বৃহস্পতিবার ২৩ মে, ২০১৯ ২২:৪২ পিএম


স্কুলের চেয়ে কোচিংয়ের শিক্ষকরা ভালো পড়ান : শেকৃবি উপাচার্য

প্রকাশিত: ১১:১০, ১ জুন ২০১৮   আপডেট: ১২:২৫, ১ জুন ২০১৮

স্কুলের চেয়ে কোচিংয়ের শিক্ষকরা অনেক বেশি ভালো পড়ান বলে মন্তব্য করে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামাল উদ্দিন আহম্মদ কোচিং সেন্টারের নানা প্রয়োজনীয় দিকগুলো তুলে ধরেছেন। উপাচার্য  বলেন, গৃহ-শিক্ষক প্রথা বহুকাল আগ থেকেই সমাজে চলে আসছে।

বৃহস্পতিবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে ‘কোচিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘কোচিং পেশায় জড়িক শিক্ষকরা দেশ গড়ার কারিগর। এই কোচিং শিক্ষাকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। এটাকে অ্যাডভান্স সহায়ক শিক্ষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।’

যারা কোচিং শিক্ষায় জড়িত তাদের মেধাবী । এমন তথ্য দিয়ে উল্লেখ করে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আরও বলেন, ‘কোচিং পেশায় জড়িতদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হোক। কারণ তারা স্কুলের চেয়ে বেটার (অনেক ভালো) পড়ান।’

উপাচার্য  আরো, স্কুলে একটি ক্লাসে ১০০ জন শিক্ষার্থী থাকে। সেখানে ভাল পড়ানো যায় না। তাই কোচিংয়ে একজন শিক্ষক ভালোভাবে পড়াতে পারে। 

কোচিং সেন্টারের মালিকদের আয়োজনের ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কোচিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও ই হক কোচিংয়ের মালিক ইমাদুল হক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের পক্ষ থেকে পরিচালকরা বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, সমাজে কোচিং সেন্টার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে নিজেদের প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা স্ব-প্রণোদনায় কোচিংয়ে পড়তে আসছে। বছরের বিভিন্ন সময় সরকারি ছুটি উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় ক্লাস বন্ধ থাকে। বছরে ১৯০- ২০০ দিন কোনো পাঠদান কার্যক্রম থাকে না। বছরে অন্য দিনগুলোতে নানা ধরনের স্কুল পরীক্ষা লেগেই থাকে। এসব হিসেবে সারা বছরে ক্লাস হয় মাত্র ১১৫-১২৫ দিন। এ অল্প সময়ে সিলেবাস শেষ করা সম্ভব হয় না বিধায় ছাত্রছাত্রীদের কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদাহরণ তুলে ধরে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে কোচিং সেন্টার রয়েছে। কোথাও কোথাও সহায়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কোচিং সেন্টার স্বীকৃত। এছাড়া বেকারত্ব সমস্যা সমাধানেও কোচিং সেন্টার ভূমিকা রাখছে বলে জানানো হয়।

 আলোচনা ও ইফতার মহাফিলে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলহাজ মো. মাইনুল হোসেন খাঁন (নিখিল), তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল রশীদ, মাহমুদুল হাসান সোহাগ, সৈয়দ মাহবুবুল হক পলাশ, আবু রায়হান, পলাশ সরকার, মাহবুব আরেফিন প্রমুখ।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর