বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:৩৫ পিএম


স্কুল-কলেজ বন্ধ করুন, জীবন বাঁচান

আমিরুল আলম খান

প্রকাশিত: ১১:৩০, ৭ আগস্ট ২০১৯  

যে যা-ই বলুন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কে এখন পুরো দেশ। প্রথমে রাজধানী ঢাকায় শুরু হলেও ক্রমেই ডেঙ্গু সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। গুজবের ভয় দেখিয়ে ডেঙ্গু ঠেকানো যায়নি, যায়ও না। কিন্তু আমরা সবকিছুকে হালকা করে দেখতে অভ্যস্ত। সঙ্গে আবার ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। এসব উপসর্গ আমাদের বিরাট ক্ষতি করে। প্রথমত, এ ধরনের মানসিকতা সমস্যার গভীরে যেতে চিন্তাকে বাধা দেয়, তাই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। কথায় বলে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়। আমজনতার অভিজ্ঞতাজাত জ্ঞানে কর্তাদের বেজায় ঘেন্না!

ঠিক সময়ে ঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে মাশুল দিতে হয় সবাইকে। ডেঙ্গু নিয়ে মিডিয়া সোচ্চার অনেক আগে থেকেই। বারবার লেখা হয় আগাম সতর্ক করে। কিন্তু কেউ কানে তোলেনি সেসব কথা। এমনকি, ডেঙ্গু যখন সাক্ষাৎ যম হয়ে হাজির, তখনো কত কথাই না শুনতে হয়েছে আমাদের। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আজ রাজধানী ঢাকা তো বটেই, সারা দেশে ডেঙ্গু আতঙ্ক। ইতিমধ্যে দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার! সংকট মশা নিধনের উপযুক্ত ওষুধের, ডেঙ্গু কিটসের। হাসপাতালে যেমন তিল ধারণের ঠাঁই নেই, তেমনি চিকিৎসা ব্যয়ও সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে। ডেঙ্গু চিকিৎসায় যথেষ্ট অভিজ্ঞতাও নেই দেশের সব চিকিৎসকের। মফস্বলের অবস্থা আরও খারাপ।

দেশজুড়ে মশার উৎপাত সারা বছর। কিন্তু মশা নিধনে কারও মাথাব্যথা আছে, তা মনে হয় না। শুধু এখানেই শেষ নয়, কাজের দায়িত্বটা কার, সেটা নিয়েও অনর্থক হাজার তর্কবিতর্ক। কাজটা কারা করবে—স্থানীয় সরকার? স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়? যদি তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা না থাকে অবলম্বে তা নির্দিষ্ট করা হোক। দেশ মশকমুক্ত করুন। সব জাতের মশা থেকে মুক্তি চাই আমরা। এনোফ্লিশ, কিউলেক্স, এডিস—সব জাতের মশা থেকে মুক্ত হতে চাই আমরা।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর