মাধ্যমিকের সব শিক্ষকের জন্য সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষককে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করে সনদ সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় এ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে নির্ধারিত কোর্সটি সম্পন্ন করে সনদ ডাউনলোড করতে হবে শিক্ষকদের।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় অনলাইন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সটি চালু করা হয়েছে। কোর্সে অংশ নিতে শিক্ষকরা নিজেদের পিডিএস আইডি ব্যবহার করে লগইন বা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব শিক্ষককে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোর্সটি সম্পন্ন করে অনলাইন থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে বলা হয়েছে।

থাকছে ৬টি মডিউল

মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, অনলাইন ইন্টার‌্যাকটিভ কোর্সটিতে মোট ছয়টি মডিউল রয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ মডিউলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি বাস্তব শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

শিক্ষকরা ওই কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর এর ছবি বা ভিডিও নির্ধারিত লিংকে শেয়ার করবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই দেওয়া রয়েছে।

ছয়টি মডিউল ও নির্ধারিত শ্রেণি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করলে শিক্ষকরা মাউশি ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালকের স্বাক্ষরযুক্ত সনদ অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সহায়তার নির্দেশ

প্রশিক্ষণটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষককে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাউশি জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যবহারে সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়াতেও এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য করুন

বগুড়ায় মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার স্কুল সরকারি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ‘শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’কে সরকারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (১১ ভাদ্র ১৪৩৩) থেকে বিদ্যালয়টি ‘শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও কর্মচারীদের সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণ করা হবে। তবে আত্তীকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি বদলিযোগ্য হবে না।

জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

মন্তব্য করুন

আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

অবসরভাতা না পেয়ে অনিশ্চয়তায় ৮৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী

অবসরে যাওয়া শিক্ষক
অবসরে যাওয়া শিক্ষক

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী চার বছর ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। নিয়মিত চাঁদা দেওয়া সত্ত্বেও অবসরের পর তারা প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছেন না। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অবসরের ছয় মাসের মধ্যে ভাতা পরিশোধ করার কথা থাকলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা বাস্তবায়ন করতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট জানিয়েছে, জমে থাকা আবেদন নিষ্পত্তিতে এখনই প্রয়োজন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সম্প্রতি সরকার দিয়েছে মাত্র ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা—যার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা বন্ড আকারে অবসর সুবিধা বোর্ডে এবং ২০০ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে কল্যাণ ট্রাস্টে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সংকট নিরসন হবে না। বর্তমানে একটি আবেদন নিষ্পন্ন হতে গড়ে আড়াই বছর সময় লেগে যাচ্ছে।

এদিকে, আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ ধারদেনা করে চলছেন, আবার অনেকে টাকা না পেয়ে মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা প্রাপ্য পাওয়ার জন্য ছুটছেন।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না হলে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব ও সমাজে তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে। তরুণ প্রজন্মও শিক্ষা পেশায় আগ্রহ হারাতে পারে। তাদের মতে, শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ব্যয় করাতেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের হিসাবে, বর্তমানে ৪৫ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন, যার জন্য প্রয়োজন ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টে ৪২ হাজার ৬০০ আবেদন জমে আছে, যা নিষ্পত্তি করতে লাগবে প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। অথচ বোর্ডের মাসিক চাহিদা ৬৫ কোটি টাকা হলেও জমা হয় মাত্র ৫৫ কোটি টাকা, ফলে প্রতিবছর প্রায় ১২০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

চাকরিকালে কাটা টাকা

অবসর সুবিধার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬% এবং কল্যাণ সুবিধার জন্য ৪% টাকা কেটে রাখা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে—এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরের জন্য ও ৩০ টাকা কল্যাণের জন্য। অর্থাৎ, চাকরিকালে নিজেদের জমানো টাকা ফেরত পেতে এখন বছরের পর বছর ধরনা দিতে হচ্ছে শিক্ষকদের।

সমাধানের দাবি

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা বলছেন, সংকট সমাধানে প্রয়োজন এককালীন বিশেষ বরাদ্দ। নাহলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্ভোগ দীর্ঘদিন চলতেই থাকবে।


 

মন্তব্য করুন

মেহেরপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় নকল, চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মেহেরপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) পরীক্ষায় নকলের ঘটনায় জড়িত চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দুই শিক্ষককে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ডিগ্রি কলেজে বাউবির অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি নজরে আসার পর পরীক্ষার সময় নকলের সঙ্গে জড়িত চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিকে পরীক্ষায় নকলের ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার শিকার বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) গাংনী থানায় মামলা করেন। মামলায় রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এসএসসি ২০২৬ পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পাশাপাশি পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। একই সময়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।

শিক্ষার্থীদের ফলাফল জানতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলও বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

ফল প্রকাশের সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা
ফল পাওয়া যাবে: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে
এসএমএস: পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে

মন্তব্য করুন

মাদ্রাসার এমপিও শিক্ষকদের বদলির আবেদন নেওয়ার নির্দেশ

বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শূন্য পদের তালিকা থেকে পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে নির্ধারিত ছকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, বর্তমান পদের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি, বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানপত্র এবং কর্মস্থলের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানপ্রধানের মাধ্যমে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান অগ্রায়নপত্রের মাধ্যমে আবেদন ফরোয়ার্ড করবেন এবং এর একটি অনুলিপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন।

বদলির আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বর্তমান কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি পূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি সংক্রান্ত নীতিমালার সব শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

তবে কোনো শিক্ষকের এমপিও স্থগিত থাকলে, তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বদলির আবেদন ফরোয়ার্ড করা যাবে না।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়মিত বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় আবেদন গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ: দিনটি ‘ঐতিহাসিক’ - উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ বলেও মনে করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ করার বিষয়ে সম্মতিপত্র জারি করে। এরপর এক বিবৃতিতে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আজকের এই দিনটি শিক্ষা বিভাগের জন্য সত্যিই ঐতিহাসিক। চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়িভাড়া কার্যকর হবে, আর ২০২৬ সালের জুলাই থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট ১৫ শতাংশ ভাতা চালু হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সম্মানিত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতে পেরে একজন শিক্ষক হিসেবে এবং শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষা উপদেষ্টা বিশ্বাস করেন—শিক্ষকরা সমাজে আরও বেশি সম্মানের দাবিদার, এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে।

সি আর আবরার বলেন, “বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পথটা সহজ ছিল না। নানা মতভেদ, বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল। কিন্তু কোনো বিতর্কে জড়ানো ছাড়া আমরা ন্যায্য ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেই কাজ করে গেছি।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নেপথ্যে থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টা পরিষদ এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “এটি কারও একার অর্জন নয়; এটি যৌথ সাফল্য। শিক্ষকদের আন্দোলন আমাদের বাস্তবতা বুঝিয়েছে, সরকার দায়িত্বশীলভাবে সাড়া দিয়েছে, আর একসঙ্গে কাজ করার ফলেই আমরা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি—যেখানে সম্মান, সংলাপ ও সমঝোতাই জয়ী হয়েছে।”

শেষে তিনি বলেন, “এখন সময় ক্লাসে ফেরা, শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়া—আমাদের আসল কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার। আজকের এই সমঝোতা হোক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও মানসম্মত শিক্ষার নতুন সূচনা। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে পারব।”

মন্তব্য করুন
×