সরকারি প্রাথমিকে ‘নার্সারি’ চালুর পরিকল্পনা, ৪ বছর বয়সে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ১০:০৯ এএম, ৫ এপ্রিল ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১০:৪৮ এএম, ৭ এপ্রিল ২০১৮ শনিবার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘নার্সারি’ শেণি চালুর পরিকল্পনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। মূলত কিন্ডারগার্টন ঠেকাতেই এ ধরনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকেই সীমিত সংখ্যক সরকারি স্কুলে ‘নার্সারি’ চালু করা হতে পারে।

মন্ত্রনালয় সূত্র জানায়, সারা দেশ জুড়েই কিন্ডারগাটেনের রমরমা ব্যবসার কারনে ঝিমিয়ে পড়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। শিশুদের বয়স পাঁচ বছর না হলে সরকারি প্রাথমিকে ভর্তি করানো যায় না। অথচ তিন বছর বয়স হলেই কেজি স্কুলে ভর্তি করানো যায়। এতে অভিভাবকরা সরকারি স্কুলের চেয়ে কেজি স্কুলের দিকেই ঝুঁকছেন। আর একবার কেজি স্কুলে ভর্তি করলে সেখান থেকে আর অন্য স্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন না।

মন্ত্রনালয় কেজি স্কুলকে বাগে আনতে এর আগে টাস্কফোর্স গঠন করেছিলো। কিন্তু সেই টাস্কফোর্স কোনো কাজই করতে পারেনি। সেজন্যই মূলত নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে মন্ত্রনালয়।

জানা যায়, সম্প্রতি কয়েকজন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সরকারি প্রাথমিকে শিশুদের ভর্তির বয়স কমিয়ে ৪ বছর করার প্রস্তাব দেন। এরপর থেকেই মন্ত্রনালয় বিষয়টি নিয়ে ভাবতে থাকে। তারা বয়স না কমিয়ে নতুন একটি শ্রেনী চালুর পরিকল্পনা করেন।

----------------------------------------------------------------------------

আরো পড়ুন : জুনের মধ্যেই সরকারি প্রাথমিকে ১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ

-------------------------------------------------------------------------

মন্ত্রনালয় পরিকল্পনা করছে, একটি শিশু চার বছর বয়সে নার্সারিতে পড়বে। এরপর পাঁচ বছরে ‘শিশু শ্রেনী’ বর্তমানে যা প্রাকি-প্রাথমিক হিসেবে চালু আছে সেখানে পড়বে। এরপর ছয় বছরে প্রথম শ্রেনীতে পড়বে। এর ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের আর কেজি স্কুলে পাঠাবেন না। আর আইন করেও কেজি স্কুলের লাগাম টানতে হবে না। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোও চাঙ্গা হবে।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন  : 

https://www.facebook.com/EducationBGD/

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বয়স কমিয়ে ভর্তি না করে নার্সারি নামে নতুন একটি শ্রেনী চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী বছর থেকেই তা হতে পারে। তবে এর আগে এ ব্যাপারে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জানা যায়, শহরাঞ্চলের পাশাপাশি ইতিমধ্যে গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে কিন্ডারগার্টন। সরকারি স্কুলগুলো কোনোভাবেই তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। তাই মন্ত্রনায়ের নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।