বুধবার ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ৪:৪৬ এএম


'চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ পাঠানো হবে'

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:০৯, ১৮ আগস্ট ২০১৯  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞানের আরও উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে। তিনি বলেন, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিদেশে পাঠানোসহ শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সবকিছু করব।

প্রধানমন্ত্রী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) যমজ দুই শিশুর সফল অস্ত্রোপচারকারী বাংলাদেশি ও হাঙ্গেরীয় চিকিৎসক এবং অন্য কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত চিকিৎসক দলের উদ্দেশে ভাষণে গণভবনে শুক্রবার একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রাবেয়া-রোকেয়ার মতো যমজের সফল অস্ত্রোপচারের মতো আরও জটিল কাজ যাতে করা যায় সেজন্য আমরা সব ধরনের শিক্ষার ব্যবস্থা করব। তিনি বলেন, এ যমজ শিশুর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসকরা বিশাল অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এখন আমরা এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানের আরও উন্নয়নে মনোনিবেশ করব।

এ সময় বক্তব্য রাখেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল সার্ভিসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফশিউর রহমান, ডিজিএমএস’র কনসালটেন্ট সার্জন মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান, ড. হাবিবে মিল্লাত এমপি, হাঙ্গেরীয় চিকিৎসক দলের ডা. কেসাপোডি, ডা. কোসোকি ও পাটাকি। এছাড়া অন্য চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বক্তব্য রাখেন।

২ আগস্ট ঢাকা সিএমএইচে দীর্ঘ ৩৩ ঘণ্টার সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাবনার চাটমোহরের যমজ দুই শিশু রাবেয়া ও রোকেয়াকে আলাদা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হাঙ্গেরী সরকারের সংস্থা ডিফেন্সলেস পিপল ফাউন্ডেশনের (এডিপিএফ) সহযোগিতায় এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। এর আগে যমজ শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাঙ্গেরী পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ-বিদেশে তাদের চিকিৎসার সব খরচ বহন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর চিকিৎসকরা নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এটি বাংলাদেশের চিকিৎসকদের চোখ-কান খুলে দিয়েছে। তিনি বলেন, এ জটিল অস্ত্রোপচারে প্রবেশের মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়নে সরকারের পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের প্রথম মেডিকেল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

হাঙ্গেরীয় চিকিৎসক দলের সদস্যরা অস্ত্রোপচারকালে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চমৎকার সহযোগিতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। তারা বাংলাদেশ সরকারের উষ্ণ আতিথেয়তারও প্রশংসা করেন। তারা আরও বলেন, এ সফল অস্ত্রোপচার বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরীর মধ্যে এক নতুন ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি করেছে।
রাবেয়া-রোকেয়ার পিতা রফিকুল ইসলাম তার কন্যাদের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর