চাকরিজীবীদের ৫ শতাংশ সুদে দেয়া হবে গৃহঋণ : অক্টোবরে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ০৯:০৩ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বুধবার

সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ শতাংশ হারে গৃহঋণ দেয়া হবে। যার অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১ লা অক্টোবর থেকে। সর্বনিম্ন ২০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নিতে পারবেন সরকারি কর্মকর্তারা ঘর নিমার্ণের জন্য। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই ঋণ রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক অগ্রণী, সোনালী, জনতা, ও রূপালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) থেকে ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণ নিতে পারবেন।

ইতোমধ্যে আবেদনের ফরম তৈরী করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত পরিপত্রে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অনুমোদন দিয়েছেন। এই বছরের চলতি মাসের শেষ দিকে ৪ ব্যাংক ও বিএইচবিএফসির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করবে অর্থ বিভাগ বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান। তারপর ১ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

নতুন এই নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাড়ি (আবাসিক) নির্মাণের জন্য একক ঋণ, জমি ক্রয়সহ বাড়ি (আবাসিক) নির্মাণের জন্য গ্রুপ ভিত্তিক ঋণ, জমিসহ তৈরি বাড়ি কেনার জন্য একক ঋণ এবং ফ্ল্যাট কেনার জন্য ঋণ এই গৃহ নির্মাণ ঋণের আওতায় আসবে।

শুধুমাত্র সরকারি চাকরিজীবীরাই এই ঋণের আওতাই আসবেন। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা এ ঋণ পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন না। সরকারি চাকরিজীবীরা বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদে গৃহঋণ নিতে হয়। অতএব তারা যে বেতন কাঠামো অনুযায়ী যে ঋণ তারা পান, তা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে আবাসনের মালিক হওয়ার সুযোগ তাদের হয় না।

নতুন চাকরিজীবীরাও যাতে করে একটি ফ্ল্যাট বা বাড়ির মালিক হতে পারেন সেজন্য একটি নীতিমালা করার কথা জানিয়ে গত জুন মাসে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, জুলাইয়ে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছর থেকেই তা কার্যকর হবে। এর আগে ৩০ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং-ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চাকরি স্থায়ী হওয়ার ৫ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন। আর আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৬ বছর। ২০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকায় এ ঋণকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। ঋণ পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ সময় হবে ২০ বছর।

এ ঋণের জন্য এক্ষেত্রে ব্যাংক গড়ে ১০ শতাংশ হারে সুদ নেবে,তবে ঋণগ্রহীতাকে দিতে হবে ৫ শতাংশ। বাকিটা সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধ করা হবে ভর্তুকি হিসাবে।