শেকৃবি ডিবেটিং সোসাইটির নতুন নেতৃত্বে সামিয়া ও ইব্রাহিম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (সাউডস) ২০২৬-২৭ সেশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হালিমাতুস সামিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ।

গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও সংগঠনের গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এ কমিটি ঘোষণা করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট পদগুলোতে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় সংগঠনের সংবিধানের ধারা ১১-এর উপধারা ৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ শিক্ষাবর্ষ থেকে হালিমাতুস সামিয়াকে সভাপতি এবং পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইব্রাহিম খলিলুল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, “সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াটা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মান ও সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই পথচলায় যারা আমাকে পাশে থেকে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। পূর্ববর্তী কমিটিগুলো তাদের কার্যক্রম ও সাফল্যের মাধ্যমে যে শক্ত ভিত্তি তৈরি করে গিয়েছে, সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং ডিবেটিং সোসাইটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আগামী দিনগুলোতে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে।”

নবনির্বাচিত সভাপতি হালিমাতুস সামিয়া বলেন, “শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি সর্বদাই মুক্ত চিন্তাকে বিকশিত করার মুক্তমঞ্চ। এই মুক্তমঞ্চে যে বিতর্কের চর্চা হয়, সেই বিতর্ক হচ্ছে তত্ত্ব, তথ্য ও যুক্তির চমৎকার মেলবন্ধন। আমার ইচ্ছে বিতার্কিকদের মধ্যে সেই তত্ত্ব, তথ্য ও যুক্তির মেলবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় ও সুদূরপ্রসারী করা। একই সঙ্গে এই দক্ষতা যাতে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে, সেই লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করতে চাই।”

নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কচর্চা আরও গতিশীল হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও উজ্জ্বল হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন
আহমদ আলী
প্রকাশ : অক্টোবর ৬, ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ

গাড়িতে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য, আইনি জটিলতায় হানি সিং

বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না জনপ্রিয় ভারতীয় র‍্যাপার হানি সিংয়ের। এবার গাড়িতে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে আইনি জটিলতায় পড়েছেন এই গায়ক। তার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও নির্ধারিত দিনে হাজির হননি তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জানুয়ারিতে একটি কনসার্টে শীতের রাতে গাড়িতে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন হানি সিং। তিনি বলেন, ‘উফফ, দিল্লিতে এমন ঠান্ডা! শীতের রাতে গাড়িতে শারীরিক সম্পর্ক করার মজাই আলাদা…’। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকে তাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করেন।

সমালোচনার মুখে পরে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমাও চান হানি সিং। তবে তাতেও বিতর্ক থামেনি। তার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে তলব করা হয়। গতকাল ৫ অক্টোবর সাইবার সেলে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হননি তিনি। বরং হাজির হওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, চলতি বছর একটি গান নিয়েও আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন হানি সিং। গত মে মাসে প্রকাশিত তার একটি গানের বিরুদ্ধে নারী বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হিন্দু শক্তি দল তার বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

এক বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে আইনি জটিলতায় জড়ানোয় আবারও আলোচনায় এসেছেন হানি সিং। তবে সর্বশেষ অভিযোগের বিষয়ে তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন
×