বৃহস্পতিবার ০৪ জুন, ২০২০ ৬:৪৫ এএম


শুধুই কি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দোষ?

শেখ আদনান ফাহাদ

প্রকাশিত: ১০:২৪, ২০ এপ্রিল ২০২০  

করোনা প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত একমাত্র মুখ্য উপায় হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা। এজন্যই বলা হয় যার যার ঘরে অবস্থান করতে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে করোনার মহামারি থেকে রক্ষা করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন, কিছু মানুষের মারাত্মক সব ভুলের জন্য প্রতিদিনই বিপদের মাত্রা বাড়ছে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে সীমান্তবর্তী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ২ ও ৩ নং সেক্টরের মেরুদণ্ড হিসেবে ভূমিকাপালনকারী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০২০ সালের ১৮ এপ্রিল যে ঘটনা ঘটে গেল, সেটি জাতি বহুদিন ভুলবে না।

মনে রাখা ভালো, বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, আমরা নিজের দিকে কম তাকাই, দোষ ধরতে অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকি অধিকাংশ সময়। অন্যের দোষ না পেয়ে শ্রী পেয়ে গেলে তাতেও কাতর হয়ে যেতে আমাদের ভালো লাগে। নিজের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পেতাম পুরো বাংলাদেশেই করোনা-বান্ধব নানা ঘটনা ঘটে চলেছে। আত্মঘাতের শুরুটা হয়েছিল প্রবাস থেকে করোনা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার মধ্য দিয়ে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় করোনাভাইরাসের কারণে দেয়া লকডাউন উপেক্ষা করেই ইসলামি আলোচক আল্লামা মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনসারীর জানাজায় অংশ নেয় কয়েক লাখ মুসুল্লি। শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই তার জানাজায় অংশ নেন লাখো মানুষ। এসময় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা ছিল অনেকটাই নীরব। বেশ কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেলেও তারা ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়। এদিকে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে এমনটাই আশঙ্কা করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জানা যায়, জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকে পিক আপ ভ্যানে করে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেড়তলা মাদ্রাসায় আসতে থাকে মুসুল্লিরা। এসময় জানাজায় অংশ নেয়া অতিরিক্ত জনসমাগম ওই মাদ্রাসা মাঠ ছাড়িয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দু’পাশ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। একদিকে বিশ্বরোড মোড় হয়ে সরাইলের মোড় পর্যন্ত, অপরদিকে আশুগঞ্জের কাছাকাছি গিয়ে ঠেকে জনসমাগমের ঢল। এছাড়া ওই এলাকার আশপাশের বিভিন্ন ভবনের ছাদেও মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো’।

একজন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মারা গেলে তার জানাজায় অনেক মানুষ হবে এটা কি সমাজ ও রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারকগণ, প্রশাসকগণ বিন্দুমাত্র উপলব্ধি করতে পারেন নি? জেলার পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রশাসন খুব চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন এই লোকসমাগম ঠেকাতে। সরাইল থানার ওসি বলেছেন, তিনি ভাবতেই পারেন নি যে এত বড় জমায়েত হয়ে যাবে। সরাইল-আশুগঞ্জের নির্বাহীগণও নিশ্চয় ভাবতে পারেন নি? নাকি ভাবতে পেরেছিলেন? ভাবতে পারলেও কী করার ছিল একজন জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের? উনারা ঠেকাতে পারেননি। কারণ এই লাখো মানুষ শুধু সরাইল, আশুগঞ্জ বা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছিলেন না। নরসিংদি, সিলেট, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, এমনকি সুদূর চট্টগ্রাম থেকেও লোক এসেছিল বলে দাবি করেছেন অনেকে। বাইরে থেকে আসা লোকজন নিশ্চয় পায়ে হেঁটে আসেননি সবাই। ছবিতে, ভিডিওতে ট্রাক দেখা গেছে অনেক। বাইরে থেকে হাজার হাজার মানুষ এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকেই বরং ঝুঁকিপূর্ণ করে গেছে, এমন দাবি করলে কি খুব অযৌক্তিক হয়ে যাবে?

সাধারণ মানুষের ধর্মচেতনা ও মাওলানা সাহেবের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অত্যন্ত চালাক কিছু মানুষ করোনা দুর্যোগের সময় রাষ্ট্রযন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে এই অপ্রত্যাশিত জমায়েত সংঘটিত করেছে মর্মে ইতোমধ্যে দেশের সচেতন মহল থেকে পর্যবেক্ষণ এসেছে। ধর্ম, জানাজা, জনপ্রিয়তা ইত্যাদি বিষয় সামনে থাকলেও এত বড় ঘটনার পেছনে গোপন রাজনৈতিক পরিকল্পনা আছে বলেই প্রতীয়মান। লাখ বাদ দিলাম, ৫০ হাজার আত্মঘাতী মানুষকে একটি থানার পুলিশ ঠেকাতে পারবে? পুরা জেলার পুলিশ মিলে ঠেকাতে পারবে? কী দিয়ে ঠেকাবে? মুখের বাধায়, মাইকিং এ কাজ না হলে লাঠি চার্জ করলে, টিয়ার গ্যাস মারলে এক লাখ মানুষ যদি মারমুখো হত সে ঝুঁকি সামাল দেয়ার শক্তি সরাইল পুলিশের ছিল? সরাইল পুলিশ কেন, কোনো থানার পুলিশের পক্ষেই সম্ভব না। পুলিশের গুলিতে কেউ মারা গেলে তার প্রতিক্রিয়ায় যদি সারাদেশে এমন লাখ লাখ ‘মুসুল্লি’ বের হয়ে যেত তাহলে কী হত আজ বাংলাদেশের? সব কিছুতে, সব সময় গুলি করা যায় না। আগে থেকেই প্রশাসনিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মিলিত প্রয়াস চালালে অবশ্যই জানাজার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা যেত। তবে আমি বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল জেলা প্রশাসক, এসপি মহোদয়গণ অবশ্যই চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সফল হননি। কারণ আগেই বলেছি, এটি ম্যানেজ করা শুধু উনাদের কাজ ছিল না। অনেকে বলছেন সরাইলে ১৪৪ ধারা জারি করলে এমনটি হত না। ১৪৪ ধারা জারি করা নিশ্চয় থানা পুলিশের কাজ নয়। থানা পুলিশের কাজ হলো ১৪৪ ধারা জারি হলে সেটি বাস্তবায়ন করা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় দেশের ভেতরের, এমনকি বাইরেরও অনেকেই জড়িত হতে পারে। একজন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচকের জনপ্রিয়তাকে শুধু জারিয়া করা হয়েছে। টার্গেট শেখ হাসিনার সরকার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা কোনো উপজেলা বা জেলার ঘটনা নয়। এটি জাতীয় ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা। এটি সামাল দেয়ার সামর্থ্য ও দায়িত্ব শুধু সরাইল বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের ছিল না। সব বড় ঘটনা বা দুর্ঘটনা ঢাকা কেন্দ্রিক হবে এমনটি বোধহয় ভাবা এখন বাদ দিতে হবে।

হাইওয়েতে সিসি ক্যামেরা আছে না? মেঘনার ব্রিজে সিসি ক্যামেরা আছে না? জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কুমিল্লা, সিলেট থেকে লোক গেছে বলে শোনা যাচ্ছে। ভৈরব, মাধবপুর, কুমিল্লা পার হয়ে কীভাবে সরাইল-আশুগঞ্জে লোক আসল? সিসি ক্যামেরা দেখে যারা সংগঠক, যারা দায়িত্বশীল ছিলেন সবার নাম তালিকা প্রকাশ হোক। সব দোষ কেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিতে যাবে?

এক শ্রেণির ‘প্রগতিশীল’ মানুষ আলোচনা ও বিশ্লেষণের সব অ্যাঙ্গেল বাদ দিয়ে শুধু ঘটনাস্থলের জেলা নিয়ে ট্রল করে যাচ্ছেন। বড় বড় মানুষকে দেখলাম এই কাজটি খুব উৎসাহের সাথে করছেন। একজন পরিচিত টেলিভিশন সাংবাদিককে দেখলাম, যিনি পুরো জেলাকে একটি গালি হিসেবে আবিষ্কার করলেন এবং ‘তুই একটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে খুব লাইক পেলেন। সচেতন মানুষ অবশ্য ডিসলাইক করেছেন।

এদিকে একজন আইনজীবী সেই সাংবাদিককে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। সেই সাংবাদিক পরে নিজের অপরাধ বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে তার টাইমলাইনে আরেকটি পোস্ট দিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রায় ৩২ লাখ মানুষের বাস। পুরো দেশ যেমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াও তেমন। সমতল ভুমি, সবুজ প্রান্তর, নদী, খাল-বিলে ভরা। বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় যেমন শিক্ষিত মানুষ থাকেন, অশিক্ষিত মানুষ থাকেন, প্যান্ট-শার্ট পড়া মানুষ থাকেন, হুজুর থাকেন, নামাজী-বেনামাজী থাকেন সৎ-অসৎ মানুষ থাকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়াও তেমনি। দেশের অন্য যে কোনো জেলার মত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারও নিজস্ব ইতিহাস-ঐতিহ্য আছে। এবং এই ইতিহাস-ঐতিহ্য গর্ব করার মত। এমন ব্যক্তিত্ব আছেন ইতিহাসে যিনি শুধু বাংলাদেশের নন, পুরো বিশ্বের একজন আইকন। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ সাহেবের বাড়ি ছিল এখানে। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেয়া বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের বাড়ি এই জেলায়। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে পাকিস্তানের এসেম্বলিতে জোর দাবি জানানো ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়ি এখানে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম সহযোগী, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক আব্দুল কুদ্দুস মাখনের জন্মভূমি এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভাষা সংগ্রামী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অধ্যক্ষ শেখ মোঃ আবু হামেদ সাহেবের বাড়ি সরাইলে। বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষিত জেলা। জেলার প্রতিটি উপেজেলায় জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। অনেকে জেলাকে আক্রমণ করতে গিয়ে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের রেফারেন্স দিয়েছেন। এমন কুলাঙ্গার তো সব জেলাতেই আছে। জঙ্গি বাংলা ভাই, জঙ্গি মুফতি হান্নান, জঙ্গি শায়খ আব্দুর রহমানের বাড়ি কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া না। যুদ্ধাপরাধী নিজামী, মুজাহিদী, সাকা চৌধুরীর বাড়িও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে নয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে লকডাউন ভেঙে বেশ কিছু মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এমন মারামারি দেশের অন্যান্য জেলায়ও হয়েছে। দেশে এমন কোনো জেলা নাই যেখানে মারামারি হয় না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছিল কারা? হাজার হাজার শ্রমিককে ঢাকায় হেঁটে আসতে বাধ্য করেছিল কারা? দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে যারা প্রতিনিয়ত সমালোচনার পাত্র হচ্ছেন ওনারা কেউই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন। দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, ব্যাংক লুটেরা, বিদেশে সম্পদ পাচারকারীদের বাড়ি কিন্তু শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া না।

অনেকে বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ প্রগতিশীল ধারা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাদে পুরো বাংলাদেশে কি প্রগতিশীল ধারা অব্যাহত আছে? অবকাঠামোগত উন্নয়ন আর প্রগতি ভিন্ন বিষয়। গত ১০ বছরে দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সেই উন্নয়নের অংশীদার পুরো দেশের মত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাও। জঙ্গিবাদ দমন করা হলেও দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল হয়ে যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা লোকেরাই বাংলাদেশে দুর্নীতি করে বেশি। ব্যাংক লুট, রাষ্ট্রীয় তহবিল তসরুফ, বিদেশে সম্পদ পাচার, ঘুষ লেনদেনসহ যত রকমের দুর্নীতি আছে সবখানেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা লোকের অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি। রাজনীতিতে যখন আদর্শ থাকে না, কালো টাকার মালিকদের আধিপত্য থাকে, নমিনেশন যখন কালো টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায়, জয় বাংলার দলে যখন জামাতের নেতা-কর্মীরাও পদ পেতে শুরু করে, নৌকার প্রকৃত প্রেমিকদের বাদ দিয়ে যখন মুসলিম লীগাররা নমিনেশন পেয়ে যায় তখন প্রগতিহীনতার দায় শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে দিয়ে পার পাওয়া যাবে না।

সরাইলে যোগ্য বিকল্প প্রার্থী থাকার পরেও বঙ্গবন্ধুর খুনি তাহের ঠাকুরকে কেন জাতীয় নির্বাচনে নমিনেশন দেয়া হয়েছিল? এর উত্তর কি বর্তমান আওয়ামী লীগের কাছে আছে? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা তাই জাতীয় ইস্যু। এটি উপজেলা বা জেলার ব্যাপার নয়। বঙ্গবন্ধু তার আদর্শ দিয়ে মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ করে পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সে প্রক্রিয়ায় সরাইল-আশুগঞ্জ তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গৌরবময় অবদান ছিল। আজ কেন সরাইল-আশুগঞ্জে আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন সেটি কি দয়া করে একটু তলিয়ে দেখা হবে?

লেখক: শেখ আদনান ফাহাদ, সভাপতি, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর