শিক্ষকদের দৈনিক সোয়া ৭ ঘণ্টা অবস্থান : যা বললেন রাশেদা কে চৌধুরী

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ০৭:২২ পিএম, ১০ মে ২০১৯ শুক্রবার | আপডেট: ০৪:৫৫ পিএম, ১১ মে ২০১৯ শনিবার

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করে ক্যাম্পে নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এর প্রধান রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, এই সমস্যাটা একসময় খুবই প্রকট ছিল। নব্বই এর দশকে খুবই শোচনীয় ছিল।

তিনি বলছেন শিক্ষকদের নির্ধারিত ঘণ্টা ধরে কাজ না করার বিষয়টি নিয়ে এখনও যে বড়ধরনের সমস্যা রয়ে গেছে, আর এটা যে প্রকট হয়ে উঠেছে তা এই পরিপত্র জারি করা থেকেই বোঝা যায়।

``এটা একদিকে যেমন তাদের (শিক্ষকদের) নীতি-নৈতিকতার বিষয়, অন্যদিকে তেমনি শৃঙ্খলার ব্যাপার। অনেকসময় শৃঙ্খলা বিধি তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় না, অনেক ক্ষেত্রে তারা এগুলোর তোয়াক্কা করেন না। ফলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিক্ষার্থীরা।"

তিনি বলেন, এটা শিক্ষকদের দায়িত্বের অংশ যে পুঁথিগত বিদ্যার বাইরেও তাদের সৃজনশীলতাকে উদ্বুদ্ধ করা, খেলাধুলার দিকে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী করা।

তবে রাশেদা কে চৌধুরী এ-ও বলেন যে, শুধু ঢালাওভাবে শিক্ষকদের দোষারোপ না করে আরও যে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে তা হল, অনেক সময় শিক্ষকদের বাড়তি অনেক কাজ করতে হয়।

``স্কুলের কাজের প্রয়োজনেই তাদের উপজেলা প্রশাসন বা শিক্ষা প্রশাসনের সাথে অনেক দেন-দরবারও করতে হয়, বিশেষ করে প্রধান শিক্ষকদের। অনেকসময় সরকারি নানারকম কাজ-কর্মে থাকতে হয়। নির্বাচনকালীন সময়েও দায়িত্ব পালন তো আছেই।"

তিনি মনে করেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষকতার ক্ষেত্রে মেয়েরা সংখ্যায় বেশি হওয়ায় অনেক সময় বলা হয়, তারা মাতৃত্ব-কালীন ছুটি বা গৃহস্থালীর কাজকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার কাজে সময় কম দেন। কিন্তু এ নিয়ে কোন গবেষণা নেই। সুতরাং ঢালাওভাবে তা বলা যাবে না। আর নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবার ক্ষেত্রেই এ পরিপত্র প্রযোজ্য, বলেন রাশেদা কে চৌধুরী।

-সূত্র : বিবিসি