মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:৩৬ এএম


শিক্ষককে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:৩৫, ১৯ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২২:৫১, ১৯ অক্টোবর ২০১৯

দিনাজপুরে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে বলে পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ।

সদর উপজেলার উথরাইল গ্রামের বাড়ির শয়নক্ষ থেকে শনিবার আরিফুল ইসলামের (২৮) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয় দুপুরে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও মৃতের পরিবারের দেওয়া অভিযোগ থানা গ্রহণ করেনি বলে স্বজনদের অভিযোগ।

পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, আরিফুলের শ্বশুর পুলিশ সদস্য হওয়ায় কোতোয়ালি থানা মামলা গ্রহণে সময়ক্ষেপণ করে। পরে তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত শেষ করে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিবারকে ব্যস্ত রেখে নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিনকে থানা থেকে চলে যেতে সহায়তা করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।

মৃতের বড়োভাই শরিফুল আলম বলেন, বগুড়ার সান্তাহারের বাসিন্দা পুলিশ সদস্য ইউনুস আলীর মেয়ে ইয়াসমিনের সঙ্গে তিন মাস আগে দিনাজপুর সদরের কমলপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে আরিফুলের বিয়ে হয়।
ইয়াসমিন উথরাইল সিদ্দীকিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষিকা এবং আরিফুল শালকি আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক। এই দুই মাদ্রাসার অদূরে একটি ভাড়া বাড়িতে তারা থাকতেন।

ভাই শরিফুল আলম ও বোন নাসরিন আকতার বলেন, আরিফুলের স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুক্রবার রাতেই তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে।

বোন নাসরিন আকতার অভিযোগ করেন, “তাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। শুক্রবার বিকালে ভাইয়ের শ্বাশুড়ি ও শ্যালক ওই বাড়িতে এলেও ঘটনার পর তাদের আর পাওয়া যায়নি।”
তবে কী কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আরিফুলকে হত্যা করে থাকতে পারে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি তার ভাই-বোনরা।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার এসআই দুলাল হক বলেন, শনিবার ভোররাত ৩টায় আরিফুলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার শয়নকক্ষ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ও কিছু আলামত জব্দ করে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ না নেওয়া এবং আরিফুলের স্ত্রী ইয়াসমিনকে থানা থেকে বাবা সঙ্গে যেতে দেওয়া প্রসঙ্গে ওসি রেদওয়ানুর রহিম গণমাধ্যমে কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর