অনলাইন ক্লাস সমাচার

শিমুল আহমেদ

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ০৬:০১ পিএম, ২২ জুলাই ২০২০ বুধবার




এক অদৃশ্য ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর ইতোমধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। আমাদের জাহাঙ্গীরনগরও তার ব্যতিক্রম নয়। এ অনলাইন ক্লাস নিয়ে অনেককে পরতে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। এর সুবিধা রয়েছে যেমন ঠিক তেমনই অসুবিধাও। সুবিধাগুলো হলো সেশনজটে না পরা, পড়াশোনার যে গ্যাপ সেটার মাঝে না থাকা, দীর্ঘদিন বাসায়/বাড়িতে বসে মানসিক অবসাদগ্রস্থ হওয়ার প্রবণতা থেকে মুক্ত থাকা।

প্রতিটা বিষয়েরই ভালো-খারাপ, সুবিধা-অসুবিধা থাকে অনলাইন ক্লাসও তার বাহিরে নয়। এর অসুবিধাগুলোর মাঝে  অন্যতম আর্থিক স্বচ্ছলতা, ডিভাইস সমস্যা, নেট স্পিড সমস্যা, যাদের বাসায় ওয়াই-ফাই তাদেরকেও পরতে হচ্ছে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এর ঝামেলায়। এর মাঝে যারা ক্লাস করছে বিভিন্ন ঝামেলা মোকাবেলা করে তারাও পুরোদমে ক্লাস করতে পারছে না। কিছু কিছু ডিপার্টমেন্টের শ্রদ্ধেয় স্যার মহোদয় ৫-৭ মিনিট পর কোন ছাত্র ক্লাসে জয়েন করতে চাইলে তাদেরকে নিচ্ছেন না।

স্যার/ ম্যামদের এরকম অহেতুক বিড়ম্বনা আমাদের অনলাইন ক্লাসকে বিষিয়ে তুলছে। আমরা যাঁরা গ্রামে থাকি তাদের জন্য নিয়মিত ক্লাস করাটা রীতিমতো যুদ্ধ করার শামিল। এরকম অবস্থায় শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয় দের ছাত্রছাত্রীদের প্রতি  আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানাই। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সকলে মিলেমিশে থাকি, একে অপরের খোঁজ নেই। আশা রাখি একদিন এই পৃথিবী আবারও সুস্থ হবে, আমাদের অবাধ বিচরণ থাকবে প্রতিটি জায়গায়।


শিক্ষার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।