শুক্রবার ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ৩:১০ এএম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেনদেন ইচ্ছে মতো করেন সভাপতিরা

নিজামুল হক

প্রকাশিত: ০৮:১৯, ২০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ০৮:২২, ২০ অক্টোবর ২০১৯

শহরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনিয়ম বেশি হচ্ছে। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের সব লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের সঙ্গে ব্যাংক চেকে সভাপতির স্বাক্ষর থাকতে হয়। আর এই লেনদেন ইচ্ছেমতো করেন সভাপতি।

বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে তছরুপ করা হয় প্রতিষ্ঠানের ফান্ড। প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ কোনো কাজে স্বাক্ষর না দিতে চাইলে তাকে হয়রানি, এমনকি চাকরিচ্যুত করা হয়। কখনো গভর্নিং বডির সঙ্গে মিলেমিশে অনিয়ম করেন প্রধান শিক্ষক কিংবা অধ্যক্ষ।

এছাড়া এতদিন সহকারী শিক্ষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা। দক্ষতার চেয়ে টাকাকেই বড়ো করে দেখতেন। কিন্তু বর্তমানে এন্ট্রি পদে নিয়োগের ক্ষমতা সরকার নিয়ে নেওয়ায় এখন অন্য পদগুলোতে ঠিকই বড়ো অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেন তারা।

এ কাজগুলোর বাইরে আর কোনো দায়িত্বই পালন করেন না ম্যানেজিং কমিটি এবং গভর্নিং বডির সদস্যরা। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লেখাপড়ার উন্নয়নে কোনো পরামর্শও দেন না তারা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এ কমিটি কি শুধু টাকা-পয়সা ভাগ-বাটোয়ারার জন্যই?

ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির অনুমোদন দেওয়া এবং বাতিল করার এখতিয়ার শিক্ষা বোর্ডগুলোর। এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল করার একাধিক নজির আছে। তিনি বলেন, যে প্রতিষ্ঠানে সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান মিলেমিশে অনিয়ম করে, তা বাইরে প্রকাশ পায় না। কিন্তু যেখানে এই দুই জনের মধ্যে মিল থাকে না সেখানেই ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির অনিয়ম প্রকাশ পায়। তিনি আরো বলেন, কোনো কমিটির সভাপতি বা সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কমিটি বাতিল করা হয় বলে তিনি জানান। সূত্র ইত্তেফাক

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর