স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা: বৈষম্য কবে শেষ হবে?

মো. ইয়াছিন মজুমদার

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ০২:০০ পিএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০২:০০ পিএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

সম্প্রতি এনটিআরসিএ স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শূন্য পদের তালিকা জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে চেয়েছে। স্কুলের শূন্য পদের তালিকা জনবল কাঠামো ২০১৮ অনুযায়ী প্রেরণের জন্য শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে। অন্যদিকে মাদ্রাসার জন্য বলা হয়েছে জনবল কাঠামো ২০১৮ অনুযায়ী না পাঠিয়ে ২০১০ অনুযায়ী প্রেরণের জন্য। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে জনবল কাঠামো ২০১৮-এর পদগুলো মাদ্রাসার জন্য এখনো মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়নি। একটি প্রাইমারি স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম—পাঁচটি শ্রেণি । হাই স্কুলে ষষ্ঠ থেকে দশম—পাঁচটি শ্রেণি। কলেজে একাদশ-দ্বাদশ দুটি, স্নাতক থাকলে পাঁচটি শ্রেণি। কিন্তু একটি মাদ্রাসা প্রথম শ্রেণি থেকে সংযুক্ত হওয়ায় দাখিল মাদ্রাসায় সর্বনিম্ন দশটি শ্রেণি।

স্নাতক পর্যন্ত ১৫টি শ্রেণি। কিন্তু জনবল, ভবন ইত্যাদি ক্ষেত্রে শ্রেণি অনুপাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় না। প্রাইমারি স্কুলে উপবৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে, স্কুল মিড ডে ফিডিং (দুপুরের খাবার)-এর ব্যবস্থা কিছু এলাকায় বিদ্যমান এবং সকল স্কুলে চালু করার জন্য তা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাদ্রাসায় প্রাথমিকে (ইবতেদায়ি শাখা) তা চালু করা হয়নি। এভাবে বহুবিধ বৈষম্য বিদ্যমান। বর্তমান সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ বেশ কিছু কাজ করেছে। তদুপরি বৈষম্যগুলো নিরসনে সরকার আন্তরিক হলে মাদ্রাসা শিক্ষার মান উন্নত হবে। বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এডুকেশন বাংলা/এজেড