রবিবার ২১ জুলাই, ২০১৯ ১০:১৭ এএম


যে কারনে এমপিও নীতিমালা সঠিক হয়নি

এস এম আমজাদ হোসেন

প্রকাশিত: ০৯:২৮, ১৮ জুন ২০১৮  

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত বৃহস্পতিবার এই নীতিমালা জারি করা হয়। এমপিও নীতিমালায় চাকুরিতে প্রথম প্রবেশের বয়স ৩৫ করেছে। কিন্তু আমাদের রায়ের কপির ১ নং পয়েন্টে সনদের মেয়াদ চাকুরি না হওয়া পর্যন্ত বলেছে। আজীবনও বলেনি।। আমরা যারা সনদ পেয়েছি তারা তো এখনো চাকুরি পাইনি, তবে কিভাবে আমাদের উপর বয়স চাপিয়ে দেয়? সুতারাং বয়স আমাদের উপর চাপিয়ে দিলে তা কোর্টের রায়কে অমান্য করা হবে।

এসটিআরসিএ আমাদেরকে নিয়ে লুকোচোরি খেলা খেলছে। একদিকে কালো নীতিমালা করে আমাদের সনদ বাতিল করার চক্রান্ত করছে, অন্যদিকে ১-৫তমদের তথ্য আপগ্রেট করছে। এবং বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক তথ্য দিচ্ছে, যা আমাদেরকে অন্ধকারের মধ্যে রেখে দিচ্ছে।

আমরা জানি সমাজ বিজ্ঞান একটি অনুষদ কিন্তু নীতিমালায় সমাজ বিজ্ঞানকে একটি বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যদি কেউ সমাজ বিজ্ঞানে শিক্ষক হতে চায় তবে তাকে সমাজবিজ্ঞানের উপর ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। তবে যারা পৌরনীতি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়ে অনার্স করেছেন তারা কি সমাজ বিজ্ঞানে সহকারী শিক্ষক হতে পারবে না?
তাতে বুঝা যাচ্ছে এমপিও নীতিমালায় ভুল আছে।। যা সংশোধন অবশ্যয় করতে হবে নতুবা আদালতে এটি টিকবে না।।

এ নীতিমালা ২০০৫এর আইন, ২০০৬এর বিধিমালা, ২০০৯এর পরিপত্র, ২০১১ এর পরিপত্র, ২০১৫ এর বিধিমালা, ১৬৬রিটের রায়, মানবাধিকার আইন, সংবিধানের ১০২ধারা লঙ্গণ করেছে। সুতারাং এ নীতিমালা কোনোভাবেই টিকবে না।


লেখকের ফেসবুক থেকে সংগ্রহ :আহ্বায়ক ও সমন্বয়কারী
১-১২তম নিবন্ধিত শিক্ষকদের অধিকার আদায় কমিটি

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর