মাদ্রাসার এমপিও শিক্ষকদের বদলির আবেদন নেওয়ার নির্দেশ

বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শূন্য পদের তালিকা থেকে পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে নির্ধারিত ছকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, বর্তমান পদের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি, বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানপত্র এবং কর্মস্থলের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানপ্রধানের মাধ্যমে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান অগ্রায়নপত্রের মাধ্যমে আবেদন ফরোয়ার্ড করবেন এবং এর একটি অনুলিপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন।

বদলির আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বর্তমান কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি পূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি সংক্রান্ত নীতিমালার সব শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

তবে কোনো শিক্ষকের এমপিও স্থগিত থাকলে, তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বদলির আবেদন ফরোয়ার্ড করা যাবে না।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়মিত বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় আবেদন গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ: দিনটি ‘ঐতিহাসিক’ - উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ বলেও মনে করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশ করার বিষয়ে সম্মতিপত্র জারি করে। এরপর এক বিবৃতিতে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আজকের এই দিনটি শিক্ষা বিভাগের জন্য সত্যিই ঐতিহাসিক। চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়িভাড়া কার্যকর হবে, আর ২০২৬ সালের জুলাই থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট ১৫ শতাংশ ভাতা চালু হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সম্মানিত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতে পেরে একজন শিক্ষক হিসেবে এবং শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষা উপদেষ্টা বিশ্বাস করেন—শিক্ষকরা সমাজে আরও বেশি সম্মানের দাবিদার, এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে।

সি আর আবরার বলেন, “বাড়িভাড়া ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পথটা সহজ ছিল না। নানা মতভেদ, বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল। কিন্তু কোনো বিতর্কে জড়ানো ছাড়া আমরা ন্যায্য ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেই কাজ করে গেছি।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নেপথ্যে থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টা পরিষদ এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “এটি কারও একার অর্জন নয়; এটি যৌথ সাফল্য। শিক্ষকদের আন্দোলন আমাদের বাস্তবতা বুঝিয়েছে, সরকার দায়িত্বশীলভাবে সাড়া দিয়েছে, আর একসঙ্গে কাজ করার ফলেই আমরা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি—যেখানে সম্মান, সংলাপ ও সমঝোতাই জয়ী হয়েছে।”

শেষে তিনি বলেন, “এখন সময় ক্লাসে ফেরা, শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়া—আমাদের আসল কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার। আজকের এই সমঝোতা হোক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও মানসম্মত শিক্ষার নতুন সূচনা। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে পারব।”

মন্তব্য করুন

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে রেকর্ড আবেদন, বিপাকে শিক্ষা বোর্ড, আসছে নতুন নীতিমালা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা এবার শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগ নয়, বরং পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে— শিক্ষামন্ত্রীর এমন ঘোষণায় খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনে এবার রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। অনেকেই একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় মোট খাতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক খাতা নতুন করে দেখা নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

অন্যদিকে, প্রতি খাতার ফি ১৫০ টাকা হিসেবে শিক্ষার্থীদের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে ১৯ কোটি ৩১ লাখ ৮৮ হাজার ৯০০ টাকা। ফি বাবদ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়কে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক পরিচালক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান এ বিষয়ে বলেন:"ফরম পূরণের সময় পরীক্ষা গ্রহণ, খাতা মূল্যায়ন ও ফল তৈরি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়। এরপরও শিক্ষার্থীদের খাতা ঠিকঠাকভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। তখন যদি কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে চায়, তাহলে তাকে ফি দিতে হবে কেন? শুধু সে পুনর্নিরীক্ষণ চায়, এ আগ্রহ জানালেই তো বোর্ড পুনরায় খাতা দেখে তার ফল জানাতে বাধ্য।"

একই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দেওয়া এক শিক্ষার্থীর মা আরিফা জাহান হেনা,"আমরা তো ফরম পূরণের সঙ্গে সব ফি দিয়েছি। তাহলে আবার কেন ফি দিতে হবে? তাছাড়া পুরো খাতাটা নাকি দেখাও হয় না। তারা যোগ বা বিয়োগ করতে ভুল করে; সেটা সংশোধনে আবার উল্টো আমাদের কাছ থেকেই টাকা নেন। এটা তো জুলুম।"

মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ খাতা তৃতীয় পরীক্ষক দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন করে মূল্যায়ন করা শিক্ষা বোর্ডগুলোর জন্য একপ্রকার অসম্ভব কাজ। এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের একজন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) মূল্যায়নের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন,"প্রতি বান্ডিল খাতা থেকে র‌্যানডম (দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে) কয়েককটি খাতা নিয়ে দেখে তাতে গরমিল পাওয়া গেলে, বান্ডিলের সব খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে। যদি কোনো বান্ডিলে এমন সমস্যা না হয়, তাহলে শুধু নম্বরের যোগ-বিয়োগ ঠিক করা হবে।"

এদিকে, পুনর্নিরীক্ষণের কারণে একাদশে ভর্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে শিক্ষা বোর্ড। একাদশ শ্রেণিতে সাধারণ ভর্তি আবেদন ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে ভর্তির আবেদনের বিশেষ সুযোগ পাবেন। ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন,"পুনর্নিরীক্ষণে কেউ যদি ফেল থেকে পাস করে, সেদিক বিবেচনায় দুই দিন আবেদনের সুযোগ রেখেছি। তারা একই নিয়মে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। তাদের আবেদন নেওয়ার পর একাদশে ভর্তিতে কে, কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। এতে ভয় বা উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। আগ্রহী সবাই ভর্তির সুযোগ পাবে।"

সব মিলিয়ে আবেদনের এই বিশাল স্তূপ দেখে চাপে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এত খাতা পুনর্মূল্যায়ন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে তিনি নতুন নীতিমালার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন,bl"এবার এসএসসির উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এ অবস্থা দেখে মনে হয় প্রায় সব শিক্ষার্থীই খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চায়। তাই খাতা পুনর্মূল্যায়নে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে; যেন কোন ধরনের খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, সেগুলোর আওতা নির্দিষ্ট করা যায়।"

মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনার আলোকেই কাজ চলছে বলে জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান,"অসংখ্য খাতা পুনর্নিরীক্ষণে আবেদন এসেছে এবার। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কাজ করছি। পুনর্মূল্যায়ন বলেন বা পুনর্নিরীক্ষণ বলেন, যেটা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, সেটাই আমরা মানছি। এর বাইরে আর কিছু জানানো সম্ভব নয়।"
 

মন্তব্য করুন

শিক্ষাপঞ্জিতে ভিন্নতা—পূজার ছুটিতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজে টানা বারো দিন, মাদরাসা-কারিগরিতে মাত্র চার দিন

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির দিনগুলোতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পূজার আমেজ শুরু হচ্ছে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকেই। কারণ ওই দুই দিন (২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর) সাপ্তাহিক বন্ধের পর ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পূজার ছুটি কার্যকর হবে। একটানা ছুটি কাটিয়ে ৭ অক্টোবরের পর আবার নতুন উদ্যমে শুরু হবে ক্লাস।

একইভাবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতেও ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত টানা বারো দিনের ছুটি মিলবে। ৮ অক্টোবর থেকে আবার গরমিল ছাড়া ক্লাস চলবে যথারীতি।

অন্যদিকে, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা ভিন্ন। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্গাপূজার জন্য ছুটি থাকবে মাত্র দুই দিন—১ ও ২ অক্টোবর। তবে এর সঙ্গে যোগ হবে ৩ ও ৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক বন্ধ। ফলে মোট ছুটি দাঁড়াবে চার দিনে। ৫ অক্টোবর থেকে পুরোদমে আবার চলবে পাঠদান।

👉 প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ছুটি দীর্ঘায়িত হলেও মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে সীমিত এই ছুটির মেয়াদ শিক্ষার্থীদের পাঠচর্চার ধারাবাহিকতায় রাখবে এক ধাপ এগিয়ে।

মন্তব্য করুন

সচিবালয়ের তিন সাপ, আতঙ্ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে

বাংলাদেশ সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করিডোরে তিনটি সাপ পাওয়ার ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ১৯তম তলায় প্রথমে দুটি এবং পরে আরও একটি সাপের দেখা মেলে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের কার্যালয়ও রয়েছে ওই তলায়। উঁচু ভবনের করিডোরে একসঙ্গে তিনটি সাপের উপস্থিতি দেখে বিস্মিত হন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক বলেন, ‘করিডোরে সাপের বিষয়টি শুনেছি। সত্য ঘটনা।’

মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীরা জানান, করিডোর ছাড়াও ভবনের স্টোরেজ কিংবা অন্য কোনো স্থানে আরও সাপ থাকতে পারে। এ আশঙ্কায় অনেকের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

পরে করিডোরে পাওয়া তিনটি সাপই মেরে ফেলা হয়। তবে সাপগুলো কোন প্রজাতির, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য করুন

বগুড়ায় মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার স্কুল সরকারি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ‘শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’কে সরকারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (১১ ভাদ্র ১৪৩৩) থেকে বিদ্যালয়টি ‘শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও কর্মচারীদের সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণ করা হবে। তবে আত্তীকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি বদলিযোগ্য হবে না।

জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

মন্তব্য করুন

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরুর তারিখ জানা গেল

অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। ২০২৪ সালে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ২০২৩ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীরাই এবার রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাবে।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের তথ্যমতে, নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষা বছরের ১ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১১+ এবং সর্বোচ্চ ১৭ বছর হতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২২ বছর নির্ধারিত। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু অনুমোদিত ও স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। অনুমতিবিহীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিকটবর্তী অনুমোদিত স্কুল বা কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ওইএমএন বা ইএসআইএফ বাটনে ক্লিক করে ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর শিক্ষার্থীর সংখ্যা, নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে সোনালি সেবার স্লিপ প্রিন্ট করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। পেমেন্ট ক্লিয়ার হলে শিক্ষার্থীর তথ্য ইএসআইএফ পূরণ করে ফাইনাল সাবমিট করতে হবে। ফাইনাল সাবমিটের আগে ভর্তি ফরম ও জন্মসনদের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে যাচাই করতে হবে।

আর রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য ২৫০ টাকা এবং যুব রেডক্রিসেন্ট ফি হিসেবে ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ টাকা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব যুব রেডক্রিসেন্ট কার্যক্রমের জন্য রাখবে এবং ২৪ টাকা শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে।
 

বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের রেজিস্ট্রেশন কমিটি গঠন করতে হবে। অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শেষে প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক। শিক্ষার্থীর তথ্যে কোনো ভুল থাকলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির সদস্যদের ওপর বর্তাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে, তারা ব্যানবেইস থেকে ইআইআইএন সংগ্রহের পর সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়ে লগইন পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। স্বীকৃতি হালনাগাদ না থাকলে দ্রুত স্বীকৃতি নবায়নের আবেদন করতেও বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×