সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯ ১৫:১৯ পিএম


'আপনাদের দশ বছরেও বেতন হবে না যান আমি বলছি'

মো. অলি আজাদ

প্রকাশিত: ০৮:৫৫, ৯ জুন ২০১৯   আপডেট: ০৯:৪১, ৯ জুন ২০১৯

স্যার, পুরো বাংলাদেশ মিলে আমরা কারিগরি ও বি এম শাখায় স্কুল ও কলেজে এনটিআরসি এর মাধ্যমে সরকারী সকল বিধিবিধান মেনে ৪ মাস আগে নিয়োগ পাই। নিয়োগপ্রাপ্ত হবার পর এমপিও আবেদন করতে গেলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এডি জহুরুল ইসলাম বলে সরকারী আদেশ লাগবে তাছাড়া বেতন হবে না। সরকারী আদেশ কে দিবে? বললে বলে কারিগরি শিক্ষা বিভাগ দিবে। ওখানে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তারা বলে এটার প্রয়োজন নেই। কারন জেনারেল শাখার শিক্ষকদের এটা প্রয়োজন না হলে আপনাদের লাগবে কেন যান লাগবেনা।

আবার এডি জহুরুল এর কাছে গেলে বলে লাগবে তাছাড়া হবেনা। এভাবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ঘুরে কোন ফল পাইনি। ঘুরতে ঘুরতে শুনতে পারি এডি এমপিও অনেকের সাথে অবৈধ লেনদেন করে বেতন দিয়ে দিচ্ছেন। আমরা সেটা তাকে জানালে তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন আপনাদের দশ বছরেও বেতন হবে না যান আমি বলছি। বিষয়টি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালে কোন পদক্ষেপ নেন নি। এক দেশে দুই আইন কেমনে জেনারেলরা একই সাথে নিয়োগ পেয়ে বেতন তুলছে আর আমরা সরকারীভাবে নিয়োগ পেয়ে মাত্র একজন সরকারী অফিসারের কারনে প্রায় ২৫০-৩০০ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মানবেতর জিবনযাপন করছি।
অনেক ঘোরাঘুরি করেও কোন কাজ হয়নি। এরা একটা সিন্ডিকেট। না হলে পদক্ষেপ নিতো। আমরা বিভান্ন দপ্তরে ঘুরেও কোন সমাধান পাইনি। আপনি যদি স্যার বিষয়টা দেখতেন আমার বিশ্বাস ২০০-৩০০ শিক্ষকের বেতন হতো পরিবারের মুখে হাসি ফুটতো। আমার কাছে দালিলিক সকল কাগজপত্র রয়েছে।

এই হচ্ছে শিক্ষকদের যন্ত্রণা।
শিক্ষকরা কাকে জানাবে, কার নিকটে এর সমাধান!!! এসব দেখার কে আছেন!!!

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/wali20190609025508.jpg
“বাংলাদেশ শিক্ষা জাতীয়করণ পরিষদ”– বাশিজাপ-এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি মো. অলি আজাদ-র ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া

এডুকেশন বাংলা/এজেড

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর