প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টিফিন ও ভাতা

খন্দকার এইচ আর হাবিব

এডুকেশন বাংলা

প্রকাশিত : ০৯:৫৬ এএম, ৯ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার | আপডেট: ১০:১১ এএম, ৯ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে। যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিগত পদ্ধতি। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা, আন্ত ইউনিয়ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন খেলাধুলার উপকরণ বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে বিদ্যালয়ে।

শিক্ষকদের বেতন কিছুটা হলেও সম্মানজনক। মিডডে মিল চালু হয়েছে। মিডডে মিলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক একই সঙ্গে বিদ্যালয়েই দুপুরের খাবার খাওয়া, কিন্তু টিফিনের সময় মাত্র ৩০ মিনিট। এই সময় খাওয়া ও বিশ্রামের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের বিভিন্ন ধরনের খেলার চর্চার জন্য সুযোগ থাকলেও সময় নেই।

এ ছাড়া শিক্ষকদের টিফিনভাতা মাসে মাত্র ২০০ টাকা। একই স্কেলে অন্যান্য বিভাগে যাঁরা চাকরি করেন তাঁদের এক দিনের টিফিনভাতা ২০০ টাকার বেশি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের টিফিন সময় ও টিফিনভাতা বাড়ানো সময়ের দাবি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুনজর আশা করি।

এজেড