২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া শুরু

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য বা চাহিদা সংগ্রহ শুরু করেছে সংস্থাটি।

চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা:

  • শুরু: বুধবার (১৯ নভেম্বর)

  • শেষ: আগামী ২৮ নভেম্বর

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সমস্ত পদ ৩০ সেপ্টেম্বরের (২০২৫) মধ্যে শূন্য হয়েছে, শুধুমাত্র সেই এমপিওভুক্ত পদগুলোর চাহিদা অনলাইনে দিতে হবে।

নির্দেশিকা ও নীতিমালা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিতে হবে।

  • শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে দেওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ই-রিকুইজিশন ফি জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • শুধুমাত্র এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করা হবে।

  • পূর্বের জারি করা কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেওয়া অনলাইন চাহিদা বহাল থাকবে না

  • অফলাইনে, হার্ডকপিতে বা ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না

এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিম্নলিখিত প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইনে এই চাহিদা জমা দিতে পারবেন:

  •  ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd

  • অথবা, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) "ই-রিকুইজিশন" সেবা বক্সের "ই-রিকুইজিশন লগইন" অপশনে ক্লিক করে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক।

৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।

এ ছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এ দুই শ্রেণির জন্য মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে তাদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষা থাকছে না

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পর শিক্ষার্থীর ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

নির্ধারিত ফি দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে ভর্তি কার্যক্রম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় হবে। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনকারীদের সুযোগ

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

তবে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়ায় কোনো শিক্ষার্থী কলেজ-মাদ্রাসায় ভর্তির সুযোগ না পেলে, প্রত্যাশিত প্রতিষ্ঠান না পেলে কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে না পারলে ২৩ সেপ্টেম্বরের পরও তাদের ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণে ১৩ লাখ আবেদন

এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

তবে আসনসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, অপেক্ষাকৃত ভালো ও জনপ্রিয় কলেজগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন

কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল উদ্বোধন করা হবে।

রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন م এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে ফলাফল প্রকাশ ও বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনের এসএমএস—এই দুই উপায়ে সহজেই ফল দেখতে পারবে:

১. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:

  • শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd বা eboardresults.com-এ প্রবেশ করতে হবে।

  • নির্ধারিত অপশন থেকে পরীক্ষার নাম (SSC/Dakhil/Equivalent), বছর (2026) এবং নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

  • এরপর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।

  • স্ক্রিনে প্রদর্শিত সিকিউরিটি কোড (ক্যাপচা) সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই মার্কশিটসহ ফলাফল পাওয়া যাবে।

২. এসএমএসের মাধ্যমে (যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে):

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

    (উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের জন্য SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে)

  • মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (দাখিল) জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: DAKHIL <স্পেস> MAD <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> TEC <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

ফিরতি মেসেজে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে একযোগে প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

মন্তব্য করুন

২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০০-র বেশি শিক্ষার্থী

রাজধানীর উত্তরার রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবারও এইচএসসি পরীক্ষায় দারুণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ১৬৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবল একজন অকৃতকার্য হয়েছেন। অর্থাৎ, ১৬৯২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফলে দেখা যায়, রাজউকের ১২১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যেরই প্রতিফলন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়—

  • বিজ্ঞান বিভাগে ১১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৩২ জন পাস করেছেন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৬৩ জন শিক্ষার্থী।

  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, সবাই পাস করেছে। এদের মধ্যে ১৮৬ জনের ফল জিপিএ-৫।

  • মানবিক বিভাগেও ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ৬৯ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

অন্যদিকে, জাতীয়ভাবে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর (২০২৪) এই হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে এবারে পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

তবে জাতীয় গড়ের তুলনায় রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফল অনেক এগিয়ে, যা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

মন্তব্য করুন

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। জগন্নাথ, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে। আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি উপকমিটি, একাডেমিক কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘আইবিএ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর। ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, ‘চারুকলা’ ইউনিটের ২২ ডিসেম্বর এবং ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন চলবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (৯ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৮০তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সময়সূচি অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ জানুয়ারি। চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ১৫ জানুয়ারি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ২২ জানুয়ারি এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৩ জানুয়ারি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ‘বি’ ইউনিট দিয়ে শুরু করার সুপারিশ করেছে ভর্তি উপকমিটি। রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি উপকমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (বাণিজ্য), ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট—এই সাত শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ জানুয়ারি ২০২৭। পরীক্ষা শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৯ জানুয়ারি, ‘এ’ ইউনিটের ৩০ জানুয়ারি, ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ৩ ফেব্রুয়ারি, ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি, ‘বি’ ইউনিটের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘ডি’ ইউনিটের ৬ ফেব্রুয়ারি এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের আওতায় কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, শিক্ষা এবং চারুকলা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো।

পরদিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা। ‘এ’ ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিন এবং ‘বি’ ইউনিটের আওতায় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য করুন
×