কেলে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ বাড়বে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত মূল বেতন বাড়বে ১০০ শতাংশ।

মন্তব্য করুন

মাদ্রাসার এমপিও শিক্ষকদের বদলির আবেদন নেওয়ার নির্দেশ

বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শূন্য পদের তালিকা থেকে পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে নির্ধারিত ছকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, বর্তমান পদের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি, বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানপত্র এবং কর্মস্থলের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানপ্রধানের মাধ্যমে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান অগ্রায়নপত্রের মাধ্যমে আবেদন ফরোয়ার্ড করবেন এবং এর একটি অনুলিপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন।

বদলির আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বর্তমান কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি পূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি সংক্রান্ত নীতিমালার সব শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

তবে কোনো শিক্ষকের এমপিও স্থগিত থাকলে, তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বদলির আবেদন ফরোয়ার্ড করা যাবে না।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়মিত বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় আবেদন গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন
×