সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯ ১২:৩৩ পিএম


রাবিতে ফরমের উচ্চমূল্য নিয়ে অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৩০, ২৬ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৯:৩২, ২৬ জুলাই ২০১৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ফরমের উচ্চমূল্য ও ইউনিট ভিত্তিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণে সীমাবদ্ধতার কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভর্তীচ্ছুরা। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এ ভর্তি পরীক্ষায় নতুন নিয়মের কারণে অনেক দরিদ্র ও মেধাবী ভর্তীচ্ছু আবেদন করতে পারবে না বলে মনে করছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কয়েকটি এলাকার ভর্তীচ্ছুদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর পাঁচটি ইউনিট থাকলেও এ বছর তিনটি ইউনিটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের অধীনে কলা, সামাজিক বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ‘বি’ ইউনিটের অধীন ব্যবসায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ইনস্টিটিউট এবং ‘সি’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। একজন ভর্তীচ্ছু কেবল একটি ইউনিটেই পরীক্ষা দিতে পারবে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। কেবল ২০১৯ সালে এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরাই আবেদনের সুযোগ পাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক ও চূড়ান্ত আবেদনের জন্য একজন ভর্তীচ্ছুকে দুই হাজার ৩৫ টাকা খরচ করতে হবে।

রাসেল নামে এক ভর্তীচ্ছু বলে, ‘একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের জন্য আমাদের বিশাল অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। আর এই টাকা জোগাড়ের জন্য অনেক পরিবারকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।’ রবিন নামে আরেক ভর্তীচ্ছু বলে, ‘অসচ্ছল ভর্তীচ্ছুদের কথা বিবেচনায় রেখে ভর্তি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা উচিত ছিল। এ ছাড়া ইউনিটের সীমাবদ্ধতা আমাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র অধ্যাপক বলেন, ‘ফরমের উচ্চমূল্য নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’

তবে ভর্তি কমিটির সদস্য ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া বলেন, ‘ফরমের মূল্য বাড়ানো হয়নি। একাধিক ইউনিটে পরীক্ষা দিতে যে খরচ হতো, একটি ইউনিটে পরীক্ষা দিতেও সেই খরচই হবে। ইউনিট কমিয়ে আনার ফলে ফরমের মূল্য বেশি মনে হচ্ছে।’


এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর