মুসলিম ছাত্রীদের টিউশন ফি দেবে তামিলনাড়ু সরকার, থাকছে আরও যেসব সুবিধা

ভারতের তামিলনাড়ুতে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কল্যাণে একাধিক নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এর মধ্যে সরকারি কোটায় ভর্তি হওয়া মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহনের সিদ্ধান্ত রয়েছে। পাশাপাশি মুসলিম ছাত্রীদের বৃত্তি সম্প্রসারণ, সংখ্যালঘু নারীদের জন্য নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, আয়বর্ধক প্রকল্পে সুদমুক্ত ঋণ এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজ্য বিধানসভায় নিজ দপ্তরের অনুদানের দাবির ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে এসব উদ্যোগের ঘোষণা দেন তামিলনাড়ুর সংখ্যালঘুবিষয়ক কল্যাণমন্ত্রী এ এম শাহজাহান।

স্নাতকে মুসলিম ছাত্রীদের টিউশন ফি দেবে সরকার

মন্ত্রী জানান, সরকারি কোটায় ভর্তি হওয়া মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহন করবে রাজ্য সরকার। সরকারি, সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে কলা, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, চিকিৎসা, কৃষি ও আইন বিষয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এ সুবিধার আওতায় থাকবেন।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

নবম-দশম শ্রেণির মুসলিম ছাত্রীরাও পাবেন বৃত্তি

মুসলিম ছাত্রীদের জন্য ওয়াকফ বোর্ডের চলমান বৃত্তি কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতদিন প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির মুসলিম ছাত্রীরা এ সুবিধা পেলেও নতুন সিদ্ধান্তে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এখন থেকে এসব শিক্ষার্থীকে বছরে ২ হাজার রুপি করে বৃত্তি দেওয়া হবে। এতে প্রায় ৪১ হাজার ৩৮৪ জন ছাত্রী উপকৃত হবে। এ কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ২৮ লাখ রুপি।

চেন্নাইয়ে সংখ্যালঘু নারীদের জন্য কলেজ

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যালঘু নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চেন্নাইয়ে একটি নতুন কলা ও বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে তামিলনাড়ু ওয়াকফ বোর্ড।

মন্ত্রী শাহজাহান জানান, কলেজটি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিকভাবে ২ কোটি ৪৫ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

আয়বর্ধক প্রকল্পে ১০০ কোটি রুপির তহবিল

মুসলিম ওয়াকফ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় সম্পত্তিতে বিয়ের হল, বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক অবকাঠামো নির্মাণে ১০০ কোটি রুপির একটি ঘূর্ণায়মান তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এই তহবিল থেকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্পত্তিকে কাজে লাগিয়ে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

চার বছরে প্রশিক্ষণ পাবেন ১০ হাজার তরুণ

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নেও নতুন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ু স্কিল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের মাধ্যমে আগামী চার বছরে ১০ হাজার সংখ্যালঘু তরুণকে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

রাজ্যের সব জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি, অটোমোবাইল, পোশাক ডিজাইন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, সূচিকর্ম ও কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সরকারের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংখ্যালঘু তরুণদের স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং তাদের পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

তামিলনাড়ু সরকারের ঘোষিত নতুন উদ্যোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মুসলিম ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় টিউশন ফি মওকুফ, বৃত্তি কর্মসূচির সম্প্রসারণ, সংখ্যালঘু নারীদের জন্য নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, আয়বর্ধক প্রকল্পে সুদমুক্ত ঋণ এবং সংখ্যালঘু তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ।

মন্তব্য করুন

হংকংয়ে বিনামূল্যে পিএইচডির সুযোগ, বাংলাদেশিরাও পারবেন আবেদন

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে হংকং। ‘হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিম’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এ ফেলোশিপ দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১ ডিসেম্বর।

২০০৯ সালে হংকংয়ের রিসার্চ গ্রান্টস কাউন্সিল (RGC) হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিম চালু করে। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৪০০টি পিএইচডি ফেলোশিপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞান, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পিএইচডির জন্য আবেদন করা যাবে।

যে ৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ

ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হংকংয়ের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনোটিতে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—

১. সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং
২. হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি
৩. লিংনান ইউনিভার্সিটি
৪. দ্য চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং
৫. দ্য এডুকেশন ইউনিভার্সিটি অব হংকং
৬. হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি
৭. হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
৮. দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকং

কী কী সুবিধা মিলবে

ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত বার্ষিক উপবৃত্তি পাবেন। পাশাপাশি সম্মেলন ও গবেষণা ভ্রমণের জন্যও ভাতা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আবেদনের যোগ্যতা

হংকং পিএইচডি ফেলোশিপের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কয়েকটি যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। যোগ্যতাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • সদ্য স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা এবং পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার আগ্রহ থাকতে হবে।

  • ভালো একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।

  • গবেষণার সক্ষমতা ও সম্ভাবনা থাকতে হবে।

  • যোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা থাকতে হবে।

  • নেতৃত্বের গুণাবলি থাকতে হবে।

  • ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে IELTS স্কোর প্রয়োজন হতে পারে। তবে আগের একাডেমিক কোর্স ইংরেজি মাধ্যমে সম্পন্ন হলে IELTS প্রয়োজন নাও হতে পারে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের প্রথমে অনলাইনে হংকং পিএইচডি ফেলোশিপের জন্য একটি প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। প্রাথমিক আবেদনের পর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৬।

তাই আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৪ আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ, আবেদন শেষ যেসব তারিখে

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীর। তবে টিউশন ফি, আবাসন, যাতায়াতসহ নানা খরচের কারণে অনেকের জন্য সেই স্বপ্ন পূরণ কঠিন হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ হতে পারে বড় সহায়তা। এসব বৃত্তির আওতায় শুধু টিউশন ফি নয়, অনেক ক্ষেত্রে মাসিক ভাতা, আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা, যাতায়াত ও গবেষণার খরচও দেওয়া হয়।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান এমন স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্কলারশিপে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন চারটি স্কলারশিপ সম্পর্কে—

১. সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ড (সিঙ্গা)

সিঙ্গাপুর সরকারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ হলো ‘সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ড’ বা সিঙ্গা। এর আওতায় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে।

এই স্কলারশিপের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে বিনা মূল্যে পিএইচডি প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। পিএইচডি প্রোগ্রামের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৬।

বিস্তারিত: Singapore International Graduate Award (SINGA)

২. নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি হলো নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ। এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

স্কলারশিপটি সাধারণত সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত একাডেমিক খরচ বহন করে। তবে একাধিক বা যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রামে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হোম ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে অতিরিক্ত বা সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

আবেদনের শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬।

বিস্তারিত: Knight-Hennessy Scholars—Stanford University

৩. এডিবি-জাপান স্কলারশিপ প্রোগ্রাম

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয় এডিবি-জেএসপি (Asian Development Bank–Japan Scholarship Program)। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মেধাবী তরুণ ও পেশাজীবীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

স্কলারশিপের আওতায় পূর্ণ টিউশন ফি, মাসিক জীবনযাপন ও আবাসন ভাতা, বই ও শিক্ষা উপকরণ, স্বাস্থ্যবিমা, যাতায়াত ব্যয় এবং গবেষণাসংক্রান্ত সহায়তা দেওয়া হয়।

তবে এ স্কলারশিপের আবেদনের সময়সীমা নির্দিষ্ট নয়। অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনটেকভেদে সময়সীমা ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে।

আবেদনের সময়: অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভিন্ন।

বিস্তারিত: ADB–Japan Scholarship Program

৪. ব্রিটিশ শেভেনিং স্কলারশিপ

যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রি করার সুযোগ দেয় ব্রিটিশ সরকারের বহুল পরিচিত শেভেনিং স্কলারশিপ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণদের জন্য এ বৃত্তি দেওয়া হয়।

আবেদনকারীদের নেতৃত্বের গুণাবলি, পেশাগত অভিজ্ঞতা, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা এবং নিজ দেশ ও সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শেভেনিং স্কলারশিপের আওতায় টিউশন ফি, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের খরচসহ নির্ধারিত অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়।

আবেদনের শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬।

বিস্তারিত: Chevening Scholarship—Application Timeline

আবেদনের আগে যা মনে রাখবেন

স্কলারশিপের সুযোগ থাকলেই আবেদন করলেই হবে না। প্রতিটি প্রোগ্রামের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ফলাফল, ভাষাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের সময়সীমা আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।

বিশেষ করে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, সুপারিশপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখলে আবেদনের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট স্কলারশিপের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

মন্তব্য করুন

যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকে বছরে ২৮ হাজার ডলারের স্কলারশিপ, আবেদন ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা, একাডেমিক সাফল্য, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সামগ্রিক দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের এ স্কলারশিপ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ সময় ৪ ডিসেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের টাসকালুসায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব আলাবামায় স্নাতক পর্যায়ে ১০০টির বেশি বিষয় ও প্রোগ্রাম রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণা, অনার্স প্রোগ্রাম এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

স্কলারশিপে যা থাকছে

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ডলার পর্যন্ত স্কলারশিপ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হবে।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক সাফল্য বিবেচনা করে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন করা হবে।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। একই সঙ্গে আগের শিক্ষাজীবনে উল্লেখযোগ্য একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।

আবেদনকারীর—

  • SAT স্কোর ১,৪২০ থেকে ১,৬০০-এর মধ্যে অথবা

  • ACT স্কোর ৩২ থেকে ৩৬-এর মধ্যে

থাকতে হবে।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

  • বৈধ পাসপোর্টের কপি

  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট

  • ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার সনদ

  • কাউন্সেলরের সুপারিশপত্র

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও অন্যান্য একাডেমিক রেকর্ড

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৪ ডিসেম্বর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

জাপানে টিএমইউর ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ, মাসে মিলবে দেড় লাখ ইয়েন

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পড়ার সুযোগ দিচ্ছে জাপানের টোকিও মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি (টিএমইউ)। ‘টোকিও গ্লোবাল পার্টনার স্কলারশিপ’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এ সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপটির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রোগ্রামভেদে আবেদনের সময়সীমা আলাদা। তাই আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত টোকিও মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি একটি সরকারি গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। টোকিও মেট্রোপলিটন সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ধীরে ধীরে বাড়ছে।

স্কলারশিপে যেসব সুবিধা

‘টোকিও গ্লোবাল পার্টনার স্কলারশিপ’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকটি আর্থিক সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ;

  • বিমানভাড়া প্রদান;

  • ভর্তি ফি মওকুফ বা প্রদান;

  • প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়েন উপবৃত্তি।

আবেদনের যোগ্যতা

স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে আবেদন করতে আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আর পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকা আবশ্যক।

এ ছাড়া প্রোগ্রামভেদে আবেদনকারীর গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা বা উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের নির্ধারিত অন্যান্য যোগ্যতাও পূরণ করতে হবে।

যেসব বিষয়ে পড়ার সুযোগ

স্কলারশিপের আওতায় টিএমইউর বিভিন্ন স্কুল ও গ্র্যাজুয়েট স্কুলের অধীনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • স্কুল অব হিউম্যান হেলথ সায়েন্সেস

  • স্কুল অব সিস্টেমস ডিজাইন

  • স্কুল অব আরবান এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস

  • গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স

  • গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট

  • গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব ল অ্যান্ড পলিটিকস

  • গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব হিউম্যানিটিজ

এসব স্কুলের অধীনে বিভিন্ন বিভাগে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদন করার আগে পছন্দের প্রোগ্রামের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের সময়সীমা ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে।

মন্তব্য করুন

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে তিন মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপে নিয়োগ, মাসে ভাতা ১০ হাজার টাকা

বৃত্তির খবর
বৃত্তির খবর

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) তিন মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ কর্মসূচিতে ২০ জন ইন্টার্ন নিয়োগ দেবে। নির্বাচিত ইন্টার্নদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকেল ৫টার মধ্যে।

আবেদন করতে পারবেন যাঁরা

ইংরেজি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, হিসাববিজ্ঞান, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, অর্থনীতি, বাণিজ্যিক ভূগোল, গণিত, পরিবেশবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন, ব্যবসায় প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, লোকপ্রশাসন, জনপ্রশাসন, পাবলিক পলিসি বা উন্নয়ন সহযোগিতা– এসব বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার যোগ্যতা

১. আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে (অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।
৩. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে, অথবা পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী হতে হবে। অবতীর্ণ প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
৪. ডিগ্রি অর্জনের দুই বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
৫. অনলাইনে ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
৬. একজন প্রার্থী কেবল একবারই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন।

ইন্টার্নশিপ ভাতা ও শর্তাবলি

১. প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হবে; অন্য কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না।
২. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নির্ধারিত সুপারভাইজারের অধীনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩. ভাতা পাওয়ার জন্য প্রতি মাসে সন্তোষজনক কাজের প্রত্যয়ন জমা দিতে হবে।
৪. ইন্টার্নশিপ চলাকালে “চাকরিতে নিয়োজিত” হিসেবে কোনো সনদ দেওয়া হবে না।
৫. ইন্টার্নশিপ সফলভাবে সম্পন্ন করলে একটি সনদ প্রদান করা হবে, তবে এটি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য হবে না।

আবেদনের শেষ সময়

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২০ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

# বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট

মন্তব্য করুন

স্ট্যানফোর্ডে ৩ বছরের গবেষণার সুযোগ, বছরে ৯৮ হাজার ডলারের ফেলোশিপ

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তিন বছর গবেষণার সুযোগ দিচ্ছে স্ট্যানফোর্ড সায়েন্স ফেলোস ফেলোশিপ। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌলিক পরীক্ষামূলক বা তাত্ত্বিক গবেষণায় আগ্রহী ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ের মেধাবী বিজ্ঞানীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

যেসব বিষয়ে গবেষণার সুযোগ

স্ট্যানফোর্ড সায়েন্স ফেলোসের আওতায় প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা করা যাবে। ক্ষেত্রগুলো হলো—

  • জ্যোতির্বিজ্ঞান ও অ্যাস্ট্রোফিজিকস

  • জীববিজ্ঞান

  • রসায়ন

  • পৃথিবী ও মহাসাগরবিজ্ঞান

  • গণিত ও পরিসংখ্যান

  • পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞান

  • থিওরি ও সিমুলেশন

  • প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র

ফেলোশিপের মেয়াদ

ফেলোশিপের মেয়াদ তিন বছর। সাধারণত ২০২৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ফেলোশিপ শুরু হয়ে ২০৩০ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

তবে নির্বাচিত ফেলো চাইলে ১ জুলাই বা ১ আগস্ট থেকেও যোগ দিতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই ২০২৭ সালের ১ সেপ্টেম্বরের পর ফেলোশিপে যোগ দেওয়া যাবে না।

বছরে ৯৮ হাজার ডলার স্টাইপেন্ড

ফেলোশিপের আওতায় নির্বাচিত গবেষককে প্রতি বছর ৯৮ হাজার ডলার স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি স্ট্যানফোর্ডের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার এবং গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।

এ ছাড়া—

  • স্থানান্তর ব্যয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ ডলার দেওয়া হবে।

  • যোগ্য ফেলোদের শিশু যত্নের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

  • ভিসা সংক্রান্ত ব্যয়ের জন্যও সহায়তা পাওয়া যাবে।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

এ ফেলোশিপে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ের বিজ্ঞানী হতে হবে। ফেলোশিপ শুরু হওয়ার আগের তিন বছরের মধ্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ দুই বছরের পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা থাকা যাবে।

বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী ও পোস্টডক্টরাল গবেষকরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

এ ছাড়া যারা ১ মার্চ ২০২৭-এর আগে স্ট্যানফোর্ডে পোস্টডক্টরাল পদে যোগ দেবেন, তারাও এ ফেলোশিপে আবেদন করার যোগ্য হবেন না।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আবেদনের সময় প্রার্থীদের কয়েকটি প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

  • কারিকুলাম ভিটা (সিভি)

  • কভার লেটার

  • তিনটি সুপারিশপত্র

  • সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার ক্যারিয়ার স্টেটমেন্ট

  • সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার গবেষণা প্রস্তাব

গবেষণা প্রস্তাবে গবেষণার সমস্যা, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে কী অর্জন করা সম্ভব এবং প্রস্তাবিত গবেষণায় স্ট্যানফোর্ড কীভাবে সহায়তা করতে পারে—এসব বিষয় তুলে ধরতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীদের অ্যাকাডেমিক জবস অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের আগে সম্ভাব্য স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গবেষণার সহযোগিতা ও হোস্টিংয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

ফেলোশিপ পাওয়ার আগে অন্তত একজন স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যকে আবেদনকারীকে হোস্ট করতে সম্মত হতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৬ অক্টোবর ২০২৬।

মন্তব্য করুন
×