৩০ তারিখের মধ্যে কাগজপত্র জমা, এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ১০:৩২ এএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার | আপডেট: ১২:২২ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  ড. এ এফ এম মঞ্জুর কাদির বলেন, যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে ডিপিইতে জমা দিতে হবে। পরবর্তী এক সপ্তাহ পর থেকে পর্যায়ক্রমে জেলা অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার শেষে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মহাপরিচালক।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ তে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখের মধ্যে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টগুলোর সত্যায়িত কপি নিজ নিজ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সরাসরি জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

ডকুমেন্টসঃ

১. প্রার্থীর অনলাইনে আবেদনের আপলোডকৃত ছবি।
( পি.পি সাইজ)

২. অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন পত্রের কপি।

৩. লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র।

৪. নাগরিকত্ব (জাতীয়তা) সনদপত্র।

৫. শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদপত্র।

৬. মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র ( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৭. মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্কের সনদপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৮. পোষ্য কোটা, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা কোটা ও উপজাতি কোটাসহ অন্যান্য কোটার সনদপত্র। ( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

বি.দ্রঃ
ক) ডকুমেন্টগুলো কমপক্ষে ৯ম গ্রেডের গেজেটেড (বিসিএস) কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে।

খ) ডকুমেন্টগুলোর সত্যায়িত কপি জমাদানের সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ডকুমেন্টগুলোর মূলকপি দেখাতে হবে।

গ) ভাইবা বোর্ডে উল্লেখিত ডকুমেন্টগুলোর মূলকপির সাথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগ্রহকৃত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র অবশ্যই প্রদর্শন করতে হবে।

ঘ) ডকুমেন্টস নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে ব্যর্থ হলে কোনোভাবেই কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

ঙ) এছাড়াও যেকোনো ধরণের পরামর্শ ও তথ্য সংগ্রেহর জন্য নিজ নিজ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো।

এডুকেশন বাংলা/এজেড