৫৪ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা এবং শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পের আওতায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দেওয়ার সংস্থান রাখা হয়েছে।

তৈরি হবে মাস্টার ট্রেইনার পুল

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য চার বিষয়ের দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে একটি বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে মাউশির মহাপরিচালক কর্তৃক প্রশিক্ষক নির্বাচন নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, পেশাগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্যদের বাছাই করে মাস্টার ট্রেইনার পুল প্রস্তুত করা হবে।

আবেদনে যেসব শর্ত

মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কর্তৃপক্ষের অগ্রায়ণপত্র দাখিল করতে হবে। ওই অগ্রায়ণপত্রে আবেদনকারীকে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের অনুমতি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য প্রশিক্ষণে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীর প্রশিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র বা প্রযোজ্য অন্যান্য সনদ ও অফিস আদেশ থাকলে সেগুলোর প্রমাণকও দাখিল করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত অনলাইন লিংকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের পর তাদের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে রেকর্ড আবেদন, বিপাকে শিক্ষা বোর্ড, আসছে নতুন নীতিমালা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা এবার শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগ নয়, বরং পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে— শিক্ষামন্ত্রীর এমন ঘোষণায় খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনে এবার রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। অনেকেই একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় মোট খাতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক খাতা নতুন করে দেখা নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

অন্যদিকে, প্রতি খাতার ফি ১৫০ টাকা হিসেবে শিক্ষার্থীদের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে ১৯ কোটি ৩১ লাখ ৮৮ হাজার ৯০০ টাকা। ফি বাবদ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়কে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক পরিচালক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান এ বিষয়ে বলেন:"ফরম পূরণের সময় পরীক্ষা গ্রহণ, খাতা মূল্যায়ন ও ফল তৈরি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়। এরপরও শিক্ষার্থীদের খাতা ঠিকঠাকভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। তখন যদি কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে চায়, তাহলে তাকে ফি দিতে হবে কেন? শুধু সে পুনর্নিরীক্ষণ চায়, এ আগ্রহ জানালেই তো বোর্ড পুনরায় খাতা দেখে তার ফল জানাতে বাধ্য।"

একই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দেওয়া এক শিক্ষার্থীর মা আরিফা জাহান হেনা,"আমরা তো ফরম পূরণের সঙ্গে সব ফি দিয়েছি। তাহলে আবার কেন ফি দিতে হবে? তাছাড়া পুরো খাতাটা নাকি দেখাও হয় না। তারা যোগ বা বিয়োগ করতে ভুল করে; সেটা সংশোধনে আবার উল্টো আমাদের কাছ থেকেই টাকা নেন। এটা তো জুলুম।"

মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ খাতা তৃতীয় পরীক্ষক দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন করে মূল্যায়ন করা শিক্ষা বোর্ডগুলোর জন্য একপ্রকার অসম্ভব কাজ। এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের একজন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) মূল্যায়নের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন,"প্রতি বান্ডিল খাতা থেকে র‌্যানডম (দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে) কয়েককটি খাতা নিয়ে দেখে তাতে গরমিল পাওয়া গেলে, বান্ডিলের সব খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে। যদি কোনো বান্ডিলে এমন সমস্যা না হয়, তাহলে শুধু নম্বরের যোগ-বিয়োগ ঠিক করা হবে।"

এদিকে, পুনর্নিরীক্ষণের কারণে একাদশে ভর্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে শিক্ষা বোর্ড। একাদশ শ্রেণিতে সাধারণ ভর্তি আবেদন ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে ভর্তির আবেদনের বিশেষ সুযোগ পাবেন। ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন,"পুনর্নিরীক্ষণে কেউ যদি ফেল থেকে পাস করে, সেদিক বিবেচনায় দুই দিন আবেদনের সুযোগ রেখেছি। তারা একই নিয়মে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। তাদের আবেদন নেওয়ার পর একাদশে ভর্তিতে কে, কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। এতে ভয় বা উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। আগ্রহী সবাই ভর্তির সুযোগ পাবে।"

সব মিলিয়ে আবেদনের এই বিশাল স্তূপ দেখে চাপে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এত খাতা পুনর্মূল্যায়ন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে তিনি নতুন নীতিমালার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন,bl"এবার এসএসসির উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এ অবস্থা দেখে মনে হয় প্রায় সব শিক্ষার্থীই খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চায়। তাই খাতা পুনর্মূল্যায়নে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে; যেন কোন ধরনের খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, সেগুলোর আওতা নির্দিষ্ট করা যায়।"

মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনার আলোকেই কাজ চলছে বলে জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান,"অসংখ্য খাতা পুনর্নিরীক্ষণে আবেদন এসেছে এবার। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কাজ করছি। পুনর্মূল্যায়ন বলেন বা পুনর্নিরীক্ষণ বলেন, যেটা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, সেটাই আমরা মানছি। এর বাইরে আর কিছু জানানো সম্ভব নয়।"
 

মন্তব্য করুন

ইউনেস্কোর ‘ডিজিটাল লার্নিং উইকে’ যোগ দিতে ফ্রান্সে শিক্ষামন্ত্রী

ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’-এ অংশ নিতে ফ্রান্সের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি প্যারিসের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে আগামী ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য—‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষা: সত্য, দ্বন্দ্ব, সীমানা’ (Education in the Age of AI: Facts, Frictions, Frontiers)।

সূচি অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কো সদর দপ্তরে ‘Age Appropriateness and AI in Education’ শীর্ষক সেশনে অংশ নেবেন শিক্ষামন্ত্রী।

পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর ‘Teachers at the Center: Agency, Competencies and the Teacher-Student Relationship’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

এবারের ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষার ভবিষ্যৎ, শিক্ষকদের ভূমিকা, এআই ব্যবহারের উপযুক্ততা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

অবসর সুবিধা না পাওয়া এমপিও শিক্ষকদের কাগজপত্র পাঠানোর অনুরোধ

অবসর সুবিধা না পাওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষক-কর্মচারীদের এ জন্য সশরীরে বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই। ডাকযোগে, কুরিয়ার সার্ভিস অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো যাবে।

একই সঙ্গে অবসর সুবিধার অর্থ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারক চক্রের খপ্পরে না পড়তে শিক্ষক-কর্মচারীদের সতর্ক করেছে বোর্ড।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের পরিচালক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ আগস্ট থেকে পাঠানো অবসর সুবিধা ভাতার আবেদনকারীদের মধ্যে যারা এখনো ভাতা পাননি, শুধু তাদেরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের সশরীরে বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। ডাকযোগে, কুরিয়ার সার্ভিস অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে এসব কাগজপত্র পাঠানো যাবে।

আবেদনকারীদের আবেদনের রিসিটের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি, এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট পাঠাতে বলা হয়েছে।

ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কাগজপত্র পাঠাতে হবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের ঠিকানায়। পাশাপাশি শাখাভিত্তিক ই-মেইলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো যাবে। স্কুল শাখার জন্য school.terbb@gmail.com, কলেজ ও কারিগরি শাখার জন্য college.terbb@gmail.com এবং মাদ্রাসা শাখার জন্য madrasha.terbb@gmail.com ঠিকানায় কাগজপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

বিজ্ঞপ্তিতে অবসর সুবিধাপ্রত্যাশী শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতারক চক্রের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে আইবাস++ অথবা ইএফটির মাধ্যমে অবসর সুবিধার অর্থ পৌঁছে যাবে। তাই এ বিষয়ে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সতর্ক করা হয়েছে।

এ ছাড়া অবসর সুবিধা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অবসর সুবিধা সংক্রান্ত বিভিন্ন নোটিশ এবং অনলাইন আবেদনসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বোর্ডের নির্ধারিত মাধ্যম থেকে এসব তথ্য যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

নবম পে-স্কেলে এমপিওভুক্তদের বেতন বাড়বে দ্বিগুণ, যেভাবে হবে কার্যকর

বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুবিধার আওতায় আসছেন। তবে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী তাদের বেতন-ভাতা কার্যকর করতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। এ জন্য গেজেট প্রকাশের পর চারটি প্রশাসনিক ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মাউশিকে একটি চিঠি দেওয়া হবে। ওই চিঠিতে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে সরকারের অতিরিক্ত কত অর্থ প্রয়োজন হবে, তা হিসাব করে জানাতে বলা হবে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর মাউশি প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এ বিষয়ে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করবে। এটি হবে দ্বিতীয় ধাপ। পরে ওই সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

তৃতীয় ধাপে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে পৃথক দুটি চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ছাড়ের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চাওয়া হবে এসব চিঠিতে।

সবশেষে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মতি জানিয়ে দুই বিভাগে চিঠি পাঠাবে। এই অনুমোদন পাওয়ার পরই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা পে-স্কেলের গেজেটের অপেক্ষায় রয়েছি। গেজেট জারির পর দ্রুত সময়ের মধ্যে মাউশিকে চিঠি পাঠানো হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মতি দিলে দ্রুত গেজেট জারি করে শিক্ষকদের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হবে।’

কার বেতন কত হতে পারে

নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে—

  • চতুর্থ গ্রেডের অধ্যক্ষ: বর্তমানে মূল বেতন ৫০ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় হবে ১ লাখ টাকা।

  • ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপক: বর্তমান ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৭১ হাজার টাকা।

  • সপ্তম গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক: বর্তমান ২৯ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ৫৮ হাজার টাকা।

  • নবম গ্রেডের প্রভাষক: বর্তমান ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ৪৪ হাজার টাকা।

  • দশম গ্রেডের বিএডধারী শিক্ষক: বর্তমান মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ৩২ হাজার টাকা।

  • একাদশ গ্রেডের সহকারী শিক্ষক: বর্তমান ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২৫ হাজার টাকা।

  • ষোড়শ গ্রেডের জুনিয়র শিক্ষক, অফিস সহকারী, হিসাব সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর: বর্তমান ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

  • অষ্টাদশ গ্রেডের ল্যাব সহকারী: বর্তমান ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২১ হাজার টাকা।

  • বিংশ গ্রেডের অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া: বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পাওয়া যায়। নতুন কাঠামোয় তা বেড়ে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

মন্তব্য করুন

এবার এইচএসসিতে এত কম পাসের কারণ কী ?

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার (৫৮.৮৩%) উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে বলে শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এই ফলাফলকে "বাস্তবভিত্তিক" এবং "স্বাভাবিক" বলে উল্লেখ করেছেন এবং এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘদিনের সমস্যা ও মূল্যায়নে কঠোরতা তুলে ধরেছেন।

পাসের হার কমার প্রধান কারণগুলো হলো:

১. শিক্ষার প্রকৃত ঘাটতি (Learning Crisis):

  • শিক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, বাংলাদেশে শেখার সংকট শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকেই এবং সেই ঘাটতি বছর বছর সঞ্চিত হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এসে বড় আকারে ধরা পড়েছে।

  • দীর্ঘদিন ধরে শুধু 'ভালো' ফলাফল দেখানোর জন্য পাসের হার ও জিপিএ-৫-কে সাফল্যের মানদণ্ড হিসেবে ধরার প্রবণতা ছিল, যা শেখার প্রকৃত ঘাটতিকে আড়াল করে রেখেছিল।
     

    বছর

    পাসের হার (%)

    ২০১৫

    ৭৪.৭৭

    ২০১৬

    ৭৮.০৫

    ২০১৭

    ৭৮.৭৭

    ২০১৮

    ৭৬.৭৪

    ২০১৯

    ৭৩.৯৭

    ২০২০

    ১০০ (অটোপাস)

    ২০২১

    ৯৫.২৬

    ২০২২

    ৮৫.৯৫

    ২০২৩

    ৭৮.৬৪

    ২০২৪

    ৭৭.৭৮

    ২০২৫

    ৫৮.৮৩

২. মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন ও কঠোরতা:

  • শিক্ষা উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এবারের মূল্যায়নে "অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে সন্তুষ্টি" নয়, বরং "ন্যায্য নম্বর দিয়ে সততা"-কে বেছে নেওয়া হয়েছে।

  • তিনি সকল শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছিলেন— যেন ফলাফলের বাস্তবতা বিকৃত না হয় এবং সীমান্তরেখায় থাকা শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায্যতা বজায় রেখে কঠোরভাবে খাতা দেখা হয়।

  • এর অর্থ হলো, আগে যে "গ্রেস মার্কস" বা কিছুটা উদারভাবে নম্বর দেওয়ার প্রবণতা ছিল, এবার তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব ফলাফলে পড়েছে।

৩. বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা:

  • ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের মতে, শিক্ষার্থীরা ইংরেজি, গণিত এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিষয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্বলতা দেখিয়েছে, যা সামগ্রিক পাসের হার কমিয়ে দিয়েছে।

৪. কোভিড-পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা:

  • এটিই প্রথম পরীক্ষা, যা কোভিড-১৯ মহামারীর পরে পূর্ণ নম্বর, পূর্ণ সময় এবং পূর্ণ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে (বিশেষ করে ২০২০, ২০২১ ও ২০২২) পরীক্ষা বাতিল, সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ও বিষয় ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রকাশিত হওয়ায় পাসের হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি ছিল। স্বাভাবিক পদ্ধতিতে ফেরায় পাসের হার কমেছে।

শিক্ষা উপদেষ্টা এই ফলাফলকে "ব্যর্থতা নয়, বরং আত্মসমালোচনার সুযোগ" হিসেবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার মান ও ন্যায্য মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচিতে সব শিক্ষকের হাতে ট্যাব

 

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষকতা পেশাকে আরও আকর্ষণীয় করতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর আওতায় পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক থেকে শুরু করে সব স্তরের শিক্ষকের হাতে ডিজিটাল ট্যাবলেট তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সম্মানজনক অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

শিক্ষকদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ সম্পর্কে মাহদী আমিন বলেন, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় ধাপে ধাপে প্রাথমিক থেকে সব পর্যায়ের শিক্ষকের হাতে ডিজিটাল ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সম্মানজনক অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় বাড়বে সরকারি বরাদ্দ

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিবেশ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান উন্নয়নের বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষকদের দেশে ফিরিয়ে এনে ‘ব্রেন ড্রেন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

গবেষণা খাতে সরকারি বরাদ্দও বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

গ্রাম-শহরের শিক্ষাবৈষম্য কমাতে জাতীয় প্রতিযোগিতা

বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বৈষম্য দূর করার বিষয়েও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, গ্রামীণ ও শহরের বিদ্যালয়ের মধ্যে সুযোগের বৈষম্য কমাতে দেশব্যাপী ‘প্রাইমারি স্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এবং ‘ইনোভেশন ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন’-এর মতো জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চালু করা হয়েছে।

এসব আয়োজনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের সামনে আসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং তারা প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্বীকৃতি পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, ‘কেবল সনদসর্বস্ব শিক্ষা নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিভাগ ও জেলায় চালু হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’

বেকারত্ব কমিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ বা কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় স্থানীয় কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীরা তাঁদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন। অন্যদিকে চাকরিদাতা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাহদী আমিন বলেন, বেসরকারি খাতকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্রের কার্যক্রম প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং পরে দেশের প্রতিটি জেলায় সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তাঁদের জাতীয় অর্থনীতি ও সামাজিক সুরক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাসস

মন্তব্য করুন
×