রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৫:৪৮ এএম


৯৯৯ ও ৩৩৩-এ ফোন তিন ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৩৫, ২৩ জুন ২০১৯  

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও সরকারি তথ্য সেবা ৩৩৩-এ ফোন করে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো তিন ছাত্রী। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাল্যবিয়ের হাত থেকে ওই তিন ছাত্রীকে রক্ষা করে।

ইউএনও ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সখীপুর উপজেলার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। বিয়েতে ওই ছাত্রীর মত না থাকায় সে ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চায়। পরে পুলিশ গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়। একই রাতে বাসাইল উপজেলার মোতাহার আলীর ছেলে সুমনের (৩২) সঙ্গে সখীপুর উপজেলার ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। পরে এক প্রতিবেশী ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে।

অন্যদিকে উপজেলার নামদারপুর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নবম শ্রেণির এক ছাত্রী তার বিয়ে ঠেকাতে সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩-এ ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মুচলেকা নিয়ে ওই তিন ছাত্রীর অভিভাবকদের আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে যশোরের কেশবপুরে বাল্যবিয়ের অপরাধে গত দুদিনে বর, কনেসহ আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলার এক কিশোরীকে পাশের মণিরামপুর উপজেলার মুন্সিখানপুর গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। এ কথা জানতে পেরে শুক্রবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে কনেকে এক মাসের আটকাদেশ, বর সাইফুল ইসলামকে দেড় বছর, কনের বাবাকে এক বছর ও বরের তিন ভগ্নিপতি লিটন মোল্যা, কবির হোসেন ও নূরুনবীকে এক বছর মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। পরদিন শনিবার সকালে ইউএনও একই গ্রামে আরেকটি বাল্যবিয়ের কথা জানতে পারেন। এ ঘটনায় বর ইসমাইল সরদারের ছেলে হাসান সরদার (১৭) ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কিশোরী কনেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে আটকাদেশ দেন।

এডুকেোশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর