শনিবার ২৫ মে, ২০১৯ ১৬:৫৪ পিএম


স্কুলছাত্রের সচেতনতায় রক্ষা পেলো উদয়ন এক্সপ্রেস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৬, ৮ মে ২০১৯  

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আবুল হোসেন নামে নবম শ্রেণির একছাত্রের বিচক্ষণতায় সম্ভাব্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলো চট্টগ্রাম অভিমুখী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন। আবুল হোসেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলার খোকন মিয়ার ছেলে। সে কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল মঙ্গলবার (৭ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবুল হোসেন স্থানীয় সায়েদ কবিরাজের বাড়ি থেকে ফেরার পথে শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলায় সিলেট-আখাউড়া রেলপথের ৩০৬/২নং রেলপথ এলাকায় একটি রেলপাত ভেঙে ফাঁক হয়ে থাকতে দেখে। এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ভেবে সে বিষয়টি গ্রামবাসীদের জানায়। গ্রামবাসী বিষয়টি দ্রুত শমশেরনগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শেখ রায়হান ফারুকের মাধ্যমে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার কবির আহমদ ও শ্রীমঙ্গল রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙা পাত সরিয়ে সেখানে নতুন এক টুকরো পাত বসান। এর প্রায় একঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে শমশেরনগর স্টেশনে চট্রগ্রাম অভিমুখী আন্তনগর উদয়ন ট্রেন আটকা পড়েছিল। ওই সময় রেলপাত ভাঙার বিষয়টি জানাজানি না হলে বড় দুর্ঘটনায় পড়তো ওই ট্রেন।

কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ রায়হান ফারুক বলেন, ‘ছাত্রটি সচেতন হয়ে বিষয়টি গ্রামবাসীকে না জানালে আমিও জানতাম না। আমি শমশেরনগর স্টেশন মাস্টারকে এ বিষয়ে জানিয়ে রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করি। তারাও দ্রুত ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন একটি পাত প্রতিস্থাপন করে।’

শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার কবির আহমদ বলেন, ‘আবুল হোসেনের সচেতনতায় সম্ভাব্য একটি রেল দুর্ঘটনা থেকে বাঁচা গেলো। ওই ট্রেনে ৫-৬ শত যাত্রী থাকেন।’

শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে রেলপথ ঝুঁকিমুক্ত। সময়মতো যদি স্কুলছাত্রটি খবর না জানালে উদয়ন ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনায় পড়ে যেতো।’

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর