মঙ্গলবার ০২ জুন, ২০২০ ২:২৮ এএম


শিক্ষকদের বেতনের টাকা কারো ব্যাক্তিগত ফান্ড নয়

মো. নজরুল ইসলাম রনি

প্রকাশিত: ১৭:০৫, ২৮ মার্চ ২০২০  

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষককর্মচারীগণ সারা মাস কাজ করার পর সামান্য বেতন ভাতা পান।তা থেকে আবার ১০% কর্তন করা হয়।এর মধ্যে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষক আন্দোলনের ফলে ৫% বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রদান করলেও শিক্ষকদের সাথে কোন আলাপ আলোচনা ছাড়াই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তন করা হলো।এ নিয়ে শিক্ষক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিল।শুরু হলো আন্দোলন।হলো মামলা।২০১৫ সালে স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশে বৈশাখী ভাতা প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।কিন্তু সেই বৈশাখী ভাতা থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজকে বঞ্চিত করা হলো।আবার আন্দোলন সংগ্রাম করার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষককর্মচারীদেরকে প্রথম বৈশাখী ভাতা প্রদান করা হলো।

২০০৪ সাল থেকে ২৫% ঈদবোনাস পেয়ে আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীগণ।দীর্ঘ ১৬বছরেও এর কোন পরিবর্তন হলোনা।অনেক দিন আন্দোলন ও সংগ্রাম চালিয়ে কোন লাভ হলোনা।১০০০টাকা বাড়ি ভাড়া,৫০০টাকা চিকিত্সা ভাতা নিয়ে শিক্ষকদের জীবন কোন রকম চলছে।শিক্ষকরা এমন এক পেশায় নিয়োজিত তারা নিজেদের দুঃখ বেদনার কথা কাউকে শেয়ার করতে পারেনা। সামান্য বেতন ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন থেকে এ মুহূর্তে কর্তন হলে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে।কেউ কেউ এটি করে সরকারকে বিতর্কিত করতে চায়।

বর্তমানে বিশ্বে করোনা এক ভয়াবহ পরিস্থিতি।বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে।সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে।বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার অত্যন্ত জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।আমরা শিক্ষক সমাজ সরকারের নির্দেশ মোতাবেক কার্যক্রম করছি।অবশ্যই ইনশাললাহ আললাহ আমাদেরকে মারাত্মক ক্ষতি থেকে রক্ষা করবেন বলে আশা করছি।তবে করোনা নাম দিয়ে কেউ যেন চাঁদাবাজি না করতে পারে সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানবতার মা আমরা বিশ্বাস করি তিনি শিক্ষক সমাজের ক্ষতি হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিবেন না।এর পরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে কোন আদেশ দিলে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো।কিন্তু অন্য কারো ছলনা শিক্ষক সমাজ মেনে নিবে না।


লেখক: সভাপতি
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও মুখপাত্র
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম।


এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর