অভিন্ন নিয়োগ-পদোন্নতিতে আপত্তি শিক্ষকদের

সাব্বির নেওয়াজ

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ১০:৩৬ এএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত `অভিন্ন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা` শিক্ষকদের কেউই চান না। সামাজিক মাধ্যমেও এ নিয়ে সরব তারা। এ নীতিমালার নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) এরই মধ্যে পত্র দিয়েছেন। ৪২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক সমিতিই এ নীতিমালার প্রতিবাদ করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি দেশে ফিরে এলে নীতিমালা নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন শিক্ষকরা। তা ছাড়া প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে নিজেদের অবস্থান ও বক্তব্য চূড়ান্ত করতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।

ফেডারেশনের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল সমকালকে বলেন, `এ নীতিমালা নিয়ে গণমাধ্যমে নানা তথ্য ভুলভাবে এসেছে। ৭ সেপ্টেম্বর ফেডারেশনের বৈঠকের পর এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।`

ইউজিসির নীতিনির্ধারকরা জানান, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সবার শিক্ষার মান এক নয়। শিক্ষকদের মানও এক নয়। একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক যোগ্যতায় নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হয়। কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নূ্যনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয় সিজিপিএ-৪ এর বিপরীতে ৩ দশমিক ৬০। আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র সিজিপিএ ৩ চাওয়া হয়। শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রেও রয়েছে অরাজকতা। ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে অধ্যাপক পর্যন্ত পদোন্নতি পেতে স্বীকৃত জার্নালে ১২টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হতে হয়। আবার কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে `একাধিক` অর্থাৎ একের বেশি গবেষণাপত্র থাকলেই চলে। নীতিনির্ধারকদের মতে, নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে স্বচ্ছতা আনতে ও দুর্নীতি রোধ করতেই অভিন্ন নীতিমালার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে শিক্ষক সমিতিগুলোর নেতারা বলছেন, এই নীতিমালায় নানা `গলদ` রয়েছে। নীতিমালা চূড়ান্ত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠন করা ছয় সদস্যের কমিটিতে শিক্ষকদের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। তাদের মতে, মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের নিয়ে একটি সাব-কমিটি গঠন করে দিলেই শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা হতো।

শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, নীতিমালায় বলা হয়েছে গবেষণাপত্রগুলো ইম্প্যাক্ট জার্নালে প্রকাশিত হতে হবে। অথচ এ জার্নাল প্রকাশিত হয় ইংরেজিতে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এমন কিছু বিষয় পড়ানো হয় যেগুলোর বিষয়ে গবেষণাপত্র ইংরেজিতে লেখা চলে না। যেমন- বাংলা, আরবি, চারুকলা ইত্যাদি। তারা প্রশ্ন করেন, তা হলে ওইসব বিষয়ের শিক্ষকদের কী হবে? তারা বলেন, বিজ্ঞান ও কলা বিষয়ের শিক্ষকদের একই যোগ্যতায় বিচার করা কঠিন। এ ছাড়া বড় বিশ্ববিদ্যালয় আর আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়- দুই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগকালীন যোগ্যতা একই চাওয়া হলে কেউই নতুন ও আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে আগ্রহী হবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, আইন অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত ও স্বাধীন। ইউজিসি এই অভিন্ন নীতিমালা করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসনের ওপরই আঘাত হেনেছে।

তবে নীতিমালা প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইউজিসি সদস্য (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, নীতিমালা নিয়ে যারা যা বলছেন, তা না জেনেই বলছেন। গণমাধ্যমেও অনেক ভুল তথ্য এসেছে। প্রস্তাবিত নীতিমালার খোলনলচে বদলে ফেলা হয়েছে। এখন যা আছে, তা কেবল আমিই জানি। তাহলে কিসের ভিত্তিতে তারা সমালোচনা করছেন?

`নীতিমালায় এখন তা হলে কী আছে`- জানতে চাওয়া হলে কমিশনের এই সদস্য জানান, সেটা তিনি বলবেন না। তবে শিক্ষকদের কারও কোনোভাবেই ক্ষতি হবে না।

নীতিমালায় যা আছে :খসড়া নিয়োগবিধিতে বলা হয়েছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হলে প্রার্থীকে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় এবং তাতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় বসতে হবে। যদিও গত কয়েক দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মৌখিক পরীক্ষায় নিয়োগ পাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে।

২০১৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর ইউজিসির পূর্ণ কমিশনের ১৪৮তম সভায় গৃহীত এই নীতিমালা ইউজিসির ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশ করা হয়। নীতিমালার ভূমিকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় বৈষম্যের কথা তুলে ধরে বলা হয়, ইউজিসি `অভিন্ন শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার` প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করছে।

১৮ পৃষ্ঠার এ নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে একই কাতারে আনার প্রচেষ্টা রয়েছে। গত ৬ আগস্ট এ খসড়া চূড়ান্ত করতে ছয় সদস্যের একটি কমিটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে বৈঠক করে। এর পরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। খসড়া প্রণয়ন কমিটির ছয়জন সদস্যই ইউজিসির কর্মকর্তা বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন, শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষক ফোরামের মতো বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। সম্প্রতি বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজার শিক্ষক একযোগে বিবৃতি দিয়ে খসড়া এই অভিন্ন নীতিমালার বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অভিন্ন নীতিমালায় জানায়, কোনো প্রার্থীকে প্রভাষক, সহকারী, সহযোগী এমনকি অধ্যাপক পদে নিয়োগ পেতে হলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ-৪ এর বিপরীতে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৫ পেতে হবে। পাশাপাশি এইচএসসি ও এসএসসিতে জিপিএ ৫ এর মধ্যে ৪ দশমিক ৫ থাকতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সূচনা পদ প্রভাষকের ক্ষেত্রে এই যোগ্যতার পাশাপাশি প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শর্টলিস্টভুক্ত করে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। পিএইচডি/এমফিল থাকলেও যোগ্যতায় শিথিলতার কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে সহকারী অধ্যাপক পদ পেতে হলে প্রার্থীদের ওপরের শিক্ষকতার যোগ্যতার পাশাপাশি তিন বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ও তিনটি প্রকাশনা থাকতে হবে- যেখানে একটি প্রকাশনার প্রথম `গ্রন্থকার` হতে হবে।

ওই নীতিমালায় সহযোগী অধ্যাপক পদের জন্য ছয়টি প্রকাশনার মধ্যে দুটির `প্রথম গ্রন্থকার` হিসেবে থাকার কথা বলা হচ্ছে, যেখানে নূ্যনতম একটি গবেষণার ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর থাকার কথা বলছে ইউজিসি।

প্রসঙ্গত, একটি গবেষণা সারা বছরে কয়টি গবেষণাপত্রে গবেষকরা উদাহরণ হিসেবে রেখেছেন, তার ওপর অর্থাৎ সাইটেশনের ওপর ভিত্তি করে থমসন রয়টার্স প্রতিবছর জার্নালগুলোর একটি ডাটাবেজ করে নম্বর দেয়। একে বলে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর। নীতিমালায় এসব সহকারী পদে প্রকাশনার ইমপ্যাক্ট থাকবে কি-না তা বলা না হলেও সহযোগী অধ্যাপকের পদে নির্দিষ্টভাবেই বলা হয়েছে। এই প্রকাশনার সঙ্গে সহকারী পদে সাত বছরের শিক্ষকতাসহ মোট চৌদ্দ বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক।

সক্রিয় শিক্ষকতা বলতে ইউজিসি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কিংবা সবেতনে শিক্ষা ছুটির সময়কালকে বুঝিয়েছে। একজন প্রার্থী মাস্টার্স ও পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের শিক্ষা ছুটি নিতে পারবেন।

অধ্যাপক হতে সহযোগী অধ্যাপক থাকার সময় ছয়টি প্রকাশনাসহ মোট ১২টি গবেষণা প্রবন্ধ থাকতে হবে। আর এসব গবেষণা প্রবন্ধের মধ্যে নূ্যনতম তিনটি প্রবন্ধের প্রথম অথর কিংবা করেসপন্ডিং অথর হতে হবে- যার মধ্যে দুটি প্রকাশিত জার্নালের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর থাকা বাঞ্ছনীয়। এ ছাড়াও সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে ১০ বছরসহ মোট ২২ বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যদিও এসব গবেষণাপত্র জাতীয় নাকি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হবে, তার কোনো উল্লেখ নেই। শুধু বলা হয়েছে- `স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত হতে হবে।`

শিক্ষকরা বলছেন, বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আর ছোট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা কখনও এক হতে পারে না। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাবী গবেষকদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বাঞ্ছনীয়। সেখানে এ নীতিমালায় এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ের সিজিপিএ-কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য ও শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য : প্রায় দেড় বছর আগে তৈরি করা খসড়া এ নীতিমালা নিয়ে শিক্ষকরা এখন কেন আপত্তি তুলছেন, তা নিয়ে শিক্ষকদের মুখোমুখি হয়েছিল সমকাল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এএসএম মাকসুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, এই অভিন্ন নীতিমালা নিয়ে ভুল তথ্য সারাদেশের শিক্ষকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে তারা ফেডারেশনের সভায় আলোচনা করে অফিসিয়াল বক্তব্য গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সোহেল রানা বলেন, `নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়াতেই আমাদের আপত্তি রয়েছে। কারণ সেখানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি ছিলেন না। এ ছাড়া নীতিমালায় কী আছে তাও জানি না। আশঙ্কা করছি, এ নীতিমালা শিক্ষকবিরোধী হবে।`

জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, `এখনও প্রস্তাবিত নীতিমালার কপি পাইনি। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা একই হলে ভালো হয়।`

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, `সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য নীতিমালা মেনে নেওয়ার আশা করি। আগের খসড়ায় `৭৩-এর অধ্যাদেশ মেনে চলা চারটি বিশ্ববিদ্যালয় বাদে অন্যগুলোর ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতিমালার কথা বলা হয়েছিল। অধ্যাদেশ মেনে চলা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন হলে তখন অধ্যাদেশ সাংঘর্ষিকই হবে।`

রাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, নীতিমালায় অস্পষ্টতা রয়েছে। আবেদনের যোগ্যতায় চার বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কোন বিষয়ের স্নাতক কোর্সে সময় বেশি লাগে, নীতিমালায় এ বিষয়টি অস্পষ্ট।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার মানের ক্ষেত্রে এটি একটি সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত। শিক্ষকদের পদোন্নতি ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে এ নীতিমালা বাধা সৃষ্টি করবে। সবার জন্য একই নীতিমালা কীভাবে কার্যকর হবে? সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান তো এক নয়। তিনি বলেন, এ নীতিমালায় শিক্ষকদের কমপক্ষে আট ঘণ্টা কাজের কথা বলা হয়েছে। একজন শিক্ষক আট ঘণ্টা নয়, কমপক্ষে ১৬ ঘণ্টা কাজ করেন। কারণ ক্লাসে যেতে তাকে পড়াশোনা ও গবেষণা করে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে হয়।

এডুকেশন বাংলা/একে