জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আলাদাভাবে করলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হবে: তারেক রহমান

557 View Education Bangla নভেম্বর ১৩, ২০২৫

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আলাদাভাবে করলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হবে: তারেক রহমান

সৰ্বাধিক পঠিত
বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি এবং কেন?

“বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়” নির্ধারণ করা সহজ নয়, কারণ সেরা হওয়ার মানদণ্ড একেকজনের কাছে একেক রকম হতে পারে—কেউ গবেষণা দেখে, কেউ শিক্ষকতার মান, কেউ চাকরির সুযোগ, কেউ আবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তবু আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হয়, তার মধ্যে শীর্ষে থাকে ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড (University of Oxford)। কেন অক্সফোর্ডকে বিশ্বের সেরা বলা হয়? সাম্প্রতিক Times Higher Education (THE) World University Rankings–এ অক্সফোর্ড ধারাবাহিকভাবে প্রথম স্থানে রয়েছে। একাধিক কারণে এটি বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা পায়— ১. গবেষণায় অতুলনীয় উৎকর্ষতা (Research Excellence) অক্সফোর্ড বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার গবেষণা পেপার প্রকাশিত হয়, যেগুলোর অনেকই মানবসভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসাবিজ্ঞান. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পরিবেশবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মানবিক শাস্ত্র—এসব ক্ষেত্রে অক্সফোর্ডের গবেষণা বিশ্বমানের বলে স্বীকৃত। গবেষণার জন্য অক্সফোর্ড যে পরিমাণ অর্থায়ন পায়, তাও অসাধারণ। বিশ্বব্যাপী গবেষণা সহযোগিতা তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করে। ২. শিক্ষাদানের মান ও শিক্ষাকাঠামো (Teaching Quality) অক্সফোর্ডের শিক্ষাদান পদ্ধতি বিশেষভাবে বিখ্যাত— তাদের “টিউটোরিয়াল সিস্টেম” বিশ্বে অনন্য, যেখানে ছোট ছোট গ্রুপে বা এক-টু-ওয়ান শেখানো হয়। অত্যন্ত যোগ্য শিক্ষক ও গবেষকরা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে গাইড করেন। শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ থাকে শুরু থেকেই। এ কারণে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানের গভীরে যাওয়ার সুযোগ পায় এবং প্রতিটি ছাত্রকে আলাদা করে উন্নত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ৩. আন্তর্জাতিকীকরণ, বৈচিত্র্য ও গ্লোবাল নেটওয়ার্ক (International Outlook) অক্সফোর্ডে বিশ্বের প্রায় সব দেশের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।  বিদেশি শিক্ষকের সংখ্যা বেশি.  আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা শক্তিশালী. বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ প্রকল্প এই বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক পরিবেশ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সাহায্য করে। উদ্ভাবন, শিল্প-সংযোগ ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা (Industry & Innovation) অক্সফোর্ডের গবেষণা শুধু বইয়েই সীমাবদ্ধ নয়— প্রতি বছর অসংখ্য পেটেন্ট , নতুন প্রযুক্তি নতুন ওষুধ স্টার্টআপ তৈরির মাধ্যমে বাস্তব জীবনে প্রভাব ফেলে বড় বড় শিল্প ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ডের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী থাকে। ৫. ঐতিহ্য, ইতিহাস ও মর্যাদা (Reputation & Legacy) অক্সফোর্ড বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি (প্রায় ১,০০০ বছরের পুরোনো)। এই দীর্ঘ সময়জুড়ে এখান থেকে— প্রধানমন্ত্রী, নোবেল বিজয়ী, শীর্ষ গবেষক, বিশ্বনেতা, লেখক, চিন্তাবিদ- বেরিয়ে গেছে, যা এর বৈশ্বিক সুনামকে আরও শক্তিশালী করেছে। কেন “বিশ্বের সেরা” বলা কঠিন? কারণ— প্রত্যেকটি র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম আলাদা মানদণ্ড ব্যবহার করে ছাত্রের ব্যক্তিগত চাহিদা ভিন্ন হতে পারে এক দেশে যে বিষয়ে সুযোগ বেশি, অন্য দেশে সেই বিষয়ের উন্নতি কম তাই নিজের বিষয়, লক্ষ্য, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, স্কলারশিপ, আর্থিক অবস্থা—এসব বিবেচনা করেই “সেরা বিশ্ববিদ্যালয়” নির্বাচন করা উচিত।

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় গ্রুপের ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৩ এর ৩য় গ্রুপের ( ০৩ টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২১ টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আজ প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষায় ২৩,০৫৭ (তেইশ হাজার সাতান্ন) জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ২৯ মার্চ ২০২৪ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।  মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।

২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

শেকৃবির বায়োটেকনোলজি বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটিতে ড. নূর জাহিদ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) বায়োটেকনোলজি বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটিতে সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জায়ান্ট এগ্রো প্রসেসিং লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ড. মো. নূর জাহিদ। উচ্চশিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সংযোগ আরও কার্যকর করার ধারাবাহিকতায় তাঁকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিল্প ও পেশাগত ক্ষেত্রের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বিভাগের পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কমিটিতে ড. মো. নূর জাহিদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন শিক্ষক বা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাকেও সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটির মূল লক্ষ্য হলো বিভাগের পাঠ্যক্রমের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় মতামত ও পরামর্শ প্রদান করা। এদিকে, পাঠ্যক্রম কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় ড. নূর জাহিদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হুমায়রা হক। পৃথক এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ড. জাহিদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবান পরামর্শ বিভাগের পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই কমিটির কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতামতের মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলেও চিঠিতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, ড. মো. নূর জাহিদ বর্তমানে জায়ান্ট এগ্রো প্রসেসিং লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কৃষি, বীজ, বায়োটেকনোলজি, কৃষি ইনপুট এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। শিক্ষাবিদ ও শিল্পখাতের এমন অভিজ্ঞ পেশাজীবীর সমন্বয়ে পাঠ্যক্রম কমিটি গঠনের এই উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি। ৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়। প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে। মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, “অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।” অন্যান্য কোটাগুলো নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে— মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫% শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১% সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০% বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২% অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫% এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে। অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান। কোটা নিয়ে মতভেদ মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।” নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

Recent post

"জুলাই গণহত্যার বিচার" শিরোনামের একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ

সরকার  "জুলাই গণহত্যার বিচার" শিরোনামের একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ করেছে, যা ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের হত্যাকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং  এই ডকুমেন্টারি প্রকাশ করে একটি বার্তা দিয়েছে: "বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ।" প্রেস উইং জানিয়েছে, এই ডকুমেন্টারিটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে তৈরি করা হয়েছে।

643 View Education Bangla নভেম্বর ১৩, ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে কেমন ?

পাখির চোখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দেশগুলোর একটি।

“দেশে কোন বিচার নাই” || ইথুন বাবুর গান || কণ্ঠঃ মৌসুমী

“দেশে কোন বিচার নাই” || ইথুন বাবুর গান || কণ্ঠঃ মৌসুমী

674 View Education Bangla নভেম্বর ১৩, ২০২৫
×