বৃহস্পতিবার ২০ জুন, ২০১৯ ১৫:৩৪ পিএম


শিক্ষামন্ত্রী জানালেন

শিগগিরই ঘোষণা ২৫০০ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০১৯   আপডেট: ১৬:৫০, ১১ এপ্রিল ২০১৯

মাসখানেকের মধ্যে প্রায় দুই হাজার ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, ‘এমপিও নীতিমালার শর্তানুযায়ী চারটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। আশা করছি, এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে এমপিওভুক্তির ঘোষণা করতে পারব।’

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষা বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিয়ম সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এই দুই হাজার ৫০০ প্রতিষ্ঠানকে একবারেই শতভাগ বেতন দেওয়া। কিন্তু সেটা সম্ভব না হলেও যা হবে তা সবার জন্য একই হবে। আর যারা নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তাদেরকে আমরা উৎসাহিত করব। কারণ এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস করছে বা শিক্ষার্থী একেবারে কম, তাদের আশপাশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

কোচিং সেন্টারগুলোর ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘কোচিং কথাটা কিন্তু খারাপ না। শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি কোচিং, জিআরই, আইইএলটিএস কোচিং অনেকটাই দরকারি। এ ছাড়া একটা ক্লাসে সব শিক্ষার্থী এক রকম না। কিছু শিক্ষার্থী আরো ভালো করার জন্য এবং কেউ কেউ দুর্বলতা কাটানোর জন্য কোচিং করে। তাই তাদের ফ্রিল্যান্সিং কোচিং সেন্টারে পড়তে তো কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু শিক্ষকরা যদি কোচিংয়ে বাধ্য করে সেটা অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য।’

দীপু মনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার সময় সব ধরনের কোচিং বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়েছে। তাই আগামী বছর থেকে যে পরীক্ষা হবে সে শ্রেণির কোচিং বন্ধ রাখার ব্যাপারে আমরা ভাবছি। আর কোচিং সেন্টারগুলোকে একটা নিয়মের মধ্যে আনার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে শিক্ষার্থীদের একাধিক জায়গায় দৌড়াতে হয়। এ জন্য সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা খুবই জরুরি। কিন্তু বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এর বিরোধিতা করছে। এখন মেডিক্যাল কলেজগুলো যদি সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি করতে পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন? আশা করি সব বিশ্ববিদ্যালয় এ ব্যপারে সহায়তা করবে।’

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনটি একজন পরামর্শকের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অন্য কোনো আইনের সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক কি না তা দেখা হচ্ছে। আশা করছি, চলতি বছরের শেষ নাগাদ আমরা মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী পর্যায়ে পাঠাতে পারব।’ মন্ত্রী আরো বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও গভীর নজরদারির মধ্যে আনা হবে। ব্যবসায়ী মনোভাব নিয়ে যাতে কেউ চলতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের নজর থাকবে।’

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর