কলেজের মতোই 'আত্তীকরণ বিধিমালা' চায় মাধ্যমিক শিক্ষকরা

আফতাব তাজ

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ১২:৫২ পিএম, ৫ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার | আপডেট: ১১:২০ এএম, ৬ নভেম্বর ২০১৯ বুধবার

কলেজের আত্তীকরণ বিধিমালা হলেও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকরণ বিধিমালা এখনো হয়নি। তবে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এবং এ প্রক্রিয়া থেমে নেই। আত্তীকরণ বিধিমালা চূড়ান্ত না করে এভাবে জাতীয়করণ মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছেনা সরকারি মাধ্যমিকের শিক্ষকরা। শিক্ষকরা বিভিন্ন মাধ্যমে নব নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কাছে আত্তীকরণ বিধিমালা করার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ এবং পদক্ষেপ নেবার আহবান জানাচ্ছে।

আনোয়ার হোসেন নামের একজন শিক্ষক ফেসবুকে লিখেছেন, ১৯৮৩ সালের আত্তীকরণ বিধি অনুযায়ী আত্তীকৃত হয়েই যাচ্ছে.... নেতারা প্লিজ কিছু করেন! আপনারা ভুক্তভোগী না হলেও আমরা এর ভুক্তভোগী হবো।

আত্মীকরণ বিধিমালা সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির (বাসমাশিস)নব নির্বাচিত সভাপতি আবু সাঈদ ভূইয়া এডুকেশন বাংলা`কে বলেছেন, কলেজের আত্তীকরণ বিধিমালা থাকলেও মাধ্যমিকের আত্তীকরণ বিধিমালা এখনো হয়নি। আমাদের নতুন কমিটি হয়েছে। কমিটির সদস্যদের নিয়ে বসে শীঘ্রই চূড়ান্ত করবো যে আমরা আত্তীকরণ বিধিমালা কেমন চাই। তবে আমি এটুকু বলতে পারি কলেজের যেরকম আত্তীকরণ বিধিমালা হয়েছে আমরাও সেরকমই আত্মীকরণ বিধিমালাই চাই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি স্কুলে একজন শিক্ষক ১২ বছর চাকরি করেই প্রধান শিক্ষক হয়ে যায়। যা সরকারি মাধ্যমিকে সম্ভব নয়। সরকারি মাধ্যমিকে প্রধান শিক্ষক হতে গেলে ২৫ থেকে ২৭ বছর চাকরি করতে হয়। আর সবাইতো প্রধান শিক্ষক হতেও পারেননা। আমাদের দাবি থাকবে কলেজের মতো নতুন জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জাতীকরণপূর্ব চাকরি কালের শতকরা ৫০ভাগ ধরে পদমর্যাদা নির্ণয় হোক।

উল্লেখ্য, সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারি আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮ `এর `কার্যকর চাকরিকাল` বিধিতে বলা আছে সরকারিকৃত কলেজে আত্তীকৃত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সংশ্লিষ্ট কলেজ সরকারিকরণের অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে উক্ত কলেজে সর্বমোট যে সময়কাল চাকরি করিবেন, উক্ত চাকরিকালের অর্ধেক সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীর কার্যকর চাকরিকাল হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে চাকরিকাল অর্ধেক ধরে পদমর্যাদা নির্ণয় করা হলে নতুন জাতীকরণকৃত অনেক প্রধান শিক্ষকও সহকারি শিক্ষক হয়ে যেতে পারেন। এ বিষয়ে সভাপতি বলেন, তা তো হতেই পারে। আমরা চাই পদমর্যাদা নিয়ে সরকারি মাধ্যমিকের শিক্ষকদের সাথে নতুন জাতীকরণকৃত শিক্ষকদের যেন সাংঘর্ষিক কোনো বিধিমালা না হয়।

এডুকেশন বাংলা/এজেড