সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯ ১২:১০ পিএম


৪ বছরেও প্রকাশ হয়নি নিয়োগ পরীক্ষার ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৫২, ২৭ জুলাই ২০১৯  

ফেনীতে স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের শূন্যপদে জনবল নিয়োগের জন্য ২০১৫ সালের ৮ মে প্রার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থীদের নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের চার বছর দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। এতে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী চাকরিপ্রত্যাশীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এ নিয়োগ পরীক্ষার ফল আদৌ প্রকাশ হবে কি না, তা নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে ফেনী জেলায় সিভিল সার্জনের দপ্তর এবং অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে স্থায়ী রাজস্ব খাতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শূন্যপদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। তখন মোট শূন্যপদের সংখ্যা ছিল ১৪৬টি । এর মধ্যে পরিসংখ্যানবিদ ২ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ১৫ জন, স্টোরকিপার ৪ জন, স্বাস্থ্য সহকারী ৪৯ জন, জুনিয়র মেকানিক ৪ জন, হোম ভিজিটর ২ জন, ড্রাইভার ৩ জন, এমএলএসএস ১৮ জন, ওয়ার্ড বয় ৯ জন, আয়া ৭ জন, কুক ৭ জন, সিকিউরিটি গার্ড ৯ জন, মালি ৩ জন এবং সুইপার ১৪ জন।


১৪৬টি শূন্যপদের বিপরীতে মোট আবেদন জমা পড়ে চার হাজার ৯৬৭টি। সূত্র জানায়, গত চার বছরে জেলায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের শূন্যপদের সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত চার বছরে আরও কিছু কর্মচারী অবসরে গেছেন। এতে বর্তমানে কর্মচারীদের অফিসে ও মাঠে কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দুজনের কাজ একজনকেই করতে হচ্ছে।

একজন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারী নাম প্রকাশ না করে জানান, জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত তিনজন করে স্বাস্থ্য সহকারী থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে জেলার অনেকগুলো ইউনিয়নে মাত্র একজন করে স্বাস্থ্য সহকারী কর্মরত রয়েছেন। একজনের পক্ষে সঠিকভাবে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন মো. নিয়াতুজজামান বলেন, জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগ জনবল সংকট নিরসনের জন্য চার বছর আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আগ্রহী প্রার্থীদের পরীক্ষাও নিয়েছিল। তখন আইনগত কিছু জটিলতা দেখা দেওয়ায় ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলাফল প্রকাশ করে নিয়োগ দেওয়া হলে মাঠকর্মীদের কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা লাঘব হতো।

স্বাস্থ্য বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, নিয়োগের বিষয়ে আদালতে অন্য একটি মামলার ঝামেলা থাকায় তখন ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। অতি সম্প্রতি আদালতে ওই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে। শিগগিরই ফলাফল প্রকাশ করে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর